ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে ১০টি প্লাস্টিক বর্জ্যরে পরিবর্তে একটি পরিবেশবান্ধব গাছ টাঙ্গাইলে মিথ্যা হত্যা মামলা সাজানোর অপরাধে ৩ জনের ৫ বছরের কারাদণ্ড এলিভেন বুলেটসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে সাবালিয়া ক্রীড়া একাদশ সেমিফাইনালে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে চাকরি মেলা, গবেষণা পুরষ্কার ও সাংস্কৃতিক উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন কালিহাতীতে পরিচ্ছন্নতা, মাদক নির্মূল ও সবুজায়নে জোর দিলেন নবাগত ডিসি ঘাটাইলে চাউলের দোকান দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, চালকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে ইয়ুথ ক্লাবের উড়ন্ত সূচনা টাঙ্গাইলে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক গ্রেপ্তার প্রথম বিভাগ লীগে থানাপাড়া ব্যায়ামাগারের সাথে ভাসানী ক্লাবের খেলা গোলশুন্য ড্র

চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, চালকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন

জিনিয়া বখ্শ, আদালত প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ১১:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে চালক, চালকের সহকারীসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস রোববার দুপুরে এই রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- বাসের চালক মো. আলতাফ (২৫)। তিনি দিনাজপুরের চিরির বন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে। অপর দুই দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- চালকের সহকারী মো. রাব্বি (২১) এবং বাসের কন্ট্রাকটর সাগর ওরফে সজিব মাতাব্বর (২৪)। রাব্বি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে। সাগর ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চাঁদর হাট বাজারের চুন্নু মাতাব্বরের ছেলে।

দন্ডিত তিনজনকেই দুই লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারী গত ১৪ জানুয়ারি রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের একটি বাসে উঠে। পথে বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে অন্য যাত্রীরা নেমে যায়। পরে চলন্ত বাসে তারা পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ভয় দেখিয়ে ওই নারী যাত্রীর কানের দুল, নগদ ৩৬ হাজার টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাই করে নেয়। পরে বাস নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চক্কর দিতে থাকে।

পরদিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় বাসটি থামায়। এ সময় ধর্ষণের শিকার নারী ওই এলাকায় টহলে থাকা হাইওয়ে পুলিশের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। পরে হাইওয়ে পুলিশ বাসসহ দন্ডিতদের টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই নারী বাদি হয়ে দন্ডিতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ভীক্টর ব্যানার্জী তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষনা করেন।পরে আসামীদের টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো করা।।

 

এম.কন্ঠ/ ২৫ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, চালকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ১১:১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে চালক, চালকের সহকারীসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস রোববার দুপুরে এই রায় দেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- বাসের চালক মো. আলতাফ (২৫)। তিনি দিনাজপুরের চিরির বন্দর উপজেলার নান্দেরাই গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে। অপর দুই দন্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- চালকের সহকারী মো. রাব্বি (২১) এবং বাসের কন্ট্রাকটর সাগর ওরফে সজিব মাতাব্বর (২৪)। রাব্বি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শিবপুর গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে। সাগর ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার চাঁদর হাট বাজারের চুন্নু মাতাব্বরের ছেলে।

দন্ডিত তিনজনকেই দুই লাখ টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারী কৌশুলী (পিপি) ওমরাও খান দিপু জানান, ধর্ষণের শিকার ওই নারী গত ১৪ জানুয়ারি রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার গাবতলী থেকে আশুলিয়া যাওয়ার জন্য সাভার পরিবহনের একটি বাসে উঠে। পথে বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে অন্য যাত্রীরা নেমে যায়। পরে চলন্ত বাসে তারা পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ভয় দেখিয়ে ওই নারী যাত্রীর কানের দুল, নগদ ৩৬ হাজার টাকা ও মুঠোফোন ছিনতাই করে নেয়। পরে বাস নিয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চক্কর দিতে থাকে।

পরদিন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া আন্ডারপাস এলাকায় বাসটি থামায়। এ সময় ধর্ষণের শিকার নারী ওই এলাকায় টহলে থাকা হাইওয়ে পুলিশের কাছে ঘটনা খুলে বলেন। পরে হাইওয়ে পুলিশ বাসসহ দন্ডিতদের টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

ওই দিনই টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই নারী বাদি হয়ে দন্ডিতদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ভীক্টর ব্যানার্জী তদন্ত শেষে গত ২৯ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ১৫ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত রায় ঘোষনা করেন।পরে আসামীদের টাঙ্গাইল জেলহাজতে পাঠানো করা।।

 

এম.কন্ঠ/ ২৫ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি