টাঙ্গাইলে কুরবানির জন্য ২ লাখ ৩৩ হাজার পশু প্রস্তুত
ঈদুল আজহা উপলক্ষে টাঙ্গাইল জেলায় এবার ২লাখ ৩৩হাজার ৯শ ৯৩টি পশু কুরবানির জন্য পস্তÍত রাখা হয়েছে। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্ব্ত্ত থাকবে ৩৯ হাজার ৯শ ৮৩ টি পশু।
জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে খামার রয়েছে ২৬ হাজার ৭শ ৫৯টি। এ অবস্থায় ভারতীয় গরু দেশে চোরাচালান রোধ করতে না পারলে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন খামারীরা।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল জেলায় ১২টি উপজেলায় ষাড়, বলদ, গাভী, মহিষ, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য পশু রয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯শ ৯৩টি। এবার কুরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ১শ ৭৮টি।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের চৌবারিয়ায় রহমান এগ্রো ফার্মের মালিক দেওয়ান সুমন আহমেদ জানান, দিন দিন গো খাদ্যোর দাম বৃদ্ধি হওয়ায় কামারীরা হতাশায় ভুগছেন। গতবছর ঈদে ৩৮ টি ষাড় গরু বিক্রি করেছি, এবছরও ৩৪ টি ষাড় গরু বিক্রি করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে খাদ্যের দাম বৃদ্ধি হওয়ায় গরু বিক্রি করে কতই বান লাভ হবে এ নিয়ে চিন্তায় রয়েছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ বিভিন্ন সময় পরামর্শ ও সহযোগীতা করে আসছেন।
কালিহাতী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবু সাইম আল সালাউদ্দিন জানান, উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ৩ টি গরু ও ছাগলের খামার গড়ে উঠেছে। ২০ হাজার ৫শ ৬৯ টি পশু কুরবানির জন্য পস্তুত রাখা হয়েছে। খামারীরা কুরবানির ঈদে তাদের পালিত পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। উপজেলায় চাহিদার চেয়ে বেশি পশু কুরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চাহিদা রয়েছে ১৭ হাজার ৯শ ৭১টি। এর মধ্যে উদ্ব্ত্ত রয়েছে ২ হাজার ৫শ ৯৮টি পশু।
খামারীরা জানান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ আমাদের চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তাদের পরামর্শে আজ আমরা লাভমান হয়েছি।
সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান বলেন, সদরে অনেক খামার গড়ে উঠেছে। প্রান্তিক খামারীদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করা হচ্ছে। এছাড়াও পশুর হাটে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের ব্যাবস্থা করা হয়েছে। যাতে হাটে বিক্রেতা খামারী ও কৃষকরা উপকৃত হয়।
জেলা প্রশিক্ষন কর্মকর্তা ডা. মো. শহীদুল আলম জানান, ইতি মধ্যে জেলায় খামারীদের মানসম্পন্ন গরু-ছাগল উৎপাদনের জন্য বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষন দেওয়া হয়েছে। এ প্রশিক্ষন খামারিরা কাজে লাগিয়ে তাদের খামারে উৎপাদন বৃদ্ধি করেছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হেলাল উদ্দিন খান জানান, জেলায় কুরবানির জন্য ২ লাখ ৩৩ হাজার ৯শ ৯৩টি পশুর মধ্যে রয়েছে ষাড়, বলদ, গাভী, মহিষ, ছাগল, ভেড়াসহ অন্যান্য পশু। এবার কুরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ১শ ৭৮টি পশু। উদ্ব্ত রয়েছে ৩৯ হাজার ৯শ ৮৩টি। জেলায় ৬০ টি কুরবানির হাট বসবে। হাটে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম স্থাপন করা হয়েছে।
এম.কন্ঠ/ ১৮ মে /এম. টি

























