ঘাটাইলে মোড়ে মোড়ে ফুল বিক্রির ধুম, গোলাপ ৬০ টাকা
আজ পহেলা ফাল্গুন। সেই সাথে ভালোবাসা দিবসও। এদিনে ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করতে উচ্ছ্বসিত হয়ে প্রিয়জনকে ভালোবাসা জানাতেই যেন ফুল কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। এ দিবসটি উপলক্ষ্যে ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোড়ে মোড়ে বিক্রি হচ্ছে হরেক রকমের ফুল।
ফুল বিক্রেতারা মোড়ে মোড়ে ফুলের পসরা সাজিয়ে আনন্দের সাথে ফুল বিক্রি করছেন। বাহারি এ ফুলের ছোট-বড় অস্থায়ী দোকান নিয়ে বসেছেন স্থানীয় তরুণরা। এ দিনকে যেন ভালোবাসার পরশে সাজিয়ে তুলেছেন তারা। সকাল থেকেই এসব দোকানে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বেচাকেনাও বেশ জমজমাট।
এসব বাহারি ফুলের পসরায় বিভিন্ন বাগানের নানা রঙের ফুল দেখা যায়। এক কথায় এ যেন ফুলের মিলন মেলা। দোকানগুলোতে থরে থরে বিভিন্ন ফুলের তোড়া দিয়ে সুসজ্জিত করে রাখা হয়েছে। গোলাপ ও রজনীগন্ধার স্টিক, মেয়েদের মাথার রিং,গলার হার পাওয়া যাচ্ছে এসব দোকানে। এসব ফুলের মধ্যে লাল গোলাপ ও রজনীগন্ধার চাহিদা অনেক বেশি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বাজার রোড, কলেজ মোড়সহ আশেপাশের অঞ্চলের ছোট বড় বাজারের মোড়ে মোড়ে ফুলের পসরা নিয়ে ধুম ধামে বিক্রি করছেন অস্থায়ী ফুল বিক্রেতারা। প্রতিটি ফুলের তোড়া দেড়শ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও গোলাপের প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
উপজেলার সাগরদিঘী চৌরাস্তা মোড়ের ফুল বিক্রেতা পাপন সিদ্দিকের সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ‘পহেলা ফাল্গুনে বসন্তের উৎসবকে ভালোবাসার রঙে রাঙিয়ে তুলতে সারথি হওয়ার সামান্য চেষ্টা। এ দিনে প্রিয়জনের কাছে নতুন করে ভালোবাসার বার্তা পৌঁছে দিতে কয়েকজন মিলে আনন্দের সাথে ফুল বিক্রি করছি। অনেক ভালো লাগছে। এখন পর্যন্ত বেচা-বিক্রি বেশ ভালো। আশা করছি, এবার ভালো ব্যবসা হবে।’
ধলাপাড়া এলাকায় একদিনের জন্য দোকান দিয়েছেন রায়হান। তিনি বলেন, ‘টাঙ্গাইল থেকে ১০ হাজার টাকার ফুল কিনে এনে দোকান দিয়েছি। মোটামুটি সব ফুল বিক্রি হয়ে যায়।’
সাগরদিঘী এলাকার বাসিন্দা মো. সানোয়ার সিকদার নামে এক ফুলক্রেতা বলেন, ‘বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুন উপলক্ষ্যে ফুলের চাহিদা বেড়েছে। অন্য সময়ের চেয়ে ফুলের দাম তিন গুণ বেশি। ভালোবাসা দিবসে ফুলের চাহিদা বেশি হয়ে ওঠে, কারণ এটি ভালোবাসা প্রকাশের উপযুক্ত উপহার। ফুলের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে ভালোবাসার আনন্দ ও মনোমুগ্ধতা বেড়ে যায়। ব্যবসায়ীরা ঠিক এ সুযোগটি নিচ্ছেন।’

















