ঢাকা ০৩:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ঘাটাইলে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রকৃত কৃষকের হাতেই কৃষক কার্ড দিয়েছেন টাঙ্গাইলে বৈশাখী মেলার উদ্বোধন টাঙ্গাইলে কৃষি মেলার উদ্বোধণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক সচ্ছল থাকলে দেশ ভালো থাকবে-প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈশাখী শোভাযাত্রায় কালিহাতীতে বাংলা নববর্ষ উদযাপন সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর পাশে দাঁড়ানোই আমাদের বড় দায়িত্ব-প্রতিমন্ত্রী টুকু কক্সবাজারে সাড়ে পাঁচ হাজার জেলের নিরাপত্তা দিতে ইন্টারনেট চালু করা হবে-মাহবুব আনাম স্বপন বাসাইলে লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকারসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উচ্ছ্বসিত টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের মানুষ

ঈদে টাঙ্গাইল শহর যানজটমুক্ত রাখতে প্রতিমন্ত্রীর স্বেচ্ছাসেবক মাঠে

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৬:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ৩০জন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম শুরু করেছে। ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে আসা মানুষের চাপ সামালানো এবং শহরের যানজট কমাতে এসব স্বেচ্ছাসেবক ঈদের আগের দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ৫ জন, নিরালা মোড়ে ৫ জন, কালীবাড়ি ব্রিজ ও বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের মোড়ে ৫ জন এবং ক্যালসুল এলাকায় ১ জনসহ মোট ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। আগামি ২২ রমজান পর্যন্ত ওই ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর ২২ রমজান থেকে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করা হবে এবং তা ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত চলবে।

সরেজমিনে দেখা যায়- ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল ও অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে মানুষের ব্যাপক ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছিল এবং তা নিরসনে পুলিশ হিমসিম খাচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ব্যক্তি উদ্যোগে দুই ধেিপ ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেন। স্বেচ্ছাসেবীরা হলুদ ও টিয়া রঙের বিশেষ ইউনিফর্ম পড়ে হাতে বাঁশি নিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। তাদের ইউনিফর্মে ‘সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’ লেখা রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে শহরে যান চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।

ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চালক আবদুর রহমান, অঅশিকুর, রিকশাচালক আরিফ, আমির হামজা সহ অনেকেই জানান, স্বেচ্ছাসেবীদের কাজ অবশ্যই প্রশংসনীয়। আগে যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো যেত, মোড়গুলোতে প্রায়ই দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হতো। এখন কিছুটা শৃঙ্খলা এসেছে। তবে শহরে রিকশা ও ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা বেশি থাকায় দিনদিন যানজটের সমস্যা বাড়ছে।

ভিক্টোরিয়া রোডে কেনাকাটা করতে আসা পথচারী সাদিয়া রহমান বলেন, ঈদকে সামনে রেখে শহরে মানুষের চাপ অনেক বেড়েছে। আগে এখানে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। এখন স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করায় চলাচল অনেকটা সহজ হয়েছে।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ওরফে ইথেন জানান, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহোদয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ১৫ রমজান থেকে ২২ রমজান পর্যন্ত ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর ২২ রমজান থেকে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করা হবে এবং তা ঈদের আগ পর্যন্ত চলবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, জেলা পুলিশের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবীরা শহরের যানজট নিরসনে কাজ করছেন। এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ এবং এতে জনগণের ভোগান্তি কমবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি জানান, ঈদকে সামনে রেখে শহরে মানুষের চলাচল ও কেনাকাটার চাপ অনেক বেড়ে যায়। এতে তীব্র যানজটে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মানুষের সেই ভোগান্তি কমানোর জন্যই স্বেচ্ছাসেবী টিমকে মাঠে নামানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং টাঙ্গাইল শহরের যানজট সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এম.কন্ঠ/ ০৮ মার্চ/এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদে টাঙ্গাইল শহর যানজটমুক্ত রাখতে প্রতিমন্ত্রীর স্বেচ্ছাসেবক মাঠে

প্রকাশ: ০৬:১৫:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল শহরের যানজট নিরসনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপির ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপনায় ৩০জন স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম শুরু করেছে। ঈদ উপলক্ষে কেনাকাটা করতে আসা মানুষের চাপ সামালানো এবং শহরের যানজট কমাতে এসব স্বেচ্ছাসেবক ঈদের আগের দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে ৫ জন, নিরালা মোড়ে ৫ জন, কালীবাড়ি ব্রিজ ও বিন্দুবাসিনী গার্লস স্কুলের মোড়ে ৫ জন এবং ক্যালসুল এলাকায় ১ জনসহ মোট ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। আগামি ২২ রমজান পর্যন্ত ওই ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর ২২ রমজান থেকে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করা হবে এবং তা ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত চলবে।

সরেজমিনে দেখা যায়- ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মার্কেট, শপিংমল ও অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে মানুষের ব্যাপক ভিড় সৃষ্টি হয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছিল এবং তা নিরসনে পুলিশ হিমসিম খাচ্ছিল। পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ব্যক্তি উদ্যোগে দুই ধেিপ ৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দেন। স্বেচ্ছাসেবীরা হলুদ ও টিয়া রঙের বিশেষ ইউনিফর্ম পড়ে হাতে বাঁশি নিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। তাদের ইউনিফর্মে ‘সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মাননীয় প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু’ লেখা রয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় ভূমিকার কারণে শহরে যান চলাচলে কিছুটা স্বস্তি ফিরছে।

ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা চালক আবদুর রহমান, অঅশিকুর, রিকশাচালক আরিফ, আমির হামজা সহ অনেকেই জানান, স্বেচ্ছাসেবীদের কাজ অবশ্যই প্রশংসনীয়। আগে যেখানে সেখানে গাড়ি থামানো যেত, মোড়গুলোতে প্রায়ই দীর্ঘ সময় আটকে থাকতে হতো। এখন কিছুটা শৃঙ্খলা এসেছে। তবে শহরে রিকশা ও ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা বেশি থাকায় দিনদিন যানজটের সমস্যা বাড়ছে।

ভিক্টোরিয়া রোডে কেনাকাটা করতে আসা পথচারী সাদিয়া রহমান বলেন, ঈদকে সামনে রেখে শহরে মানুষের চাপ অনেক বেড়েছে। আগে এখানে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। এখন স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করায় চলাচল অনেকটা সহজ হয়েছে।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব সালেহ মোহাম্মদ শাফী ওরফে ইথেন জানান, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মহোদয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ১৫ রমজান থেকে ২২ রমজান পর্যন্ত ১৬ জন স্বেচ্ছাসেবী দায়িত্ব পালন করছেন। এরপর ২২ রমজান থেকে স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৩০ জন করা হবে এবং তা ঈদের আগ পর্যন্ত চলবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, জেলা পুলিশের পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবীরা শহরের যানজট নিরসনে কাজ করছেন। এটি একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ এবং এতে জনগণের ভোগান্তি কমবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি জানান, ঈদকে সামনে রেখে শহরে মানুষের চলাচল ও কেনাকাটার চাপ অনেক বেড়ে যায়। এতে তীব্র যানজটে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মানুষের সেই ভোগান্তি কমানোর জন্যই স্বেচ্ছাসেবী টিমকে মাঠে নামানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে এবং টাঙ্গাইল শহরের যানজট সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এম.কন্ঠ/ ০৮ মার্চ/এম. টি