টাঙ্গাইলে ইউএনডি পি , দ্য কোকাকোলা ফাউন্ডেশনের পরিচ্ছন্নতা ক্যাম্প
বুধবার বাংলাদেশ জাতি সংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি ), দ্য কোকাকোলা ফাউন্ডেশান এর সহযোগিতায় এবং ইয়াং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)- এর অংশীদারিত্বে টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌরসভায় অনানুষ্ঠানিক খাতের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য বুধবার দু’টি স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা ক্যাম্প সম্পন্ন করেছে ।
ইউএনডিপি -র প্লাস্টিকস সার্কুলারি টি প্রজেক্ট-এর অধীনে আয়োজিত এই উদ্যোগের মাধ্যমে দুইটি পৌরসভার প্রায় ১১০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মীকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা এবং পেশাগত সুরক্ষা বিষয়ে সচেতনতা প্রদান করা হয়েছে।
মূলত সমাজের প্রান্তিক এই জনগোষ্ঠী, যারা স্থানীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমি কা পালন করে ও অনেক সময় প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত থাকেন, তাদের লক্ষ্য করেই এই ক্যাম্পগুলো পরিচালিত হয়।
ক্যাম্পের মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বিনামূল্যে সাধারণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়। নারী কর্মীদের বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে প্রজনন ও ঋতুস্রাবকালীন স্বাস্থ্য বিষয়ে ব্যক্তিগত পরামর্শের ব্যবস্থা ছিল। এছাড়াও, স্বাস্থ্যবিধি এবং নিরাপত্তার সরঞ্জাম সম্বলিত ‘ডিগনিটি কিট’ নারী কর্মীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।
এলেঙ্গা পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা চন্দনা রানী সরকার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কর্মীদের উৎসাহিত করেন এবং আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে মিসেস সরকার বলেন, “আমি ইউএনডি পি এবং কোকাকোলা ফাউন্ডেশনকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই যে তারা পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিয়ে এরকম একটা আয়োজন করেছে । তাদের স্বাস্থ্যসেবা তাদের এক মৌলিক চাহিদা, এটা পূরণের জন্য তারা ডাক্তারদের মাধ্যমে তারা কিছু ওষুধপত্র দিচ্ছেন, এর জন্য তাদেরকে আমরা অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।” টাঙ্গাইল পৌরসভার কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ আনিসুর রহমান এই উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে এই কর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আজকের এই ক্যাম্পে বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদানের পাশাপাশি আমরা বিশেষ স্বাস্থ্য পরামর্শও প্রদান করছি । আমি বিশ্বাস করি যে, শরীর ও মন সুস্থ না থাকলে কাজের গতি বজায় রাখা অসম্ভব। এই সেবার আয়োজন করা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে তারা এর মাধ্যমে উপকৃত হতে পারেন।” স্থানীয় সহযোগী সংস্থা ইপসা (ণচঝঅ)-এর সমন্বয়ে এবং দক্ষ চিকিৎসক দলের সহায়তায় এই উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হয়। এই কার্যক্রমের একটি বড় অংশ ছিল সচেতনতা বৃদ্ধি , যেখানে কর্মীদের শেখানো হয়েছে কীভাবে কর্মক্ষেত্রে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা বা স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়।
প্লাস্টিকস সার্কুলারি টি প্রজেক্ট একটি অন্তর্ভুক্তি মূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে , যে খানে অনানুষ্ঠানিক খাতের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের অধিকার, স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে তাদের রিসাইক্লিং (পুনর্ব্যবহার) অর্থনীতি তে (ঈরৎপঁষধৎ ঊপড়হড়সু) একীভূত করা সম্ভব হবে ।
এম.কন্ঠ/ ০৭ মে /এম. টি






















