ঢাকা ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
জনতার সংযোগ বুথ উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু কালিহাতীতে যমুনা নদীতে নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার টাঙ্গাইলে শহীদ একাডেমিক স্কুলে গাছের চারা বিতরণ ঘাটাইলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির কার্যকরী কমিটির পরিচিতি সভা আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে গোপালপুরে জামায়াতের মানববন্ধন কালিহাতীতে যমুনা নদীতে গোসলে নেমে নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী নিখোঁজ গোপালপুরে কৃষি প্রণোদনার বীজ, সার ও গাছের চারা বিতরণ টাঙ্গাইলে শাখা ডাকঘর কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভা ও মানববন্ধন টাঙ্গাইলে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ফল উৎসব ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের আশেকপুরে আন্ডারপাসের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী

বিন্দুবাসিনী পরিবারের ঈদ উপহার বিতরন

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৮:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষাথীদের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’ উদ্যোগে গত চার বছরের মত এবারও দরিদ্র অভাবগ্রন্থ মানুষের কাছে ঈদের উপহার সামগ্রী ৭ এপ্রিল রোববার পৌছে দেয়া হয়েছে। এই বিন্দুবাসিনী পরিবারের প্রতিনিধির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর তারা সম্পূর্ন নিজেদের অর্থায়ানে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের কাছে এই উপহার পৌছে দিয়েছে।

আমাদের আশেপাশের সেই সকল মানুষদের কাছে এই উপহার দেয়া হয়, যাদের ঈদের সময় এই সামান্য উপহার অনেক প্রয়োজনীয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে দুই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন অভাবগ্রন্থ পরিবার যারা, যারা চক্ষু লজ্জায় তাদের অবস্থানের কথা বলতে পারে না। তাদের খুঁজে বের করে এবং সম্পূর্ন গোপনীয়তা রক্ষা করে তাদের বাসায় দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে। দুই বিদ্যালয়ের চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের সামনে পুরি, সিঙ্গারা, ঝালমুড়ি বিক্রি কার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবার গুলো অগ্রাধিকার পায়।

বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম এবং সহকারী শিক্ষক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার এই উদ্যোগে শুরু থেকে উৎসাহ প্রদান করেন এংব সার্বিক সহযোগিতা করেন। দুই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দগণ এই উদ্যোগে একাত্বতা প্রকাশ করে যথাসাদ্য সহযোগিতা করেন।

এই বিন্দুবাসিনী পরিবার বালক ও বালিকা উভয় বিদ্যালয়ের পঞ্চাশজনের বেশী স্বেচ্ছাসেবক(প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী) নিরলস পরিশ্রম করে আয়োজনটি সফল করেন। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদ আনন্দটা সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতেই তাদের এই প্রয়াশ। সামনের বছর এই আনন্দ যেন আরো অধিক পরিবারে ছড়িয়ে দিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করবে দুই বিদ্যালয়ের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’।

 

এম.কন্ঠ/০৮ এপ্রিল/এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

বিন্দুবাসিনী পরিবারের ঈদ উপহার বিতরন

প্রকাশ: ০৮:৫৩:২৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ এপ্রিল ২০২৪

টাঙ্গাইলে ঐতিহ্যবাহী বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক ও বালিকা বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষাথীদের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’ উদ্যোগে গত চার বছরের মত এবারও দরিদ্র অভাবগ্রন্থ মানুষের কাছে ঈদের উপহার সামগ্রী ৭ এপ্রিল রোববার পৌছে দেয়া হয়েছে। এই বিন্দুবাসিনী পরিবারের প্রতিনিধির কাছে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ বছর তারা সম্পূর্ন নিজেদের অর্থায়ানে প্রায় দুই শতাধিক পরিবারের কাছে এই উপহার পৌছে দিয়েছে।

আমাদের আশেপাশের সেই সকল মানুষদের কাছে এই উপহার দেয়া হয়, যাদের ঈদের সময় এই সামান্য উপহার অনেক প্রয়োজনীয়। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশী প্রাধান্য পেয়েছে দুই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন অভাবগ্রন্থ পরিবার যারা, যারা চক্ষু লজ্জায় তাদের অবস্থানের কথা বলতে পারে না। তাদের খুঁজে বের করে এবং সম্পূর্ন গোপনীয়তা রক্ষা করে তাদের বাসায় দিয়ে কিছু খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হয়েছে। দুই বিদ্যালয়ের চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীবৃন্দ এবং বিদ্যালয়ের সামনে পুরি, সিঙ্গারা, ঝালমুড়ি বিক্রি কার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পরিবার গুলো অগ্রাধিকার পায়।

বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল করিম এবং সহকারী শিক্ষক মো. শহীদুল্লাহ কায়সার এই উদ্যোগে শুরু থেকে উৎসাহ প্রদান করেন এংব সার্বিক সহযোগিতা করেন। দুই বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দগণ এই উদ্যোগে একাত্বতা প্রকাশ করে যথাসাদ্য সহযোগিতা করেন।

এই বিন্দুবাসিনী পরিবার বালক ও বালিকা উভয় বিদ্যালয়ের পঞ্চাশজনের বেশী স্বেচ্ছাসেবক(প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী) নিরলস পরিশ্রম করে আয়োজনটি সফল করেন। তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঈদ আনন্দটা সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতেই তাদের এই প্রয়াশ। সামনের বছর এই আনন্দ যেন আরো অধিক পরিবারে ছড়িয়ে দিতে পারে সেই লক্ষ্যে কাজ করবে দুই বিদ্যালয়ের যৌথ সংগঠন ‘বিন্দুবাসিনী পরিবার’।

 

এম.কন্ঠ/০৮ এপ্রিল/এম.টি