ঢাকা ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
জাহাঙ্গীর স্মৃতি সেবাশ্রম বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা গোপালপুরে মাদ্রাসা সুপারকে হত্যার অভিযোগ ঘাটাইলে ছিনতাই হওয়া ইজিবাইক উদ্ধার, গ্রেফতার দুই প্রাণিসম্পদ দেশে আমিষের চাহিদা পূরণ করছে-ডা. বেগম শামসুন্নাহার আহম্মদ গোপালপুরে যাত্রীর বিরুদ্ধে ইজিবাইক চালককে গলাটিপে হত্যার অভিযোগ টস ভাগ্যে বিজয়ী হয়ে বিন্দুবাসিনী স্কুল চ্যাম্পিয়ন ঘাটাইলে ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ধান নষ্ট, বন্ধ করে দেওয়া হলো ভাটা কালিহাতীতে আইনগত সহায়তা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা ঘাটাইলে ইট ভাটার ধোয়ায় ক্ষেতের ধান নষ্ট হওয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা টাঙ্গাইলে তীব্র তাপপ্রবাহে পোল্ট্রি খামারিদের প্রশিক্ষণ

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

অসহায় অনিক দত্ত বাঁচতে চায়

প্রকাশ: ০১:২৮:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জন্মের দুই বছরের মধ্যেই অনিক দত্তের বাবা বিশ^জিৎ দত্ত মারা যায়। এই অবস্থায় পৈতৃক ভিটায় যারা ছিল তাদের সহযোগিতা না পেয়ে, এক হাত বিহীন অসহায় মা বিউটি রানী দত্ত অনিককে নিয়ে বাবার বাড়িতে এসে আশ্রয় নেয়। এইখানে এসেও নানান প্রতিকূলতার মাঝে অনিক বড় হতে থাকে এবং এস.এস.সি পরীক্ষা যখন দিবে তখনই ধরা পড়ে অনিকের দুইটা কিডনি নষ্ট।

১৬ বছর বয়সী শ্রী অনিক দত্ত গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার দশলিয়া গ্রামের প্রয়াত বিশ^জিৎ দত্তের ছেলে।

অনিকের আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বাবার ভিটেবাড়ি ছাড়া কোনো জায়গা-জমি নেই তাদের। তার পরও বাবার ভিটেবাড়িতে জায়গা হয়নি অনিকদের। মায়ের আয়ে কোনোমতে সংসার চালে তাদের। অভাবের সংসারে তাই অনিকের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশিরাই। তাদের অর্থের ওপর ভর করে এখনো চলছে অনিকের চিকিৎসাসেবা।

সেই ২০২২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কিছু মানুষের সহযোগিতায় তার মা অনিকের ডায়ালাইসিস চালাতে থাকে। কিন্তু এখন আর অনিকের মায়ের পক্ষে চিকিৎসার খরচ চালানো সম্ভব হচ্ছে না। অসুস্থতা নিয়েই চলছিল অনিকের পড়াশোনা। ভীষণ মনোকষ্ট নিয়ে এখন সময় কাটছে তাদের।

অনিক এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি যদি অনিককে সহযোগিতা করতে চান, তাহলে যোগাযোগ করুন। নগদ নম্বর- ০১৭৯৩৬৯৭৪৭৪।

 

এম.কন্ঠ/  ০৩ জুলাই  /এম. টি