ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৩ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ঘাটাইলে কোটা সংস্কারের দাবিতে সড়ক অবরোধ কালিহাতীতে কোটা সংস্কারের দাবিতে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে মুক্তিযোদ্ধাদের বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে নাইট কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন ও ষান্মাসিক সমন্বয় সভা বাসাইলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও পুরস্কার বিতরণ ঘাটাইলে স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার অভিযোগে মামলা, মামলা না তোলায় সন্ত্রাসী হামলা ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ টাঙ্গাইলে বিবেকানন্দ স্কুলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ঘাটাইলে কচুরিপানা পরিষ্কার করতে নেমে বৃদ্ধের মৃত্যু ধনবাড়ীতে কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

কালিহাতীতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার আত্মহত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ২

তারেক আহমেদ :
প্রকাশ: ০৩:২০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর ‘আত্মহত্যার’ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে প্রেমিক সোহাগের ঘরে ‘আত্মহত্যা’ করেন শান্তা আক্তার।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে শান্তার বোন বিউটি বেগম বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গেছে, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে শান্তা আক্তারের সঙ্গে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা খালুয়াবাডী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সোহাগের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক বছর আগে মোবাইল ফোনে তাদের পরিচয় হয়। এর পর থেকে তাদের দু’জনের মোবাইল ফোনে কথা হতো। কথা বলার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতেও যান তারা। এ সময় তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। এক সময় বিয়ের জন্য শান্তা প্রেমিক সোহাগকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। তখন নানা তালবাহানা শুরু করেন সোহাগ। এছাড়াও সোহাগ দুই লাখ টাকাসহ তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেন বলে দাবি শান্তার বোনের।
সম্প্রতি বিয়ের দাবিতে শান্তা কালিহাতীতে আসেন।

বিষয়টি স্থানীয় মাতবর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ছেলের পক্ষ নিয়ে শান্তাকে অপমান করেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ওই নারী। বিয়ের দাবিতে পাঁচদিন আগে সোহাগের বাড়িতে অবস্থান শান্তা। এ ঘটনায় সোহাগ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। সোহাগের পালিয়ে যাওয়া, সোহাগের স্বজন ও স্থানীয় মাতব্বদের অপমান সইতে না পেরে ক্ষোভে শনিবার রাতে প্রেমিক সোহাগের ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম ও মা ছোবুরা বেগমকে আটক করেছে।

শান্তার বোন বিউটি বেগম বলেন, ‘শান্তা বিবাহিত। তাঁর একটি সন্তান রয়েছে। আমার বোনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সোহাগের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালিহাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিন্টু চন্দ্র ঘোষ জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রোববার দুপুরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৩ জুন /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতীতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার আত্মহত্যায় মামলা, গ্রেপ্তার ২

প্রকাশ: ০৩:২০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর ‘আত্মহত্যার’ ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে প্রেমিক সোহাগের ঘরে ‘আত্মহত্যা’ করেন শান্তা আক্তার।

এ ঘটনায় রোববার দুপুরে শান্তার বোন বিউটি বেগম বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গেছে, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অলুয়া গ্রামের মোখলেছুর রহমানের মেয়ে শান্তা আক্তারের সঙ্গে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা খালুয়াবাডী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে সোহাগের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক বছর আগে মোবাইল ফোনে তাদের পরিচয় হয়। এর পর থেকে তাদের দু’জনের মোবাইল ফোনে কথা হতো। কথা বলার একপর্যায়ে তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতেও যান তারা। এ সময় তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। এক সময় বিয়ের জন্য শান্তা প্রেমিক সোহাগকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকেন। তখন নানা তালবাহানা শুরু করেন সোহাগ। এছাড়াও সোহাগ দুই লাখ টাকাসহ তিন ভরি স্বর্ণালঙ্কার নেন বলে দাবি শান্তার বোনের।
সম্প্রতি বিয়ের দাবিতে শান্তা কালিহাতীতে আসেন।

বিষয়টি স্থানীয় মাতবর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালেও কোনো প্রতিকার পাননি। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ছেলের পক্ষ নিয়ে শান্তাকে অপমান করেন। এতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন ওই নারী। বিয়ের দাবিতে পাঁচদিন আগে সোহাগের বাড়িতে অবস্থান শান্তা। এ ঘটনায় সোহাগ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। সোহাগের পালিয়ে যাওয়া, সোহাগের স্বজন ও স্থানীয় মাতব্বদের অপমান সইতে না পেরে ক্ষোভে শনিবার রাতে প্রেমিক সোহাগের ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ সোহাগের বাবা নুরুল ইসলাম ও মা ছোবুরা বেগমকে আটক করেছে।

শান্তার বোন বিউটি বেগম বলেন, ‘শান্তা বিবাহিত। তাঁর একটি সন্তান রয়েছে। আমার বোনকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সোহাগের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’

কালিহাতী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিন্টু চন্দ্র ঘোষ জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রোববার দুপুরে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৩ জুন /এম.টি