ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরপুরে বৃদ্ধা নুরজাহান হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্য রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সহবতপুরের খামারধল্লা এলাকায় বৃদ্ধা নুরজাহান বেগম (৬৫) হত্যা মামলা ইউপি সদস্য মো. তোফায়েল হোসেন তোফাকে (৪২) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করছে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

তোফাজ্জল হোসেন তোফা মাহমুদনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বাঘেরবাড়ী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য দুদু মিয়ার ছেলে। এর আগে ৬ মে এই মামলায় ভোলার ফকিরকান্দি চর গ্রামের মৃত আফতাফ মোল্লার ছেলে মো. কালাম মিয়া (৩৮) নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১২ মার্চ নাগরপুরের সহবতপুর গ্রামের খামারধল্লা মাঠে নুরজাহান বেগম হত্যাকান্ডের শিকার হয়।

পরদিন ওই বৃদ্ধার ভাতিজা মো. দুলাল মিয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা করেন। মামলার রহস্য উদঘাটন করার জন্য তথ্য প্রযুক্তির পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক প্রাসংগিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তকালে প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ মে কালাম মিয়াকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন কালাম নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্ধি দেন।

তিনি আরও জানান, কালামের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ৬ মে রাতে তোফায়েল হোসেন তোফাকে নাগরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার তোফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধে জেরে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/  ০৮ মে   /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

নাগরপুরে বৃদ্ধা নুরজাহান হত্যার ঘটনায় ইউপি সদস্য রিমান্ডে

প্রকাশ: ০২:২৯:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সহবতপুরের খামারধল্লা এলাকায় বৃদ্ধা নুরজাহান বেগম (৬৫) হত্যা মামলা ইউপি সদস্য মো. তোফায়েল হোসেন তোফাকে (৪২) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই দিনের রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করছে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে।

তোফাজ্জল হোসেন তোফা মাহমুদনগর ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও বাঘেরবাড়ী গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য দুদু মিয়ার ছেলে। এর আগে ৬ মে এই মামলায় ভোলার ফকিরকান্দি চর গ্রামের মৃত আফতাফ মোল্লার ছেলে মো. কালাম মিয়া (৩৮) নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্ধী দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত ১২ মার্চ নাগরপুরের সহবতপুর গ্রামের খামারধল্লা মাঠে নুরজাহান বেগম হত্যাকান্ডের শিকার হয়।

পরদিন ওই বৃদ্ধার ভাতিজা মো. দুলাল মিয়া বাদি হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা করেন। মামলার রহস্য উদঘাটন করার জন্য তথ্য প্রযুক্তির পাশাপাশি পারিপার্শ্বিক প্রাসংগিক বিষয়সমূহ পর্যালোচনা করা হয়। তদন্তকালে প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ মে কালাম মিয়াকে ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন কালাম নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্ধি দেন।

তিনি আরও জানান, কালামের দেয়া তথ্য অনুযায়ী ৬ মে রাতে তোফায়েল হোসেন তোফাকে নাগরপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার তোফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধে জেরে ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে। মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/  ০৮ মে   /এম.টি