ঢাকা ০৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মায়ের পাশে সমাহিত সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেন সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেনের ইন্তেকাল টাঙ্গাইলের পিটিসিতে ২৩তম ব্যাচের বিভাগীয় ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ ঘাটাইলে স্যান্ডেলের ভিতর থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল রোবোটিকসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনার গোপালপুরে বিসিডিএস এর শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাসাইলে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি রাখায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৮ টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে ৫ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব মির্জাপুরে ২ ইটভাটা মালিককে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

টাঙ্গাইলে ‘গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মাওলানা ভাসানী’ শীর্ষক আলোচনা সভা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

মাওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মাওলানা ভাসানী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সেমিনার হলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮ তম ওফাত দিবস উদ্যাপন সেমিনার উপ কমিটি এ সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস এর অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী স্টাডিজ কোর্স শিক্ষক সৈয়দ ইরফানুল বারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনার উপকমিটির আহবায়ক আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান, ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছাঃ নুরজাহান খাতুন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইসিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান।

প্রধান অতিথি বলেন, মাওলানা ভাসানীর তিনকাল; ভারত, পাকিস্তান ও আসাম। এর মধ্যে তাঁর জন্য আসাম ছিল কঠিন জীবন। কারণ তিনি আসামে লাইন প্রথা বিরোধী, বাঙ্গাল-খেদা ও আসাম-বাংলা সার্ববৌম রাষ্ট্র গঠনে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় পার করেছেন।

মাওলানা ভাসানী পা থেকে মাথা পর্যন্ত রাজনীতিবিদ ছিলেন। কেউ ভাসানীকে বলেছেন রাজনীতিবিদ, কেউ বলেছেন সমাজতন্ত্রবিদ, আবার কেউ বলেছেন ধর্মীয় নেতা বা পীর। যেহেতু ইসলামে সবকিছুই আছে তাই তিনি ইসলামি সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

সমাজে এখন ব্যাপক কর্মসংকট। লক্ষ লক্ষ যুবক শিক্ষা উপযোগী কাজ পাচ্ছে না। প্রকৃত গণতন্ত্র আমাদের দেশে নেই। গণতন্ত্র পুরোপুরি যখন লক্ষ্যে পৌঁছে তখন সমাজতন্ত্রের বাস্তবায়ন হয়। পুরোপুরি গণতন্ত্র তখনই হবে যখন দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে।

তিনি মাওলানা ভাসানীর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্চারীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

এম.কন্ঠ/ ১৬ নভেম্বর /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে ‘গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মাওলানা ভাসানী’ শীর্ষক আলোচনা সভা

প্রকাশ: ০১:২৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

মাওলানা ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ‘গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মাওলানা ভাসানী’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের সেমিনার হলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮ তম ওফাত দিবস উদ্যাপন সেমিনার উপ কমিটি এ সভার আয়োজন করা হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস এর অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দের সভাপতিত্বে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী স্টাডিজ কোর্স শিক্ষক সৈয়দ ইরফানুল বারী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেমিনার উপকমিটির আহবায়ক আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক, বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মহিউদ্দিন, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মতিউর রহমান, ক্রিমিনোলজি এন্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছাঃ নুরজাহান খাতুন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আইসিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জিয়াউর রহমান।

প্রধান অতিথি বলেন, মাওলানা ভাসানীর তিনকাল; ভারত, পাকিস্তান ও আসাম। এর মধ্যে তাঁর জন্য আসাম ছিল কঠিন জীবন। কারণ তিনি আসামে লাইন প্রথা বিরোধী, বাঙ্গাল-খেদা ও আসাম-বাংলা সার্ববৌম রাষ্ট্র গঠনে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে জীবনের সবচেয়ে বেশি সময় পার করেছেন।

মাওলানা ভাসানী পা থেকে মাথা পর্যন্ত রাজনীতিবিদ ছিলেন। কেউ ভাসানীকে বলেছেন রাজনীতিবিদ, কেউ বলেছেন সমাজতন্ত্রবিদ, আবার কেউ বলেছেন ধর্মীয় নেতা বা পীর। যেহেতু ইসলামে সবকিছুই আছে তাই তিনি ইসলামি সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।

সমাজে এখন ব্যাপক কর্মসংকট। লক্ষ লক্ষ যুবক শিক্ষা উপযোগী কাজ পাচ্ছে না। প্রকৃত গণতন্ত্র আমাদের দেশে নেই। গণতন্ত্র পুরোপুরি যখন লক্ষ্যে পৌঁছে তখন সমাজতন্ত্রের বাস্তবায়ন হয়। পুরোপুরি গণতন্ত্র তখনই হবে যখন দেশের শিক্ষা, চিকিৎসা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে।

তিনি মাওলানা ভাসানীর অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান। আলোচনা সভায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্চারীবৃন্দ অংশগ্রহন করেন।

এম.কন্ঠ/ ১৬ নভেম্বর /এম.টি