গোপালপুরে সংঘর্ষে ভাঙচুর-লুটপাট, ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধশতাধিক পরিবার
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় বাকি খাওয়া নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ব্যাপক সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫০-৬০টি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে নলিনবাজার এলাকায় এরশাদের দোকানে গুলিপেচা গ্রামের টগর নামের এক ব্যক্তি বাকি নিতে গেলে দোকানদারের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয়। পরে গুলিপেচা গ্রামের কয়েকজন এসে দোকানদারকে মারধর করলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অর্জুনা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নিয়ামত আলী মাস্টার ও হেমনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম খান ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপরও হামলার অভিযোগ ওঠে। এতে উত্তেজনা আরও বাড়ে।
একপর্যায়ে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়। পরে উত্তেজিত জনতা গুলিপেচা গ্রামে হামলা চালিয়ে অসংখ্য বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, প্রাথমিকভাবে ৫০-৬০টি ঘরবাড়ি ভাঙচুরের তথ্য পাওয়া গেছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং লুটপাটের অভিযোগ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, দুই পক্ষের স্থানীয় নেতাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
সংঘর্ষে কয়েকজন আহত হয়েছে। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এম.কন্ঠ/ ২২ এপ্রিল /এম. টি

























