৮ বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণ এবং হত্যাকাণ্ড
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন টাঙ্গাইল জেলার সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. সোহানূর রহমান যৌথ বিবৃতিতে জানান, ধ’র্ষক সোহেল জবানবন্দি দেয়ার পরেও আইনমন্ত্রী কেন ৭ দিনের তদন্ত প্রতিবেদনের সময় নিলেন সেটা বাংলাদেশের জনগণ জানতে চায়।ধ’র্ষণের সকল অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরেও কেন এই সময় ক্ষেপণ সেটা আমরা জানতে চাই। হিসাব খুব সহজ,আইনি অধিকারের যুক্তি দেখিয়ে আমাদের দেশে ধ’র্ষকদের জামিন দেয়া যায়।
মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা ইতিমধ্যেই আদালতে হাজির হয়ে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় নিজের অপরাধ স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাকে এবং তাকে সহায়তার অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও পুলিশ দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করেছে। তাহলে কেন এই কালক্ষেপণ সেটা জাতিমনে অবশ্যই প্রশ্নের উদ্বেগ নিবে।
শুধু রামিসাই নয়, শিশু ধ’র্ষণের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি শুধু সংসদে সকলকে সংবিধান আর আইন বুঝিয়েই যাবেন নাকি তার কাজ দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলা সেটা নিয়ন্ত্রণে আনা? এর জবাবদিহিতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রী দুজনকেই বাংলাদেশের জনগণকে দিতে হবে। এটা ২৪ এর বাংলাদেশ।এই বাংলাদেশে ধ’র্ষকদের কোন ঠাঁই নাই।
সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করে রামিসাসহ সকল ধ’র্ষণ এবং হ’ত্যা’কাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতেই হবে এবং সেটা এই বাংলাদেশের মাটিতেই। অন্যথায় সারা বাংলাদেশে আবারও ধ’র্ষণের বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা গর্জে উঠবে।
তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আইনমন্ত্রীকে হুশিয়ার দিয়ে বলতে চাই,কোন টালবাহানা না করে রামিসার হ’ত্যা’কারীর বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার ট্রাইবুনাল গঠন করে ৩ দিনের মধ্যে কঠোর থেকে কঠোরোতর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
এম.কন্ঠ/ ২৩ মে /এম. টি
























