ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
জেএফএ নারী ফুটবলে রংপুর চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইল রানার্সআপ টাঙ্গাইলে তিন প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের জরিমানা বাসাইলে যমজ দুই ভাইয়ের সাফল্য অর্জন কালিহাতীতে ক্লিনিকে প্রশাসন-স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান টাঙ্গাইলে আনসারের ১০ দিন ব্যাপী গ্রাম ভিত্তিক মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু টাঙ্গাইল আদালতে পিপি-জিপিসহ ১০১ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার বাসাইলে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন, মাছের পোনা অবমুক্ত গোপালপুরে মেহেরুন্নেছা মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক মাজহারুল হক আর নেই ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য কারিকুলাম ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ

টাঙ্গাইলে শিশু হত্যার দায়ে মায়ের ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ড

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০১:২৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে মাকে ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত , সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষনা করেন।

দন্ডিত আয়না বেগম (২৪) মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিগত ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, রায়ে দন্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৯ জুন /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে শিশু হত্যার দায়ে মায়ের ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ড

প্রকাশ: ০১:২৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

টাঙ্গাইলে শিশু ছেলেকে হত্যার দায়ে মাকে ১৩ বছর সশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত , সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষনা করেন।

দন্ডিত আয়না বেগম (২৪) মির্জাপুর উপজেলার শিবপুর চন্দনপাড়া গ্রামের মো. জহিরুল ইসলামের স্ত্রী এবং দেলদুয়ার উপজেলা লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলামের মেয়ে।

টাঙ্গাইলের সরকারী কৌশুলী (পিপি) শফিকুল ইসলাম ওরফে রিপন জানান, আয়না বেগম সন্তান জন্মের পর তার বাবার বাড়ি লাউহাটী মধ্যপাড়া গ্রামে অবস্থান করছিলেন। বিগত ২০২০ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে আয়না বেগমের স্বামী জহিরুল ইসলাম সংবাদ পান যে, তার ১৮ দিন বয়সের শিশু পুত্রকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ খবর পাওয়ার পর তিনি তার শশুড় বাড়ি লাউহাটী গ্রামে যান। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে শশুর বাড়ির পাশের খালের পানিতে ছেলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১৮ দিনের শিশু রায়হানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। পরে জহিরুল ইসলাম বাদি হয়ে তার স্ত্রী আয়না বেগমের বিরুদ্ধে দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তিনি জানান, তদন্ত শেষে দেলদুয়ার থানার উপ পরিদর্শক মনোয়ার হোসেন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিগত ২০২০ সালের ১৫ ডিসেম্বর অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচার কাজ শুরু হয়। মামলায় ৯ জনের স্বাক্ষ গ্রহণ শেষে রায় দেয়া হয়। রায় ঘোষনার পর আয়না বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরো জানান, রায়ে দন্ডিত আয়না বেগমকে তার শিশু পুত্র হত্যার দায়ে ১০ বছর এবং মরদেহ গুম করার অভিযোগে ৩ বছরসহ ১৩ বছর কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়েছে।

 

এম.কন্ঠ/ ২৯ জুন /এম. টি