কালিহাতীতে তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসাইনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
সব সময় সরকার দলীয় স্থানীয় নেতাদের আস্থাভাজন হয়ে সরকারি উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ঠিকাদারদের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে থাকেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কালিহাতী উপজেলা পরিষদ চত্বরে গাছের গোড়ার ওপর দিয়ে রাস্তার কার্পেটিংয়ের কাজ নিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সোহেল রানার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ এবং মোবাইল ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলা পরিষদ চত্বরে চলমান রাস্তার কার্পেটিংয়ের সময় গাছের গোড়া না তুলে কার্পেটিং করে ঢেকে দেওয়া হয়।
এভাবে কাজ করার কারণ জানতে সাংবাদিক সোহেল রানা দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসেনের কাছে জানতে চান। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আমি সাংবাদিকদের তথ্য দিতে বাধ্য নই।
একপর্যায়ে তিনি সাংবাদিকের মোবাইল ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং উত্তেজিত আচরণ করেন।
জানা গেছে, কালিহাতী উপজেলা প্রকৌশলীর তত্বাবধানে দাপ্তরিক কাজ করার নিয়ম ও সরকারি নির্দেশনা থাকলেও উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন তার তোয়াক্কা না করে নিজের মত করে কাজ করে থাকেন। নতুন রাস্তা, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ ভবন নির্মাণে সরকারি বা অবকাঠামো উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজে তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের কাছ থেকে উৎকোচ নিয়ে থাকেন। কোন ঠিকাদার উৎকোচ দিতে অস্বীকার বা রাজি না হলে তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করা হয় বলে ভূক্তভোগী ঠিকাদারদের অভিযোগ রয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আক্তার হোসেন মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার সব অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার সাথে সাথেই আক্তার হোসেনকে প্রাথমিকভাবে শাসিয়ে দিয়েছি। ভবিষ্যতে এরকম কাজ করলে বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এম.কন্ঠ/ ২৫ জুলাই /এম. টি


























