ঢাকা ১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তরুণীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে আন্তজার্তিক আদিবাসী দিবসে মানববন্ধন ও র‌্যালী ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএসি অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলাম ম্যানেজমেন্ট প্রশিক্ষণ গোপালপুরে যুবলীগ সম্পাদক ও সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেফতার টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড শ্রমিক নির্যাতন ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে গোপালপুরে বিক্ষোভ মিছিল গোপালপুরে পাঁচ ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ মুন কালিহাতীতে মারধরের চার দিন পর বৃদ্ধের মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ সংবাদ পত্রই যে কোন একটি দেশের মূল চালিকা শক্তি-প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সাড়ে ৩ হাজার এতিম শিক্ষার্থীকে খাবার খাওয়ালেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু

তরুণীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

জিনিয়া বখ্শ :
প্রকাশ: ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের এক তরুণীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ এবং এতে সহায়তালর দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াছ এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সখিপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. শহীদ, বড় চওনার ইদ্রিস আলীর ছেলে ইসমাইল, এবং কচুয়া গ্রামের মজিবর রহমান এর ছেলে আব্দুর রহমান কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ১ লক্ষ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া তেলধারা (বাঘবেড়কুলিয়া) গ্রামের আবু হানিকের স্ত্রী অজুফা বেগমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৩) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড, অনাদায়ে ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং উক্ত আইনে ৭ ধারায় আরো ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড, অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মামলা চলাকালে অপর আসামি মো. বাবুল মৃত্যুবরণ করায় তাকে দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সরকারি কৌশুলি (পিপি) ওমারাও খান দিপু জানান, ২০২০ সালের ১৮ মে রাতে ভিকটিম সখিপুরের কীর্তনখোলায় তার মায়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে আসামিরা তার গতিরোধ করে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে নির্জন স্থানে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে বিবস্ত্র অবস্থায় আসামি অজুফা বেগমের বাড়িতে আটকে রাখে। সেখানে আসামি শহীদ, ইসমাইল, আঃ রহমান ও বাবুল তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিম উদ্ধার হলে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বাবুল আকতার তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচারকাজ শুরু হয়।

বিচারের সময় ট্রাইব্যুনাল ভিকটিমের জবানবন্দি, মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট, সুরতহাল ও ১১ জন সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন। আদায়কৃত জরিমানার অর্থ সংক্ষুব্ধ ভিকটিম ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবেন বলে রায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় এর সময় আসামী আব্দুর রহমান পলাতক ছিল, অন্যান্য আসামীকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ অগাস্ট /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

তরুণীকে অপহরণ ও গণধর্ষণের দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০৪:২৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের এক তরুণীকে অপহরণের পর গণধর্ষণ এবং এতে সহায়তালর দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াছ এ রায় দেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সখিপুর পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড মো. খোরশেদ আলমের ছেলে মো. শহীদ, বড় চওনার ইদ্রিস আলীর ছেলে ইসমাইল, এবং কচুয়া গ্রামের মজিবর রহমান এর ছেলে আব্দুর রহমান কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (৩) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে প্রত্যেকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ১ লক্ষ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া তেলধারা (বাঘবেড়কুলিয়া) গ্রামের আবু হানিকের স্ত্রী অজুফা বেগমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯ (৩) ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায়, যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ১ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড, অনাদায়ে ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং উক্ত আইনে ৭ ধারায় আরো ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থ দন্ড, অনাদায়ে এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মামলা চলাকালে অপর আসামি মো. বাবুল মৃত্যুবরণ করায় তাকে দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সরকারি কৌশুলি (পিপি) ওমারাও খান দিপু জানান, ২০২০ সালের ১৮ মে রাতে ভিকটিম সখিপুরের কীর্তনখোলায় তার মায়ের বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে আসামিরা তার গতিরোধ করে মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। পরে নির্জন স্থানে তাকে কুপিয়ে ও মারধর করে বিবস্ত্র অবস্থায় আসামি অজুফা বেগমের বাড়িতে আটকে রাখে। সেখানে আসামি শহীদ, ইসমাইল, আঃ রহমান ও বাবুল তাকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় ভিকটিম উদ্ধার হলে সখিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বাবুল আকতার তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। ২০২৩ সালের ২৬ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচারকাজ শুরু হয়।

বিচারের সময় ট্রাইব্যুনাল ভিকটিমের জবানবন্দি, মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্ট, সুরতহাল ও ১১ জন সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই রায় প্রদান করেন। আদায়কৃত জরিমানার অর্থ সংক্ষুব্ধ ভিকটিম ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাবেন বলে রায়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায় এর সময় আসামী আব্দুর রহমান পলাতক ছিল, অন্যান্য আসামীকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ অগাস্ট /এম. টি