ঢাকা ০৮:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০১:১৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুম করার দায়ে একজনের মৃত্যুদন্ড, ২০ বছরের কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াছ এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মো. নুরুন্নবী (২৭)। তিনি গোপালপুর উপজেলার নবধুলুটিয়া গ্রামের আতোয়ার রহমানের ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারী কৌঁশুলী (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, দন্ডিত নুরুন্নবী বিগত ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার গাঙাপাড়া গ্রাম থেকে রায়হানুল ইসলাম আরাফ নামের ৫ বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিন দিন পর ওই শিশুর দাদা মোঃ নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে গোপালপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ দন্ডিত নুরুন্নবীকে গ্রেপ্তার করে।

নুরুন্নবীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গাজীপুরের কালিয়াকৈরের রেললাইনের পাশে একটি জঙ্গল থেকে অপহৃত আরাফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নুরুন্নবী গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। তাতে তিনি আরাফকে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণ এবং হত্যা করে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন।

পিপি ওমরাও খান আরও জানান, আদালত নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় মৃত্যুদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অপহরণের অভিযোগে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। রায় ঘোষনার পর দন্ডিত নুরুন্নবীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ৩০ জুন /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড

প্রকাশ: ০১:১৯:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু অপহরণ, হত্যা ও লাশ গুম করার দায়ে একজনের মৃত্যুদন্ড, ২০ বছরের কারাদন্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াছ এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মো. নুরুন্নবী (২৭)। তিনি গোপালপুর উপজেলার নবধুলুটিয়া গ্রামের আতোয়ার রহমানের ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারী কৌঁশুলী (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, দন্ডিত নুরুন্নবী বিগত ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর গোপালপুর উপজেলার গাঙাপাড়া গ্রাম থেকে রায়হানুল ইসলাম আরাফ নামের ৫ বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ঘটনার তিন দিন পর ওই শিশুর দাদা মোঃ নাসির উদ্দিন বাদি হয়ে গোপালপুর থানায় অপহরণ মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ দন্ডিত নুরুন্নবীকে গ্রেপ্তার করে।

নুরুন্নবীর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গাজীপুরের কালিয়াকৈরের রেললাইনের পাশে একটি জঙ্গল থেকে অপহৃত আরাফের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নুরুন্নবী গ্রেপ্তার হওয়ার পর আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দেন। তাতে তিনি আরাফকে মুক্তিপণের উদ্দেশ্যে অপহরণ এবং হত্যা করে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করেন।

পিপি ওমরাও খান আরও জানান, আদালত নুরুন্নবীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমানিত হওয়ায় মৃত্যুদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অপহরণের অভিযোগে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। রায় ঘোষনার পর দন্ডিত নুরুন্নবীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

 

এম.কন্ঠ/ ৩০ জুন /এম. টি