গোপালপুরে জীর্ণ সেতু পরিদর্শনে-প্রতিমন্ত্রী
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার পৌর শহরের জীর্ণ বৈরাণ সেতু পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শুক্রবার সকালে তিনি হাট বৈরাণ মহল্লায় বৈরাণ নদীর ওপর নির্মিত সেতুটির বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে ছিলেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু, টাঙ্গাইল জেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) নবাব আলী, উপজেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত, সহসভাপতি ও শিক্ষক নেতা আমিনুল ইসলাম, সহসভাপতি আবু মুনিম, পৌর বিএনপির সভাপতি খালিদ হাসান উথান, সাধারণ সম্পাদক চাঁন মিয়া এবং যুবদল সভাপতি সাইফুল ইসলাম তালুকদার লেলিনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
সরেজমিনে দেখা যায়, বৈরাণ সেতুর পাটাতনে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। সেতুর বিম, উইং ওয়াল ও অ্যাবাটমেন্টে ফাটল দেখা দিয়েছে। এতে যে কোনো সময় সেতুটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, পত্রপত্রিকার মাধ্যমে সেতুটির দুর্দশার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন সেতু নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক পাকা করা হবে। আগামী দেড় মাসের মধ্যে ৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের আরসিসি গার্ডার সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও বলেন, অতীতের অবহেলার কারণে এ ধরনের জীর্ণ অবকাঠামোর সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমান সরকার দেশব্যাপী খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দেয়, তা রক্ষা করে। কিছু আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে।
পরে হাট বৈরাণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রতিমন্ত্রী।
এম.কন্ঠ/ ০৪ এপ্রিল /এম. টি
















