গোপালপুরে যুবদল ও ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এলাকায় চাঞ্চল্য!
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় যুবদল ও ছাত্রদল নেতার মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে বাদীর ভাই ও পরিবার টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে নোটারী পাবলিক করেছে।
এ ঘটনায় গোপালপুর উপজেলার বাখুরিয়া বাড়ী এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বিবাদী ও তার পরিবারের লোকজন মিথ্যা মামলার বিষয়ে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে নোটারী পাবলিক করে গোপালপুর থানায় জমা দেয়ার কথা বলেছে। চলিত বছরের গত ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে এ নোটারী পাবলিক করা হয়।
জানা গেছে, গত ১৩ এপ্রিল টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আমিনা খাতুন (২২) বাদী হয়ে মামলা করেন। আদালতের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস অভিযোগটি এজাহার হিসেবে রেকর্ড করার জন্য গোপালপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। পরে গোপালপুর থানা পুলিশ গত (১৫ এপ্রিল) মামলাটি রেকর্ড করে। পরে আমিনা খাতুনের ভাই ও পরিবার গত ১৬ এপ্রিল টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে নোটারী পাবলিক করে গোপালপুর থানায় জমা দেয়।
বাদী আমিনা খাতুনের বড় ভাই মো. আলম মিয়া বলেন, গোপালপুর উপজেলা যুবদল নেতা দুলাল উদ্দিন ওরফে রাবন (৪০)। তিনি গোপালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উপজেলা ট্রাক মালিক সমিতির সাবেক সদস্য সচিব। গোপালপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রোমান আহম্মেদ (৩০)। এদের বিরুদ্ধে বাদী আমিনা খাতুনের অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন বলে মনে করি। এ ঘটনার তারিখের সময় কোনরুপ ঘটনা ঘটে নাই। বাদী আমার বোন হলেও সে এলাকায় ঝগরাটে, উশৃঙ্খল প্রকৃতিক মহিলা লোক। আমার বোন ইতি পুর্বে ৩য় বারের মত বিয়ে করেছে গোপালপুর শহরের আবুঙ্গী এলাকার মৃত নাজিমুদ্দিন নাজুর ছেলে ইমরান (২৬)। আমার বোন কোন রাজনৈতিক প্রভাবশালী লোকের প্ররচনায় বা ছত্রছায়ায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে।
তিনি আরো বলেন, উক্ত বিবাদীর পরিবারের সাথে পারিবারিক শত্রুতার জের ধরে ইমরান আমিনাকে দিয়ে অশ্লিল কর্মকান্ড ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এ বিষয়ে ইমরানের পরিবারের মা এবং বড় ভাই আমিনুল ইসলামকে অবগত করলে এ বিষয়ে তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে নাই।
মো. আলম মিয়া আরো বলেন, উক্ত মামলার বিবাদী বাদী আমিনাকে কোন প্রকার ভয় ভীতি দেখায় নাই যে তার কারনে বাদী পক্ষ এলাকায় আসতে পারবেনা। বাদী আমিনা এলাকায় যখন খুশি তখন আসতে পারবে।
গোপালপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. সালাউদ্দিন বলেন, এই ঘটনাটি আমার জানা ছিলো না ওসি স্যারের মাধ্যমে কপিটি পেয়েছি।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, নোটারী পাবলিকের কপি পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবো।
এ বিষয়ে বিজ্ঞ নোটারী পাবলিক টাঙ্গাইল-এ হলফনামা করা হয়েছে। যাহার রেজিঃ নং-২০৪৭/২০২৬।
এম.কন্ঠ/ ১৪ মে /এম. টি






















