ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আইনজীবী এস এম ফাইজুর রহমানের ইন্তেকাল টাঙ্গাইলে দুই প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকারের জরিমানা বাসাইলে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মামুন ও সদস্য সচিব মোস্তফা কালিহাতীতে সড়কের গর্ত সংস্কারের কাজ শুরু ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা বাসাইলে মৎস্য চাষি ও খামারিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে হত্যা; গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন নাগরপুরে চোরের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল রাজমিন্ত্রীর; গ্রেপ্তার ১ ঘাটাইলে স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পরিবেশ রক্ষায় প্রতিভা প্রি ক্যাডেট স্কুলে গাছের চারা বিতরণ

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

জিনিয়া বখশ্ :
প্রকাশ: ০৫:৫০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এই রায় দেন।

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. সোলায়মান (৪৫)। তিনি সদর উপজেলার গালুটিয়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। মামলার অপর তিন আসামী সোলায়মানের বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। ১৯ বছর পর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলো। কিন্তু এ সময় মো. সোলায়মানসহ কোন আসামী আদালতে উপস্হিত হননি।

স্পেশাল জজ কোর্টের সরকারি কৌশুলি (পিপি) শাহজাহান কবির জানান, দণ্ডিত সোলায়মানের সাথে তার স্ত্রী আয়েশার বিয়ের পর থেকেই কলহ চলছিল। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোলায়মান স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ গুমের জন্য বাড়ির পাশের এলাকায় বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়। পরদিন স্থানীয় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনার পরদিন নিহত আয়েশার মামা আদম আলী বাদি হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক গোরাম মর্তুজা ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর সোলায়মান, সোলায়মানের বাবা, মা,ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।আদালত ২০০৯ সারের ১ আগস্ট আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে নয় জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

পিপি শাহজাহান কবীর জানান, আসামীরা সবাই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। পরে মামলা চলাকালে তারা জামিন পান। রায় ঘোষনার দিন কোন আসামী আদালতে হাজির ছিলেন না। দণ্ডিত সোলায়মান গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পন করার পর থেকে তাঁর সাজা শুরু হবে।

এম.কন্ঠ/ ২১ এপ্রিল /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে ১৯ বছর পর স্বামীর যাবজ্জীবন

প্রকাশ: ০৫:৫০:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা এই রায় দেন।

দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. সোলায়মান (৪৫)। তিনি সদর উপজেলার গালুটিয়া গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। মামলার অপর তিন আসামী সোলায়মানের বাবা, মা ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় আদালত তাদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন। ১৯ বছর পর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হলো। কিন্তু এ সময় মো. সোলায়মানসহ কোন আসামী আদালতে উপস্হিত হননি।

স্পেশাল জজ কোর্টের সরকারি কৌশুলি (পিপি) শাহজাহান কবির জানান, দণ্ডিত সোলায়মানের সাথে তার স্ত্রী আয়েশার বিয়ের পর থেকেই কলহ চলছিল। ২০০৭ সালের ৫ মার্চ রাতে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে সোলায়মান স্ত্রীকে মারধর ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে লাশ গুমের জন্য বাড়ির পাশের এলাকায় বাঁশঝাড়ে ফেলে দেয়। পরদিন স্থানীয় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনার পরদিন নিহত আয়েশার মামা আদম আলী বাদি হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক গোরাম মর্তুজা ওই বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর সোলায়মান, সোলায়মানের বাবা, মা,ও বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।আদালত ২০০৯ সারের ১ আগস্ট আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে নয় জনের সাক্ষ্য গ্রহন শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

পিপি শাহজাহান কবীর জানান, আসামীরা সবাই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন। পরে মামলা চলাকালে তারা জামিন পান। রায় ঘোষনার দিন কোন আসামী আদালতে হাজির ছিলেন না। দণ্ডিত সোলায়মান গ্রেপ্তার বা আত্মসমর্পন করার পর থেকে তাঁর সাজা শুরু হবে।

এম.কন্ঠ/ ২১ এপ্রিল /এম. টি