কালিহাতীতে ঈদের দিন ঘরে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ, স্বজনদের দাবি হত্যা
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ঈদের দিন দুপুরে স্বামীর বাড়িতে কোরবানির মাংস নেওয়া ও রান্না করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন গৃহবধূ সাদিয়া (২২)।
শেষ পর্যন্ত মাংস রান্না তো হলোই না, বেলা তিনটার দিকে বসতঘরের শয়নকক্ষে পাওয়া গেল তাঁর ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেছে।
বৃহস্পতিবার ঈদের দিন উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদিয়া বাবার বাড়ির স্বজনদের দাবি, সাদিয়াকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছেন তাঁর স্বামী আব্দুল হামিদ ও তাঁর পরিবারের লোকজন। হত্যাকাণ্ড ঢাকার জন্য লাশ ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে ‘আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে। আমরা এ হত্যার বিচার চাই।
শুক্রবার সরেজমিনে জানা যায়, নিহত গৃহবধূ সাদিয়ার স্বামী আব্দুল হামিদ এর আগে আরোও তিনটি বিয়ে করেছিল। একে একে তিন স্ত্রী চলে যায়।
পরে দুই বছর আগে চার নাম্বার স্ত্রী হিসেবে হতদরিদ্র পরিবারের সাদিয়াকে বিয়ে করেন আব্দুল হামিদ। ঘটনার পর থেকে ঘরে তালা দিয়ে স্বামী আব্দুল হামিদ ও বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে।
নিহত সাদিয়া উপজেলার নয়াপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী ও একই উপজেলার সিংনা গ্রামের শামসুল হকের মেয়ে।
অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য নিহত সাদিয়া স্বামী আব্দুল হামিদকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার এসআই সুকান্ত রায় বলেন, নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি আত্মহত্যা তাময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তখন সে অনুসারে অপমৃত্যু মামলাকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।
এম.কন্ঠ/ ৩১ মে /এম. টি























