ঢাকা ১০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তরুণীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে আন্তজার্তিক আদিবাসী দিবসে মানববন্ধন ও র‌্যালী ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসি অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলাম ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ গোপালপুরে যুবলীগ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেফতার টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড শ্রমিক নির্যাতন ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালপুরে বিক্ষোভ মিছিল গোপালপুরে পাঁচ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ মুন কালিহাতীতে মারধরের চার দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ সংবাদ পত্রই যে কোন একটি দেশের মূল চালিকা শক্তি-প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাড়ে ৩ হাজার এতিম শিক্ষার্থীকে খাবার খাওয়ালেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলে পারিবারিক কলহ ও যৌতুকের কারনে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান রোববার এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মো. শাহিনুর রহমান। তিনি ​বাসাইল উপজেলার খুলবল্লা গ্রামের ছামাদ মিয়ার ছেলে। তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে বাসাইল উপজেলার মোছা: স্বপ্না বেগমের সাথে দণ্ডিত শাহিনুর রহমানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই আসামির পরিবারের লোকজন টাকার জন্য স্বপ্নাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। এর জের ধরে পরের দিন ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে আসামি শাহিনুর রহমান তার নিজ বসতঘরের বারান্দায় ঘুমন্ত স্ত্রী স্বপ্নাকে ধারালো বল্লম (বর্শা) দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে স্বপ্নার গলা, বুক, পেট, পিঠ ও হাতে মারাত্মক জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা স্বপ্নাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পিপি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহত স্বপ্নার পিতা মো. মান্নান মিয়া বাদী হয়ে বাসাইল থানায় শাহিনুর রহমান, তার বাবা ও মায়ের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসাইল থানার এসআই মো. মনির হোসেন তদন্ত শেষে প্রধান আসামি শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু হয়। মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রায় ঘোষনার পর দন্ডিত শাহিনুরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ অগাস্ট /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশ: ০২:২৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলে পারিবারিক কলহ ও যৌতুকের কারনে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান রোববার এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মো. শাহিনুর রহমান। তিনি ​বাসাইল উপজেলার খুলবল্লা গ্রামের ছামাদ মিয়ার ছেলে। তাকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে বাসাইল উপজেলার মোছা: স্বপ্না বেগমের সাথে দণ্ডিত শাহিনুর রহমানের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই আসামির পরিবারের লোকজন টাকার জন্য স্বপ্নাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। এর জের ধরে পরের দিন ২০১৯ সালের ৫ অক্টোবর ভোরে আসামি শাহিনুর রহমান তার নিজ বসতঘরের বারান্দায় ঘুমন্ত স্ত্রী স্বপ্নাকে ধারালো বল্লম (বর্শা) দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে স্বপ্নার গলা, বুক, পেট, পিঠ ও হাতে মারাত্মক জখম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা স্বপ্নাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পিপি আরো জানান, এ ঘটনায় নিহত স্বপ্নার পিতা মো. মান্নান মিয়া বাদী হয়ে বাসাইল থানায় শাহিনুর রহমান, তার বাবা ও মায়ের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসাইল থানার এসআই মো. মনির হোসেন তদন্ত শেষে প্রধান আসামি শাহিনুর রহমানের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন। অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়। ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ গঠন করে বিচার কাজ শুরু হয়। মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। রায় ঘোষনার পর দন্ডিত শাহিনুরকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ অগাস্ট /এম. টি