বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিএনপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে…সুলতান সালাউদ্দিন টুকু
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের কাছে বিএনপি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে। তৃণমুলে চায়ের দোকানে যারা বসেন ও ওয়ার্ডে আপনারা যারা প্রবীণ ও সাবেক বিএনপির নেতা, যারা দলের স্বার্থে কাজ করেন আপনাদের মাধ্যমেই দলকে মানুষ চিনে ও ভালবাসে। আপনাদের দলে প্রতি আলাদা একটা দরদ ও একটু বেশি ভালোবাসা রয়েছে। একটা দলের নেতা ভালো থাকলে সে দলে কর্মী ও ভোটের অভাব হয় না। কারণ আপনাদের কথা মানুষ বিশ্বাস করে ও আপনাদের উপর আস্থা রাখে। এই দলকে ভালো বাসতে গিয়ে জীবনকে হুমকির মুখে অনেকেই ফেলেছেন। অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন। তারপরও দলের জনপ্রিয়তা কমেনি। ২৪ এর জুলাই আন্দোলনেও তিন শ অধিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছে।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল ক্লাবে শহরস্থ সাবেক বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে নির্বাচনী মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের জনপ্রিয় সাবেক প্রধান মন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ফ্যাসিস্ট সরকার ছয় বছরের অধিক সময় অবৈধভাবে জেলে আটকে রেখে নির্যাতন করেছেন। তারপরও নেত্রী ফ্যাসিস্টদের সাথে আতাত করেনি, মাথা নত করেনি, দেশ ছেড়ে পালায়নি। সোনা পুড়লে যেমন খাটি হয়, তেমনি লোহা পুড়লে ইস্পাত হয়ে অনেক শক্ত হয়। ঠিক তেমনটি বিএনপির নেতা কর্মীরা ইস্পাতের চেয়ে শক্ত সোনার মতো খাটি। বিএনপিকে পরাজিত করবে এমন শক্তি বাংলাদেশে হয়নি, আল্লাহর রহমতে। আমাদের দল সঠিক পথে আছে। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান কখনও দেশের জনগণের বিপক্ষে যায়নি। বিএনপি একমাত্র দল, যারা দেশের গণতন্ত্রকে লালন করে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকে উল্লেখ করে বলেন, দুই দিন আগে জামায়াত দেশের মানুষের কাছে মাফ চেয়েছেন। তারা অপরাধ করছে, মাফ চাইছে। গণহত্যা ও মা বোনের ইজ্জত নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে, তাদের সহযোগি হিসেবে কাজ করেছে। তাদের মুখে জনগণ ও দেশের কথা মানায় না। স্বৈরাচার এরশাদ ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষকে হত্যা করেছে। তার পতনও হয়েছে। ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনাও তার বাবার মতো বাকশাল কায়েক করতে চেয়েছিলো। সবশেষে তিনিও স্বৈরাচার হয়েছে। ১৯৭১ এর পর দেশের মানুষ শেখ মুজিববকে নেতা মানতো। তার কর্মের কারনে মানুষের মুখ থেকে উঠে গিয়েছে।
জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দ প্রমুখ।
এছাড়াও বিকেলে তিনি করটিয়ায় অসহায়দের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ ও কৃষক সমাবেশে অংশ নেন। সন্ধ্যায় বিএনপির ৩১ দফা প্রচার শেষে বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন বের করেন।
এম.কন্ঠ/ ২৫ অক্টোবর /এম. টি



















