ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই-ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতায় আমরা একটি ক্রীড়াবান্ধব ও ক্রীড়ামোদী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ি তুলতে চাই।

সোমবার দুপুরে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানের মাঠ পরির্দশনে এসে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এ কথাগুলো বলেন।

তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ নিয়ে বলেন, ‘কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ দেওয়া, নায্যমূল্যে কৃষিসামগ্রী পৌছে দেওয়া। কৃষকদের কৃষি সামগ্রী যাতে কৃষকরা সঠিক সময়ে কৃষিখাত ব্যবহার করতে পারে। কৃষির উন্নয়নই বাংলাদেশের উন্নয়ন।

তিনি ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের জাতীয় খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২ মে নতুন কুড়ি স্পোর্টস সিলেট থেকে একযোগে সারা বাংলাদেশের জেলা শহরে প্রত্যেকটি স্টেডিয়ামে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী বাচ্চাদের নতুন কুড়ি স্পোর্টস। আমাদের সন্তানরা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মরা উঠে জাতির জন্য, সমাজের জন্য গড়ে উঠতে পারে। নতুন কুড়ি স্পোর্টস কার্যক্রম বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি আপনাদের এই টাঙ্গাইল থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশে মাঠ সংগ্রহ নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। আশাকরি টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে শুরু করে জিমনেসিয়াম যেখানে যেখানে সমস্যা রয়েছে সেগুলো দ্রুত সমাধান করবো।

তিনি জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪র্থ শ্রেনী থেকেই খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাথে ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের মৌখিক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই কাজগুলি একটি একটি পরিকল্পনামাফিক শেষ করবো।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের অধীনে ৪৮টি জেলায় জনশক্তি কর্মসংস্থানের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, যুব ক্রীড়া মন্ত্রনালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপালন হয়েছে প্রায় স্বল্প সময় দুই মাস। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি এখানে কিছু কর্মকর্তাদের গাফলতি রয়েছে। সেটা আমি নিজে তদারকির মাধ্যমে সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ। কারো যদি গাফলতি থাকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।

 

এম.কন্ঠ/ ১৩ এপ্রিল /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ক্রীড়াবান্ধব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে চাই-ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ০১:৪৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, পর্যায়ক্রমে আপনাদের সহযোগিতার মাধ্যমে স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠকদের সহযোগিতায় আমরা একটি ক্রীড়াবান্ধব ও ক্রীড়ামোদী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে গড়ি তুলতে চাই।

সোমবার দুপুরে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ অনুষ্ঠানের মাঠ পরির্দশনে এসে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এ কথাগুলো বলেন।

তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ নিয়ে বলেন, ‘কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের ঋণ দেওয়া, নায্যমূল্যে কৃষিসামগ্রী পৌছে দেওয়া। কৃষকদের কৃষি সামগ্রী যাতে কৃষকরা সঠিক সময়ে কৃষিখাত ব্যবহার করতে পারে। কৃষির উন্নয়নই বাংলাদেশের উন্নয়ন।

তিনি ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশের জাতীয় খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২ মে নতুন কুড়ি স্পোর্টস সিলেট থেকে একযোগে সারা বাংলাদেশের জেলা শহরে প্রত্যেকটি স্টেডিয়ামে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী বাচ্চাদের নতুন কুড়ি স্পোর্টস। আমাদের সন্তানরা, ভবিষ্যৎ প্রজন্মরা উঠে জাতির জন্য, সমাজের জন্য গড়ে উঠতে পারে। নতুন কুড়ি স্পোর্টস কার্যক্রম বাংলাদেশে ইতিহাস হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি আপনাদের এই টাঙ্গাইল থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশে মাঠ সংগ্রহ নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী আমাদের দিয়েছেন। আশাকরি টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের গ্যালারি থেকে শুরু করে জিমনেসিয়াম যেখানে যেখানে সমস্যা রয়েছে সেগুলো দ্রুত সমাধান করবো।

তিনি জানান, আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে ৪র্থ শ্রেনী থেকেই খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছি। শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সাথে ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের মৌখিক আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই কাজগুলি একটি একটি পরিকল্পনামাফিক শেষ করবো।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের অধীনে ৪৮টি জেলায় জনশক্তি কর্মসংস্থানের কার্যক্রম নিয়ে বলেন, যুব ক্রীড়া মন্ত্রনালয়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্বপালন হয়েছে প্রায় স্বল্প সময় দুই মাস। আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি এখানে কিছু কর্মকর্তাদের গাফলতি রয়েছে। সেটা আমি নিজে তদারকির মাধ্যমে সমাধান করবো ইনশাআল্লাহ। কারো যদি গাফলতি থাকে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আনিসুর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুস সালাম পিন্টু এমপি, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক ওবায়দুল হক নাসির প্রমুখ।

 

এম.কন্ঠ/ ১৩ এপ্রিল /এম. টি