ঢাকা ০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে গোপালপুরে জামায়াতের মানববন্ধন কালিহাতীতে যমুনা নদীতে গোসলে নেমে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নিখোঁজ গোপালপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ টাঙ্গাইলে শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভা ও মানববন্ধন টাঙ্গাইলে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুরে আন্ডারপাসের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী সখীপুরের দুলাল হত্যা মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন রামরু’র সহযোগিতায় সাড়ে ৭৪ লাখ টাকা পেলেন প্রবাসীর স্ত্রী শুকুরী নির্মাণ শ্রমিককে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা, প্রতিবাদে গোপালপুরে মানববন্ধন ঘাটাইলে নারী শিক্ষককে লাঞ্ছনার ঘটনায় সালিশি বৈঠকে সমাধান

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি