ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ বছরের মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে বাড়িসহ জমির দখল বুঝে পেলেন রুবেল নাগরপুরে মাটির নিচ থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার কালিহাতীতে মাদকবিরোধী অভিযান, তিনজনের কারাদণ্ড গোপালপুরে নেশাজাতীয় দ্রব্য মেশানো খাবার খেয়ে ৭ জন হাসপাতালে সিসা কারখানা বন্ধের দাবিতে কালিহাতী থানা ঘেরাও টাঙ্গাইলে সর্বদা নির্ভীক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গাছের চারা বিতরণ টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামীর যাবজ্জীবন কেন্দ্রীয় বিএনপির হ-য-ব-র-ল, জেলায় ব্যক্তি বলয়, সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা ছাদু বাসাইলে নন্দন বিলে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা

এডিএম কোর্টে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা

টাঙ্গাইলে বাড়িসহ জমির দখল বুঝে পেলেন রুবেল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে শহরের সাবালিয়া মৌজায় মো. আতিকুর রহমান রুবেল বাড়িসহ তার জমি বুঝে পেয়েছে। সোমবার সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তার জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ জমিতে নির্মিত বাড়ি হতে অবৈধভাবে দখলচ্যুত ছিলেন। তিনি দখল পুনরুদ্ধারে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৮ ধারা মোতাবেক একটি দখল পুনরুদ্ধারে একটি আবেদন দাখিল করেন। আইনের ৮ ধারার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ (টাঙ্গাইল দক্ষিণ) বিচারকের আদেশে তর্কিত জমি রুবেলের নামে দখল হস্তান্তরের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আদেশ প্রদান করেন। উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাফিউল ইসলাম।

আতিকুর রহমান রুবেল জানান, আদালতের মাধ্যমে জমি উদ্ধার করতে অনেক ক্ষেত্রে বছরের পর বছর সময় লাগে। দীর্ঘদিন আইনজীবীর খরচ মেটানোর জন্য অনেকটা নিঃস্ব হয়ে যেতে হয় বলে আমি জমি উদ্ধারের আশায় ছেড়ে দিয়েছিলাম। পরে আমার আইনজীবীর কাছে জানতে পারি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে অনেক দ্রুতই আমি আমার জমি উদ্ধার করতে পারব। প্রথমে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। তবে আইনজীবীর পরামর্শে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করি। কিন্তুআমার হারানো জমি ও বাড়ি ফিরে পেয়ে নিজের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি এত দ্রুত আমি আমার জমি ফিরে পাব। আমি ধন্যবাদ জানাই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসানকে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান জানান, কোন ব্যক্তির যদি জমিতে স্বত্ব বিদ্যমান থাকে কিন্তু তাকে আইনানুগ পদ্ধতি ছাড়া অবৈধভাবে উচ্ছেদ করা হয় তাহলে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা করে দ্রুত জমির দখল ফিরে পাওয়ার সুযোগ আছে।

জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এবং আদালত -২ এ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মামলার কার্যক্রম চলছে। তবে জনগণ যাতে দ্রুত প্রতিকার পায় সেজন্য মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজনে আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।

এম.কন্ঠ/ ২৫ অগাস্ট /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

এডিএম কোর্টে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা

টাঙ্গাইলে বাড়িসহ জমির দখল বুঝে পেলেন রুবেল

প্রকাশ: ০২:০১:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে শহরের সাবালিয়া মৌজায় মো. আতিকুর রহমান রুবেল বাড়িসহ তার জমি বুঝে পেয়েছে। সোমবার সদর থানা পুলিশের সহযোগিতায় তার জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, রুবেল দীর্ঘদিন ধরে তার নিজ জমিতে নির্মিত বাড়ি হতে অবৈধভাবে দখলচ্যুত ছিলেন। তিনি দখল পুনরুদ্ধারে অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে অবৈধ দখল উচ্ছেদের জন্য ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এর ৮ ধারা মোতাবেক একটি দখল পুনরুদ্ধারে একটি আবেদন দাখিল করেন। আইনের ৮ ধারার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ (টাঙ্গাইল দক্ষিণ) বিচারকের আদেশে তর্কিত জমি রুবেলের নামে দখল হস্তান্তরের জন্য টাঙ্গাইল সদর থানার ওসিকে নির্দেশ প্রদান করেন। এছাড়াও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আদেশ প্রদান করেন। উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাফিউল ইসলাম।

আতিকুর রহমান রুবেল জানান, আদালতের মাধ্যমে জমি উদ্ধার করতে অনেক ক্ষেত্রে বছরের পর বছর সময় লাগে। দীর্ঘদিন আইনজীবীর খরচ মেটানোর জন্য অনেকটা নিঃস্ব হয়ে যেতে হয় বলে আমি জমি উদ্ধারের আশায় ছেড়ে দিয়েছিলাম। পরে আমার আইনজীবীর কাছে জানতে পারি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করলে অনেক দ্রুতই আমি আমার জমি উদ্ধার করতে পারব। প্রথমে আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি। তবে আইনজীবীর পরামর্শে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করি। কিন্তুআমার হারানো জমি ও বাড়ি ফিরে পেয়ে নিজের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি এত দ্রুত আমি আমার জমি ফিরে পাব। আমি ধন্যবাদ জানাই অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসানকে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান জানান, কোন ব্যক্তির যদি জমিতে স্বত্ব বিদ্যমান থাকে কিন্তু তাকে আইনানুগ পদ্ধতি ছাড়া অবৈধভাবে উচ্ছেদ করা হয় তাহলে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের ৮ ধারায় মামলা করে দ্রুত জমির দখল ফিরে পাওয়ার সুযোগ আছে।

জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, বেদখল হওয়া জমি উদ্ধারে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এবং আদালত -২ এ ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের মামলার কার্যক্রম চলছে। তবে জনগণ যাতে দ্রুত প্রতিকার পায় সেজন্য মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রয়োজনে আদালতের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে।

এম.কন্ঠ/ ২৫ অগাস্ট /এম. টি