ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইলের উন্নয়নে মাহমুদুল হাসানের অবদান চিরস্মরনীয়

এস এম আওয়াল মিয়া :
প্রকাশ: ১২:৩৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান শুধু রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নয়, দলমত নির্বিশেষে টাঙ্গাইলের ছেলে মাহমুদুল হাসান জেলার সব মানুষের কাছে গর্ব ও প্রেরণার প্রতীক। তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে।

তিনি ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আসিম উদ্দিন ছিলেন এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে তিন বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিন বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়ে জেলাসহ তার নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের রূপকার ও আধুনিক টাঙ্গাইলের স্থপতি বলা হয়, ঢাকার সৌন্দয্য বিনির্মানের কারিগর এবং জনগনের অকৃত্রিম বন্ধু। অসাধারণ মেধা, নেতৃত্বগুণ ও দেশপ্রেম দিয়ে তিনি টাঙ্গাইল তথা দেশের গর্ব হয়ে উঠেছিলেন।

তিনি ছিলেন শিক্ষানুরাগী। তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। মাহমুদুল হাসান রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথম বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি সংসদ সদস্য থাকা কালীন সময়ে টাঙ্গাইলে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে। টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, গ্যাস সংযোগ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মাহমুদুলহ হাসান চাঁদ বাজার, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান ডিগ্রি কলেজ স্থাপনসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্টান চালু এবং বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্টের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী বলেন, মাহমুদুল হাসান বিএনপির সরকারের আমলে নীতিগত সহায়তায় টাঙ্গাইলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, প্রশাসন, শিল্পায়ন, কৃষি, শহরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করে। তার এই অবদান টাঙ্গাইলের মানুষ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে।

টাঙ্গাইল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার (পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. বাবলু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. আমীর হামজা রুবেল বলেন, টাঙ্গাইলের অগ্রগতি ও উন্নয়নে মাহমুদুল হাসানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জেলা জুড়ে তার সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে, আমরা তাকে কেবল নেতা নয়, টাঙ্গাইলের গর্ব হিসেবে মনে রাখবো।

 

এম.কন্ঠ/ ০৩ জানুয়ারী  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলের উন্নয়নে মাহমুদুল হাসানের অবদান চিরস্মরনীয়

প্রকাশ: ১২:৩৭:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রী, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র, কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান প্রয়াত মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান শুধু রাজনৈতিক নেতা হিসেবেই নয়, দলমত নির্বিশেষে টাঙ্গাইলের ছেলে মাহমুদুল হাসান জেলার সব মানুষের কাছে গর্ব ও প্রেরণার প্রতীক। তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মাকোরকোল গ্রামে।

তিনি ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ এক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা আসিম উদ্দিন ছিলেন এলাকার একজন সম্মানিত ব্যক্তি। মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে তিন বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তিন বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়ে জেলাসহ তার নির্বাচনি এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন। টাঙ্গাইলের উন্নয়নের রূপকার ও আধুনিক টাঙ্গাইলের স্থপতি বলা হয়, ঢাকার সৌন্দয্য বিনির্মানের কারিগর এবং জনগনের অকৃত্রিম বন্ধু। অসাধারণ মেধা, নেতৃত্বগুণ ও দেশপ্রেম দিয়ে তিনি টাঙ্গাইল তথা দেশের গর্ব হয়ে উঠেছিলেন।

তিনি ছিলেন শিক্ষানুরাগী। তিনি ১৯৫৬ সালে বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫৯ সালের ১৩ জুন তিনি সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রাপ্ত হয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে যোগদান করেন। কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। মাহমুদুল হাসান রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রথম বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের উপনির্বাচনে পুনরায় সংসদ সদস্য হন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি সংসদ সদস্য থাকা কালীন সময়ে টাঙ্গাইলে ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করা হয়েছে। টাঙ্গাইল পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, গ্যাস সংযোগ, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মাহমুদুলহ হাসান চাঁদ বাজার, মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান ডিগ্রি কলেজ স্থাপনসহ বহু শিক্ষা প্রতিষ্টান চালু এবং বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসার, রাস্তাঘাট, ব্রীজ, কালভার্টের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী বলেন, মাহমুদুল হাসান বিএনপির সরকারের আমলে নীতিগত সহায়তায় টাঙ্গাইলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, প্রশাসন, শিল্পায়ন, কৃষি, শহরের উন্নয়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জন করে। তার এই অবদান টাঙ্গাইলের মানুষ ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে।

টাঙ্গাইল মাহমুদুল হাসান চাঁদ বাজার (পার্ক বাজার) দোকান মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো. বাবলু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. আমীর হামজা রুবেল বলেন, টাঙ্গাইলের অগ্রগতি ও উন্নয়নে মাহমুদুল হাসানের ভূমিকা অনস্বীকার্য। জেলা জুড়ে তার সময়ে যে উন্নয়ন হয়েছে, আমরা তাকে কেবল নেতা নয়, টাঙ্গাইলের গর্ব হিসেবে মনে রাখবো।

 

এম.কন্ঠ/ ০৩ জানুয়ারী  /এম. টি