ক্রেতার অপেক্ষায় বিক্রেতারা, টাঙ্গাইলে ৮৫টি কোরবানির পশুর হাট
পবিত্র ঈদুল আযহা গুনিয়ে আসতেই জমতে শুরু করেছে টাঙ্গাইলের কোরবানির পশুর হাট গুলো। শহরের বেবিস্ট্যান্ড, করোটিয়া, কাতুলীর তোরবগঞ্জ ও ভুয়াপুরের গোবিন্দাসী কোরবানির পশুর হাট উল্লেখযোগ্য। এবার জেলায় ৮৫টি কোরবানির পশুর হাট বসছে। স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটে জেলার বিভিন্ন উপজেলার অঞ্চল থেকে ট্রাক পিকআপ ভোরে গরু-মহিষ, ছাগল আসছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হেলাল উদ্দিন খান জানান জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৮৫টি স্থায়ী কোরবানির পশুর হাট বসছে। অস্থায়ী রয়েছে শতাধিক হাট। প্রতিটি হাটে একটি করে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম রয়েছে। পশু অসুস্থ হলে দ্রæত চিকিৎসা ও গর্ভবতি পরীক্ষা করার জন্য। উপজেলাগুলোতে হাটে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জনরা তত্বাবধানে রয়েছে।
তবে দেখাযায় ইতি মধ্যে কয়েকটি হাটে প্রচুর কোরবানির পশু উঠলেও ক্রেতাদের সংখ্যা কম লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল তোরাবগঞ্জ হাটে দেখা যায় এ চিত্র। বরাবরের মতো দাম আর কাঙ্খিত ক্রেতার আশায় প্রহর গুনছেন বিক্রেতারা। শহরের বেবিস্ট্যান্ড কোরবানির পশুর হাটে গরু ছাগল আসতে শুরু করেছে। তবে এই হাটে ঈদের দিন ভোর পর্যন্ত বেচাকেনা হয়।
হাটে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. শাহীন আলমের সাথে কথা হলে তারা জানান, এ হাটে প্রচুর গরু-ছাগল উঠে। কোন পশু অসুস্থ্য হলে চিকিৎসা ও গর্ভবতি পরীক্ষার জন্য আমরা রয়েছি। ক্রেতা, বিক্রেতা ও কৃষকের সেবার জন্য ভেটেরিনারির টিম রয়েছে।
এম.কন্ঠ/ ২৩ মে /এম. টি
























