ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
কোটা বাতিলের দাবিতে টাঙ্গাইলে ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ টাঙ্গাইলে যুবকদের স্বেচ্ছাশ্রমে সাঁকো নির্মাণ টাঙ্গাইলে সেতুর সংযোগ সড়ক ধ্বসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ভূঞাপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষিকাকে কু-প্রস্তাব ও যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষকের সাময়িক বরখাস্তের প্রতিবাদে ভূঞাপুরে সংবাদ সম্মেলন মাদক না ছাড়লে টাঙ্গাইল ছাড়ার হুশিয়ারি এসপির টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল (বালক অনুর্ধ্ব-১৭) টুর্নামেন্টে পোড়াবাড়ি চ্যাম্পিয়ন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারকে বদলি জনিত বিদায় সংবর্ধনা বাসাইলে নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ শীর্ষক কর্মশালা টাঙ্গাইলে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষ মেলা শুরু

সংসদ সদস্যরা কোন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় যেতে পারবেন না…ইসি আলমগীর

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, যে কেন্দ্রে নির্বাচন হবে, সেখানে যদি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে অথবা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ না থাকে তাহলে সেখানে যে প্রিজাইডিং অফিসার আছেন তিনিই নির্বাচন বন্ধ করতে পারবেন। তিনি যদি কোন কারনে বন্ধ করতে না পারেন অথবা কারো সাথে তার আঁতাত হয়ে যায় যে বন্ধ করবো না সেক্ষেত্রে আমাদের যারা রিটানিং ও সহকারি রিটানিং অফিসার থাকবেন তারাই বন্ধ করতে পারবেন। আর এমন যদি হয় উপজেলা নির্বাচনের কোন আসনেই নির্বাচন সুষ্ঠ করা যাচ্ছে না তাহলে পুরোটাই বন্ধ করে দিতে পারবেন নির্বাচন কমিশন।

বুধবার বিকেলে প্রথম ধাপে টাঙ্গাইল জেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি আরো বলেন, যদি কোন প্রার্থী বা তার সমর্থক অন্য কোন প্রার্থী বা সমর্থকে আক্রমন করে, আগুন জ্বালিয়ে দেয় বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় যে গুলোকে ফৌজদারি অপরাধ বলে সে বিষয়ে শাস্তি আরো কঠিন হবে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আচরণ বিধি যথেষ্ট না, আরো নির্বাচনী আইন আছে। সেই আইনের অধীনে ফৌজদারি যে অপরাধ গুলো রয়েছে সেক্ষেত্রে আমাদের অফিসার এবং পুলিশও মামলা করতে পারবে। আমাদের অনুমতির প্রয়োজন হবে না। এ নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সবাই থাকবে শুধু সেনাবাহিনী থাকবে না। সেনাবাহিনী শুধু জাতীয় নির্বাচনে রাখা হয়। জাতীয় নির্বাচন সারাদেশে এক সাথে অনুষ্ঠিত হয়। সেক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কম থাকে, সেজন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। উপজেলা নির্বাচনে কয়েকটি ধাপে হবে। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে বেশি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরি সদস্য আমরা অনুমোদন দিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, একজন সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকায় অবশ্যই যেতে পারবেন। তবে কোন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় যেতে পারবেন না। ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে তার ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু কোন প্রার্থীকে সাথে নিয়ে যেতে পারবেন না।

মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলার চেয়ারম্যান, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।।

 

এম.কন্ঠ/ ২৪ এপ্রিল/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ সদস্যরা কোন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় যেতে পারবেন না…ইসি আলমগীর

প্রকাশ: ০৩:৪৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর বলেছেন, যে কেন্দ্রে নির্বাচন হবে, সেখানে যদি আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে অথবা সুষ্ঠ নির্বাচনের পরিবেশ না থাকে তাহলে সেখানে যে প্রিজাইডিং অফিসার আছেন তিনিই নির্বাচন বন্ধ করতে পারবেন। তিনি যদি কোন কারনে বন্ধ করতে না পারেন অথবা কারো সাথে তার আঁতাত হয়ে যায় যে বন্ধ করবো না সেক্ষেত্রে আমাদের যারা রিটানিং ও সহকারি রিটানিং অফিসার থাকবেন তারাই বন্ধ করতে পারবেন। আর এমন যদি হয় উপজেলা নির্বাচনের কোন আসনেই নির্বাচন সুষ্ঠ করা যাচ্ছে না তাহলে পুরোটাই বন্ধ করে দিতে পারবেন নির্বাচন কমিশন।

বুধবার বিকেলে প্রথম ধাপে টাঙ্গাইল জেলার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ইসি আরো বলেন, যদি কোন প্রার্থী বা তার সমর্থক অন্য কোন প্রার্থী বা সমর্থকে আক্রমন করে, আগুন জ্বালিয়ে দেয় বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় যে গুলোকে ফৌজদারি অপরাধ বলে সে বিষয়ে শাস্তি আরো কঠিন হবে। এক্ষেত্রে নির্বাচনী আচরণ বিধি যথেষ্ট না, আরো নির্বাচনী আইন আছে। সেই আইনের অধীনে ফৌজদারি যে অপরাধ গুলো রয়েছে সেক্ষেত্রে আমাদের অফিসার এবং পুলিশও মামলা করতে পারবে। আমাদের অনুমতির প্রয়োজন হবে না। এ নির্বাচনে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সবাই থাকবে শুধু সেনাবাহিনী থাকবে না। সেনাবাহিনী শুধু জাতীয় নির্বাচনে রাখা হয়। জাতীয় নির্বাচন সারাদেশে এক সাথে অনুষ্ঠিত হয়। সেক্ষেত্রে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কম থাকে, সেজন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। উপজেলা নির্বাচনে কয়েকটি ধাপে হবে। তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে এই নির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে বেশি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীরি সদস্য আমরা অনুমোদন দিয়েছি।

নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, একজন সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকায় অবশ্যই যেতে পারবেন। তবে কোন প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনায় যেতে পারবেন না। ভোটের দিন কেন্দ্রে গিয়ে তার ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু কোন প্রার্থীকে সাথে নিয়ে যেতে পারবেন না।

মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মতিউর রহমানসহ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলার চেয়ারম্যান, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।।

 

এম.কন্ঠ/ ২৪ এপ্রিল/এম.টি