ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
পার্ক বাজার নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সাধারণ সম্পাদক হচ্ছেন রুবেল ডাক্তারদের অবহেলায় যেন কোন রোগির ক্ষতি না হয়…প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইলে ১০টি প্লাস্টিক বর্জ্যরে পরিবর্তে একটি পরিবেশবান্ধব গাছ টাঙ্গাইলে মিথ্যা হত্যা মামলা সাজানোর অপরাধে ৩ জনের ৫ বছরের কারাদণ্ড এলিভেন বুলেটসকে ৪-০ গোলে হারিয়ে সাবালিয়া ক্রীড়া একাদশ সেমিফাইনালে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে চাকরি মেলা, গবেষণা পুরষ্কার ও সাংস্কৃতিক উৎসবের প্রস্তুতি সম্পন্ন কালিহাতীতে পরিচ্ছন্নতা, মাদক নির্মূল ও সবুজায়নে জোর দিলেন নবাগত ডিসি ঘাটাইলে চাউলের দোকান দখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন চলন্ত বাসে নারী যাত্রীকে ধর্ষণ, চালকসহ তিনজনকে যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে ইয়ুথ ক্লাবের উড়ন্ত সূচনা

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি