ঢাকা ০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার বাসাইলে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, মাছের পোনা অবমুক্ত গোপালপুরে মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল হক আর নেই ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলাম ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ টাঙ্গাইলে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা কালিহাতীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উদ্বোধন টাঙ্গাইলে অর্নুদ্ধ-১৪ নারী ফুটবল খেলায় ফাইনালে রংপুরের প্রতিপক্ষ টাঙ্গাইল কালিহাতীতে বালুমহালে ইউএনওর ঝটিকা অভিযান, জরিমানা ৪ লাখ টাকা পিপি শফিকুল ইসলাম রিপনে’র উদ্যোগে প্রয়াত খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল টাঙ্গাইলে নিখোঁজের একদিন পর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

মধুপুরে ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৮:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর থানা পুলিশ থানামোড়ের বটগাছতলা থেকে মিজানুর রহমান(২৮) নামে এক ভুয়া পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি পুলিশ হেডকোয়াটার্সে কর্মরত বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করছিলেন।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- দেলদুয়ার উপজেলার পাছএলাসিন গ্রামের তুলসী কর্মকারের ছেলে সাগর কর্মকারের ফুফা রূপলাল কর্মকারের মধুপুরের জলচ্ছত্র এলাকার ৪ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল। সাগর কর্মকার বিষয়টি এলাকার জামাই হিসেবে পরিচিত এবং পুলিশ হেডকোয়াটার্সে কর্মরত পরিচয়দানকারী মো. মিজানুর রহমানকে জানান। জমির ঝামেলার বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার জন্য মিজানুর রহমান ১৭ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রূপলাল কর্মকার তাকে জলচ্ছত্র থেকে দাবিকৃত টাকা দেন। টাকা হাতে পেয়ে সাগর কর্মকার ও রূপলাল কর্মকারকে আনারস বাগান ঘুরে দেখে আসার কথা বলে চলে যান। দীর্ঘ সময়েও ফিরে না আসায় তাকে ফোন করলে তিনি সাগর কর্মকার ও রূপলাল কর্মকারকে মধুপুর থানা মোড়ে যেতে বলেন। থানা মোড়ের বটগাছ তলায় প্রায় ঘণ্টাখানের অপেক্ষার পর মিজানুর রহমান এসে আরো ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। এক পর্যায়ে তাদের সন্দেহ হলে সাগর কর্মকার মধুপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে সাগর কর্মকার বাদি হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম ফজলুল হক জানান, মিজানুর রহমান একজন ভুয়া পুলিশ এটা স্বীকার করেছেন এবং তারা পুলিশ হেডকোয়াটার্সে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি নেবী রঙের জ্যাকেট(ট্র্যাকসুট), সামনে পুলিশ লেখা প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল (বাইক), পুলিশের ব্যবহৃত একটি লাল-নীল রঙের সোল্ডার লাইট জব্দ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, পুলিশ না হয়েও মিজানুর রহমান পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৮ মার্চ/এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

মধুপুরে ভুয়া পুলিশ গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৮:২৮:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলের মধুপুর থানা পুলিশ থানামোড়ের বটগাছতলা থেকে মিজানুর রহমান(২৮) নামে এক ভুয়া পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (২৭ মার্চ) টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত মিজানুর রহমান কুড়িগ্রাম জেলার ভুরুঙ্গামারী উপজেলার বাগভান্ডার গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি পুলিশ হেডকোয়াটার্সে কর্মরত বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করছিলেন।

প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- দেলদুয়ার উপজেলার পাছএলাসিন গ্রামের তুলসী কর্মকারের ছেলে সাগর কর্মকারের ফুফা রূপলাল কর্মকারের মধুপুরের জলচ্ছত্র এলাকার ৪ শতাংশ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ঝামেলা চলছিল। সাগর কর্মকার বিষয়টি এলাকার জামাই হিসেবে পরিচিত এবং পুলিশ হেডকোয়াটার্সে কর্মরত পরিচয়দানকারী মো. মিজানুর রহমানকে জানান। জমির ঝামেলার বিষয়টি সমাধান করে দেওয়ার জন্য মিজানুর রহমান ১৭ হাজার টাকা দাবি করেন এবং বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রূপলাল কর্মকার তাকে জলচ্ছত্র থেকে দাবিকৃত টাকা দেন। টাকা হাতে পেয়ে সাগর কর্মকার ও রূপলাল কর্মকারকে আনারস বাগান ঘুরে দেখে আসার কথা বলে চলে যান। দীর্ঘ সময়েও ফিরে না আসায় তাকে ফোন করলে তিনি সাগর কর্মকার ও রূপলাল কর্মকারকে মধুপুর থানা মোড়ে যেতে বলেন। থানা মোড়ের বটগাছ তলায় প্রায় ঘণ্টাখানের অপেক্ষার পর মিজানুর রহমান এসে আরো ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। এক পর্যায়ে তাদের সন্দেহ হলে সাগর কর্মকার মধুপুর থানা পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। এ বিষয়ে সাগর কর্মকার বাদি হয়ে মধুপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম ফজলুল হক জানান, মিজানুর রহমান একজন ভুয়া পুলিশ এটা স্বীকার করেছেন এবং তারা পুলিশ হেডকোয়াটার্সে খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে নিশ্চিত হয়েছেন। গ্রেপ্তারকালে তার কাছ থেকে পুলিশের ব্যবহৃত একটি নেবী রঙের জ্যাকেট(ট্র্যাকসুট), সামনে পুলিশ লেখা প্রায় ৩ লাখ টাকা মূল্যের একটি মোটরসাইকেল (বাইক), পুলিশের ব্যবহৃত একটি লাল-নীল রঙের সোল্ডার লাইট জব্দ করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, পুলিশ না হয়েও মিজানুর রহমান পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৮ মার্চ/এম. টি