ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে ৩ দিনব্যাপী সুইট ফেস্টিভালের সমাপ্ত ঘাটাইলে অন্ধত্বকে জয় করা খামারি গফুর এখন সমাজের আলোকবর্তিকা একটু বৃষ্টিতেই স্কুল মাঠে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা কালিহাতীতে ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হিন্নাইপাড়া টাঙ্গাইলের চমচম বিদেশে রপ্তানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে-প্রতিমন্ত্রী টুকু কালিহাতীতে লাকড়িবোঝাই ঠেলাগাড়ি উল্টে চালক নিহত কালিহাতীতে নিখোঁজের একদিন পর পুকুরে ভেসে উঠল তাঁতির মরদেহ টাঙ্গাইলে সরকারি সা’দত কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের পুনর্মিলনী টাঙ্গাইলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কালিহাতীতে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে মিলন মেলা

একটু বৃষ্টিতেই স্কুল মাঠে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

কালিহাতী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ১২:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সামান্য বৃষ্টি হলেই ১১৪ নং হাসড়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটুপানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার এই ভোগান্তি চলছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক, মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাজারে আসা মানুষও দুর্ভোগে পড়ছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালের বৃষ্টির পর মাঠে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের চারপাশে বিভিন্ন স্থাপনা ও সীমানা থাকায় বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কার্যকর কোনো পথ নেই। বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে মসজিদ, পূর্ব পাশে নতুন বাড়ি, দক্ষিণ পাশে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তা রয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশেই প্রতিদিন সকালে স্থানীয় বাজার বসে। ফলে বৃষ্টির পানি বের হতে না পেরে বিদ্যালয়ের মাঠেই জমে থাকে।

বাজারের একাধিক দোকানদার অভিযোগ করে বলেন, মসজিদ, সমাজ ও বাজার কমিটির দায়িত্বশীলদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং বিরোধের কারণে দীর্ঘদিনেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে প্রথম শ্রেণির ছোট শিক্ষার্থীরা। হাঁটুপানির কারণে যেকোনো সময় কোনো শিশু পানিতে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

পাইকড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান মজনু দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের দাবি জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, মাঠ ভরাটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তবে মাটি না পাওয়ায় কাজটি করতে কিছুটা সময় লাগছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুলসুম সোলায়মান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, তিনি সরেজমিনে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৬ সেপ্টেম্বর  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

একটু বৃষ্টিতেই স্কুল মাঠে হাঁটুপানি, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১২:৫০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সামান্য বৃষ্টি হলেই ১১৪ নং হাসড়া দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে হাঁটুপানি জমে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতার এই ভোগান্তি চলছে। এতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক, মসজিদের মুসল্লি ও স্থানীয় বাজারে আসা মানুষও দুর্ভোগে পড়ছেন।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালের বৃষ্টির পর মাঠে হাঁটুপানি জমে থাকতে দেখা যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের চারপাশে বিভিন্ন স্থাপনা ও সীমানা থাকায় বৃষ্টির পানি বের হওয়ার কার্যকর কোনো পথ নেই। বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে মসজিদ, পূর্ব পাশে নতুন বাড়ি, দক্ষিণ পাশে কমিউনিটি ক্লিনিক এবং পশ্চিম পাশে পাকা রাস্তা রয়েছে। বিদ্যালয়ের পাশেই প্রতিদিন সকালে স্থানীয় বাজার বসে। ফলে বৃষ্টির পানি বের হতে না পেরে বিদ্যালয়ের মাঠেই জমে থাকে।

বাজারের একাধিক দোকানদার অভিযোগ করে বলেন, মসজিদ, সমাজ ও বাজার কমিটির দায়িত্বশীলদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব এবং বিরোধের কারণে দীর্ঘদিনেও পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা বলেন, সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছে প্রথম শ্রেণির ছোট শিক্ষার্থীরা। হাঁটুপানির কারণে যেকোনো সময় কোনো শিশু পানিতে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে পারে। দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন।

পাইকড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান মজনু দ্রুত বিদ্যালয়ের মাঠে মাটি ভরাটের দাবি জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, মাঠ ভরাটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তবে মাটি না পাওয়ায় কাজটি করতে কিছুটা সময় লাগছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুলসুম সোলায়মান বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলবেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার বলেন, তিনি সরেজমিনে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৬ সেপ্টেম্বর  /এম. টি