টাঙ্গাইলে ঈদের বাজার করতে হিমশিম খাচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষ
ঈদের বাজার করতে হিমশিম খাচ্ছে টাঙ্গাইলের নিম্ন আয়ের মানুষ। বাজারে এখন প্রতি ডজন ডিমের দাম ১৪০ টাকা। পাড়ামহল্লার দোকানে আরও বেশি দাম। গত দুই মাস ধরে সবজির দাম অনেকটাই চড়া। এই পরিস্থিতিতে চলতি সপ্তাহে দাম বাড়ার তালিকায় যুক্ত হয়েছে পেয়াঁজ, আদা ও মসলার দাম। নিত্যপণ্যের লাগাম হীন দামে বাজার জুরে শুধু দীর্ঘশ্বাসই উঠেছে।
মাছ, মাংস দুরে থাক, ডাল, ডিম দিয়ে এক বেলা ভাত জোগাবে তারও যেন জো-নেই। মিলারদের কারসাজিতে খুচরা বাজারে মোটা চাল প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা। সরু চালের দাম ঠেকেছে ৮০ টাকা। ১২০ টাকার ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। আর প্রতিকেজি ডাল কিনতে খরচ হচ্ছে ৯৫-১০০ টাকা। হঠাৎ করেই কেজি প্রতি ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়েছে পেয়াঁজের দাম। আর সাধ থাকলেও উচ্চ দামের কারণে কপালে জুটছে না মাছ-মাংস।
এতে বাজারে গিয়ে চুপচাপ কাঁদছে খেটে খাওয়া মানুষ। টান পড়ছে সংসারের হাড়িতে। ঈদকে সামনে রেখে আদাসহ বিভিন্ন মসলার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। সবজিতেও একই অবস্থা বিরাজ করছে। ৬০/৮০ টাকার নিচে কোন সবজি নেই। গতকাল সকালে টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজার, ছয়আনী বাজার, বটতলা বাজার ও বেবিস্ট্যান্ড বাজারে খুচরা ও পাইকারী বাজার ঘুরে দেখা গেছে আসন্ন ঈদুল আযহা কে কেন্দ্র করেই মূলত পেয়াঁজ, আদা, মসলার এই দরবৃদ্ধি।
বর্তমানে প্রতিকেজি পেয়াঁজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। মাত্র এক সপ্তাহ আগেও ৩০ টাকা ছিল। তবে বাজারে প্রচুর পরিমানে দেশি রসুনের সরবরাহ থাকায় এ পন্যের দাম আছে আগের মতোই। আদার দাম বৃদ্ধি হয়ে ২৫০ টাকা কেজিতে উঠেছে। ব্যবসায়ীদের মতে পেয়াঁজের দাম কিছুটা বাড়লেও পণ্যেটি এখনও লাগালের মধ্যেই রয়েছে। তবে বাড়তি চাহিদা কে কেন্দ্র করে দাম বাড়ানোর সুযোগ নিচ্ছে মধ্যেস্বত্ব ভোগীরা। কারণ কৃষকের হাত থেকে পেয়াঁজ এখন বড় ব্যবসায়ীদের গুদামে।
টাঙ্গাইল মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান (চাঁদ বাজার) পার্ক বাজার দোকান-মালিক ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি মো: বাবলু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো: আমীর হামজা রুবেল জানান, পণ্যের দাম সবসময় উঠানামা করে থাকে। বৃষ্টির কারণে সবজির বাজার কিছুটা চড়া। তবে কৃষকের উৎপাদনের সাথে ও আমদানির উপর অনেক সময়ই দাম উঠানামা করে থাকে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় দ্রুব্য মূল্যের দাম নিয়ন্ত্রন রাখতে চেষ্টা করছি।
এম.কন্ঠ/ ১৯ মে /এম. টি

























