ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ঘাটাইলে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবক নিহত ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাই চেষ্টা, যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও স্কুলে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী এলেঙ্গায় আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে মোবাইল কোর্ট; ৩০হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে দলবদ্ধ ধর্ষনের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের মতবিনিময় সভা কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অনশন গোপালপুরের জয় হত্যা: ডিমলায় মাটির নিচে মিলল মরদেহ

বিন্দুবাসিনী পরিবারের ঈদ উপহার বিতরন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৮:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষাথীদের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’ উদ্যোগে গত চার বছরের মত এবারও দরিদ্র অভাবগ্রন্থ মানুষের কাছে ঈদের উপহার সামগ্রী ৭ এপ্রিল রোববার পৌছে দেয়া হয়েছে। এই বিন্দুবাসিনী পরিবারের প্রতিনিধির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর তারা সম্পূর্ন নিজেদের অর্থায়ানে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের কাছে এই উপহার পৌছে দিয়েছে।

আমাদের আশেপাশের সেই সকল মানুষদের কাছে এই উপহার দেয়া হয়, যাদের ঈদের সময় এই সামান্য উপহার অনেক প্রয়োজনীয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে দুই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন অভাবগ্রন্থ পরিবার যারা, যারা চক্ষু লজ্জায় তাদের অবস্থানের কথা বলতে পারে না। তাদের খুঁজে বের করে এবং সম্পূর্ন গোপনীয়তা রক্ষা করে তাদের বাসায় দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে। দুই বিদ্যালয়ের চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের সামনে পুরি, সিঙ্গারা, ঝালমুড়ি বিক্রি কার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবার গুলো অগ্রাধিকার পায়।

বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম এবং সহকারী শিক্ষক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার এই উদ্যোগে শুরু থেকে উৎসাহ প্রদান করেন এংব সার্বিক সহযোগিতা করেন। দুই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দগণ এই উদ্যোগে একাত্বতা প্রকাশ করে যথাসাদ্য সহযোগিতা করেন।

এই বিন্দুবাসিনী পরিবার বালক ও বালিকা উভয় বিদ্যালয়ের পঞ্চাশজনের বেশী স্বেচ্ছাসেবক(প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী) নিরলস পরিশ্রম করে আয়োজনটি সফল করেন। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদ আনন্দটা সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতেই তাদের এই প্রয়াশ। সামনের বছর এই আনন্দ যেন আরো অধিক পরিবারে ছড়িয়ে দিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করবে দুই বিদ্যালয়ের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’।

 

এম.কন্ঠ/০৮ এপ্রিল/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

বিন্দুবাসিনী পরিবারের ঈদ উপহার বিতরন

প্রকাশ: ০৮:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষাথীদের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’ উদ্যোগে গত চার বছরের মত এবারও দরিদ্র অভাবগ্রন্থ মানুষের কাছে ঈদের উপহার সামগ্রী ৭ এপ্রিল রোববার পৌছে দেয়া হয়েছে। এই বিন্দুবাসিনী পরিবারের প্রতিনিধির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর তারা সম্পূর্ন নিজেদের অর্থায়ানে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের কাছে এই উপহার পৌছে দিয়েছে।

আমাদের আশেপাশের সেই সকল মানুষদের কাছে এই উপহার দেয়া হয়, যাদের ঈদের সময় এই সামান্য উপহার অনেক প্রয়োজনীয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে দুই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন অভাবগ্রন্থ পরিবার যারা, যারা চক্ষু লজ্জায় তাদের অবস্থানের কথা বলতে পারে না। তাদের খুঁজে বের করে এবং সম্পূর্ন গোপনীয়তা রক্ষা করে তাদের বাসায় দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে। দুই বিদ্যালয়ের চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের সামনে পুরি, সিঙ্গারা, ঝালমুড়ি বিক্রি কার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবার গুলো অগ্রাধিকার পায়।

বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম এবং সহকারী শিক্ষক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার এই উদ্যোগে শুরু থেকে উৎসাহ প্রদান করেন এংব সার্বিক সহযোগিতা করেন। দুই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দগণ এই উদ্যোগে একাত্বতা প্রকাশ করে যথাসাদ্য সহযোগিতা করেন।

এই বিন্দুবাসিনী পরিবার বালক ও বালিকা উভয় বিদ্যালয়ের পঞ্চাশজনের বেশী স্বেচ্ছাসেবক(প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী) নিরলস পরিশ্রম করে আয়োজনটি সফল করেন। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদ আনন্দটা সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতেই তাদের এই প্রয়াশ। সামনের বছর এই আনন্দ যেন আরো অধিক পরিবারে ছড়িয়ে দিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করবে দুই বিদ্যালয়ের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’।

 

এম.কন্ঠ/০৮ এপ্রিল/এম.টি