ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে বাড়ছে যানবাহনের চাপ
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে শুরু হয়েছে ঈদযাত্রা। এতে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে নির্মাণাধীন উড়াল সেতু ও ধারণ ক্ষমতার অধিক যমুনা সেতুতে যানবাহন পারাপারসহ নানা কারনে যানজটের শঙ্কা করছেন মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা। যানজট নিরসনে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
মহাসড়ক ব্যবহারকারীরা জানান, গত কয়েক দিন যাবত মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বাড়ি ফিরছে উত্তরাঞ্চলের মানুষ। ফলে মহাসড়কের বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে ঘরমুখো মানুষের চাপ দেখা গেছে। এ দিকে মহাসড়কে ডাকাতির শঙ্কাও রয়েছে।
সরেজমিন দেখা যায়, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যানবাহনের ধীর গতি। মহাসড়কের অন্য অংশে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার গতিতে যানবাহন চললেও এলেঙ্গাতে চলছে সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার গতিতে। এতে ভ্যাপসা গরমে যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
পাবনাগামী বাস চালক কাজল সরকার বলেন, চন্দ্র থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত সার্ভিস লেনসহ ছয় লেন। আবার ময়মনসিংহ সড়কের যানবাহন গুলো যখনা যমুনা সেতু সংযোগ সড়কে উঠে, তখন ধীর গতি থেকে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে আমাদের ১৫ থেকে ২০ ঘন্টা ভোগান্তি পোহাতে হয়। পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো উচিত।
অপর চালক ইয়াসিন মিয়া বলেন, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে সড়ক প্রস্থত করে ফ্লাইওভারের কাজ করা হচ্ছে। স্বাভাবিক সময়েই এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ধীর গতি থাকে। আর ঈদযাত্রা তা বেড়ে যায় কয়েক গুণ। যেকারনে ফ্লাইওভারের কারনে যানজটে ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শরিফ বলেন, মহাসড়কে নির্বিঘœ ঈদযাত্রা ও ডাকাতিরোধে তারা রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন।
এম.কন্ঠ/ ১৪ মার্চ/এম. টি

























