ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
জেএফএ নারী ফুটবলে রংপুর চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল রানার্সআপ টাঙ্গাইলে তিন প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের জরিমানা বাসাইলে যমজ দুই ভাইয়ের সাফল্য অর্জন কালিহাতীতে ক্লিনিকে প্রশাসন-স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান টাঙ্গাইলে আনসারের ১০ দিন ব্যাপী গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু টাঙ্গাইল আদালতে পিপি-জিপিসহ ১০১ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার বাসাইলে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, মাছের পোনা অবমুক্ত গোপালপুরে মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল হক আর নেই ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলাম ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

নাগরপুরে ভূমি কর্মকর্তা ফরহাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ১২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের মাহমুদনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো. ফরহাদ আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত ১২ আগস্ট স্থানীয় ২৮ জন বাসিন্দা স্বাক্ষর সংযোজন করে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন মো. আলমাছ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি।

লিখিত আবেদনের উল্লেখ করা হয়, ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলীর কাছে জমির নামজারী করতে গেলে লাখ লাখ টাকা দাবি করেন। এক জনের জমির খাজনার পরিমাণ দুইশ টাকা হলে মো. ফরহাদ আলী পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করে আসছেন ফরহাদ আলী। নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলাসহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকার নির্ধারিত অর্থের বাইরেও বাড়তি টাকা নেয়া হয়।

তার সাথে চুক্তি ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছেনা। আর চুক্তি অনুযায়ী টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন সেবা পাচ্ছেনা সেবা গ্রহীতারা। বাড়তি টাকা আদায়ের বাইরেও গ্রাহকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হয়রানির বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সব জেনেও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে কোন ধরণের কার্যকরি পদক্ষেপ নেই বলেও জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

সেবা নিতে আসা নুরুল ইসলাম, আবুসাইদ, মো. ফজলুল হকসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, এই অফিসের কর্মকর্তা ফরহাদ আলীর কাছে সেবা নিতে গেলে তার চাহিদামত টাকার বিনিময়ে চুক্তির বাইরে কোন সেবা পাচ্ছেনা। এসব অনিয়ম দেখার কেউ নেই। ফরহাদ আলীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলী বলেন, আলমাছ নামে যে অভিযোগ দিয়েছেন তিনি একজন দলিল লেখক। আমার দুই বছর চাকরি সুবাধে সে তার পারিবারিক বা আত্মীয় স্বজনের কাজ নিয়ে আসেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

নাগরপুরে ভূমি কর্মকর্তা ফরহাদের বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ

প্রকাশ: ১২:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুরের মাহমুদনগর ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (নায়েব) মো. ফরহাদ আলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এ নিয়ে প্রতিবাদ করলেও বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি ও হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গত ১২ আগস্ট স্থানীয় ২৮ জন বাসিন্দা স্বাক্ষর সংযোজন করে জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন মো. আলমাছ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি।

লিখিত আবেদনের উল্লেখ করা হয়, ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলীর কাছে জমির নামজারী করতে গেলে লাখ লাখ টাকা দাবি করেন। এক জনের জমির খাজনার পরিমাণ দুইশ টাকা হলে মো. ফরহাদ আলী পঞ্চাশ হাজার টাকা দাবি করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভূমি সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করে আসছেন ফরহাদ আলী। নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তোলাসহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকার নির্ধারিত অর্থের বাইরেও বাড়তি টাকা নেয়া হয়।

তার সাথে চুক্তি ছাড়া কোন কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছেনা। আর চুক্তি অনুযায়ী টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন সেবা পাচ্ছেনা সেবা গ্রহীতারা। বাড়তি টাকা আদায়ের বাইরেও গ্রাহকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হয়রানির বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। সব জেনেও সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমাতে কোন ধরণের কার্যকরি পদক্ষেপ নেই বলেও জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।

সেবা নিতে আসা নুরুল ইসলাম, আবুসাইদ, মো. ফজলুল হকসহ একাধিক ভুক্তভোগী বলেন, এই অফিসের কর্মকর্তা ফরহাদ আলীর কাছে সেবা নিতে গেলে তার চাহিদামত টাকার বিনিময়ে চুক্তির বাইরে কোন সেবা পাচ্ছেনা। এসব অনিয়ম দেখার কেউ নেই। ফরহাদ আলীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

ভূমি কর্মকর্তা মো. ফরহাদ আলী বলেন, আলমাছ নামে যে অভিযোগ দিয়েছেন তিনি একজন দলিল লেখক। আমার দুই বছর চাকরি সুবাধে সে তার পারিবারিক বা আত্মীয় স্বজনের কাজ নিয়ে আসেনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন দিয়েছেন।