ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মাটি তোলা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ-আহত যুবদল নেতার মৃত্যু বাসাইলে ধান ব্যবসায়ীর ঘরে টাকা চুরি, মীমাংসার চেষ্টা; আটক ৩ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আন্তঃক্লাব ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবদল নেতার মৃত্যু আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এতিম শিশুদের ৭ দিনব্যাপী ক্রিকেট প্রশিক্ষণ ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে মাদক ব্যবসায়ীর ট্রাক ছিনতাইয়ের নাটক সখীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটির দোয়া মাহফিল দেশ ও গণ বিরোধী অপশক্তি অচিরেই বালির বাঁধের মতো ভেঙে যাবে-বিরোধী দলীয় হুইপ

লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চারাবাড়ি সেতু সংযোগ সড়ক ধ্বসে পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার ভোরে উপজেলার চারাবাড়ি তোরাপগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধভাবে ড্রেজিং এর কারনে বার বার সংযোগ সড়কটি ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর চারাবাড়িঘাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০০৬ সালে ১৭০ দশমিক ৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ করে।

সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই অবৈধ ড্রেজিং এর কারনে কয়েকবার বর্ষায় দফায় দফায় পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ ধসে যায়। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এলজিইডি স্থানীয়দের সহায়তায় বালুর বস্তা ও লোহার পাত দিয়ে সাময়িক সংস্কার করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করে।

এই সড়কের সিএনজি চালক হুমায়ুন কবির বলেন, শুকনো মৌসুমী ও বর্ষা মৌসুম এই ব্রিজের উভয়পার থেকে অবৈধ ড্রেজিং করায় বারবার সেতুটি ধ্বসে গিয়ে মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অটোরিকশাচালক হাসমত করিম বলেন, গত কয়েক দিন ধরেই একটু একটু করে ধস নামছিল। আজকে ভোরে যাত্রী নিয়ে এসে দেখলাম ভেঙে গেছে। পরে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভাঙনের দৃশ্য দেখতেছি। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে আমরা যানবাহন চালাতে পারব না।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরিদর্শনে গিয়েছি। দ্রুতই সড়কটি সংস্কার করা হবে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা আছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বলেন, সম্প্রতি বৃষ্টি ও প্রবল স্রোতের কারণে ব্রিজের পাড় ধসে পড়ছে। যেহেতু এটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তাই দ্রুত ধস বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া ওখানে স্থায়ীভাবে একটা কিছু করার ভাবনা রয়েছে। আমি সবেমাত্র উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করলাম। পশ্চিম টাঙ্গাইলের পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম এ সড়ক। আমি অবশ্যই গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে ইঞ্জিনিয়ার পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও সড়কটি যেহেতু এলজিইডির। তাই এলজিইডির প্রকৌশলীকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এম.কন্ঠ/  ১০ জুলাই /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

লক্ষাধিক মানুষের ভোগান্তি

টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

প্রকাশ: ০১:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪

টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চারাবাড়ি সেতু সংযোগ সড়ক ধ্বসে পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বুধবার ভোরে উপজেলার চারাবাড়ি তোরাপগঞ্জ ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত সেতুর পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, অবৈধভাবে ড্রেজিং এর কারনে বার বার সংযোগ সড়কটি ভেঙে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার চরাঞ্চলের কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর ও নাগরপুরের ভাড়রা ইউনিয়নে যাতায়াতের জন্য টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর চারাবাড়িঘাটে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ২০০৬ সালে ১৭০ দশমিক ৬৪২ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণ করে।

সেতুটি নির্মাণের পর থেকেই অবৈধ ড্রেজিং এর কারনে কয়েকবার বর্ষায় দফায় দফায় পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ ধসে যায়। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এলজিইডি স্থানীয়দের সহায়তায় বালুর বস্তা ও লোহার পাত দিয়ে সাময়িক সংস্কার করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করে।

এই সড়কের সিএনজি চালক হুমায়ুন কবির বলেন, শুকনো মৌসুমী ও বর্ষা মৌসুম এই ব্রিজের উভয়পার থেকে অবৈধ ড্রেজিং করায় বারবার সেতুটি ধ্বসে গিয়ে মানুষের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অটোরিকশাচালক হাসমত করিম বলেন, গত কয়েক দিন ধরেই একটু একটু করে ধস নামছিল। আজকে ভোরে যাত্রী নিয়ে এসে দেখলাম ভেঙে গেছে। পরে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ভাঙনের দৃশ্য দেখতেছি। দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা না নিলে আমরা যানবাহন চালাতে পারব না।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রকৌশলী মো. ফজলুর রহমান বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরিদর্শনে গিয়েছি। দ্রুতই সড়কটি সংস্কার করা হবে। বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অবগত করা আছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা বলেন, সম্প্রতি বৃষ্টি ও প্রবল স্রোতের কারণে ব্রিজের পাড় ধসে পড়ছে। যেহেতু এটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক তাই দ্রুত ধস বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এ ছাড়া ওখানে স্থায়ীভাবে একটা কিছু করার ভাবনা রয়েছে। আমি সবেমাত্র উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ করলাম। পশ্চিম টাঙ্গাইলের পাঁচটি ইউনিয়নের মানুষের যোগাযোগের মাধ্যম এ সড়ক। আমি অবশ্যই গুরুত্বসহকারে বিষয়টি দেখছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘটনাস্থলে ইঞ্জিনিয়ার পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও সড়কটি যেহেতু এলজিইডির। তাই এলজিইডির প্রকৌশলীকে অবগত করা হয়েছে। দ্রুত সময়ে দুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এম.কন্ঠ/  ১০ জুলাই /এম.টি