ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
গোপালপুরে আলুবোঝাই পিকআপে ৪০ কেজি গাঁজা, আটক ৩ বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন বীথি গোপালপুরে জাসাস নেতার ওপর হামলা কালিহাতীতে তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর টাঙ্গাইলে হুমায়ুন আহমেদ চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন আগের সরকারের দুর্নীতির তদন্ত করে পরিকল্পিত বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে-প্রতিমন্ত্রী টুকু সত্য ও বস্তনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করতে বললেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু নতুন পথচলায় কালিহাতী রিপোর্টার্স ক্লাব, মতিন সভাপতি, কামরুল সম্পাদক আজকের কৃতি শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার নেতৃত্ব দেবে-প্রতিমন্ত্রী টুটু নাগরপুরে বিএনপি নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ

গুঁড়িয়ে দেয়া হল টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের কার্যালয় ও সভাপতির বাড়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিয়েছে ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে তারা ভেকু নিয়ে এসে শহরের মেইনরোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙা শুরু করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতাকে উল্লাস করতে দেখা যায়। এতে ওই সড়‌কে যানচলাচল বন্ধ হ‌য়ে যায়।

জানা গেছে, বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানসহকারে তারা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়। পরে ভেকু দিয়ে দলীয় কার্যালয়টি গুঁড়িয়ে দেয়। এসময় ছাত্র প্রতিনিধি মারিয়ান মুকাদ্দাস মিষ্টিকে ভেকুর ওপর বসে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও ঘটনাস্থলের পাশেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের অন্যতম সমন্বয়কারী আল আমিনকে দেখা গেছে।

এদিকে, কার্যালয়টি ভাঙার পর একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুকের বাসাও ভাংচুর করে।

ছাত্র প্রতিনিধি মারিয়ান মুকাদ্দাস মিষ্টি বলেন, আমরা টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের কোনও অফিস রাখবো না। এখন আওয়ামী লীগ অফিস ভেঙেছি। আওয়ামী লীগের যত নেতা আছে, তাদের বাসাও ভাঙবো।’

ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদি হাসান রিফাত বলেন, ‘যারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর ছিল। এই টাঙ্গাইলকে শাসন করে গেছে তাদের, এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অফিসও ভেঙে ফেলবো। ফ্যাসিবাদের কোন আস্তানাই বাংলায় রাখবো না।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অন্যতম সমন্বয়কারী আল আমিন কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানবীর আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই।’

প্রসঙ্গত, এরআগে ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করে।

এম.কন্ঠ/০৬ ফেব্রুয়ারী /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

গুঁড়িয়ে দেয়া হল টাঙ্গাইল জেলা আ.লীগের কার্যালয় ও সভাপতির বাড়ী

প্রকাশ: ০২:০৫:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় গুঁড়িয়ে দিয়েছে ছাত্র-জনতা। বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে তারা ভেকু নিয়ে এসে শহরের মেইনরোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় ভাঙা শুরু করে। এসময় বিক্ষুব্ধ জনতাকে উল্লাস করতে দেখা যায়। এতে ওই সড়‌কে যানচলাচল বন্ধ হ‌য়ে যায়।

জানা গেছে, বিপুল সংখ্যক ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানসহকারে তারা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়। পরে ভেকু দিয়ে দলীয় কার্যালয়টি গুঁড়িয়ে দেয়। এসময় ছাত্র প্রতিনিধি মারিয়ান মুকাদ্দাস মিষ্টিকে ভেকুর ওপর বসে থাকতে দেখা যায়। এছাড়াও ঘটনাস্থলের পাশেই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের অন্যতম সমন্বয়কারী আল আমিনকে দেখা গেছে।

এদিকে, কার্যালয়টি ভাঙার পর একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি প্রয়াত ফজলুর রহমান খান ফারুকের বাসাও ভাংচুর করে।

ছাত্র প্রতিনিধি মারিয়ান মুকাদ্দাস মিষ্টি বলেন, আমরা টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগের কোনও অফিস রাখবো না। এখন আওয়ামী লীগ অফিস ভেঙেছি। আওয়ামী লীগের যত নেতা আছে, তাদের বাসাও ভাঙবো।’

ছাত্র প্রতিনিধি মেহেদি হাসান রিফাত বলেন, ‘যারা আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর ছিল। এই টাঙ্গাইলকে শাসন করে গেছে তাদের, এবং আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অফিসও ভেঙে ফেলবো। ফ্যাসিবাদের কোন আস্তানাই বাংলায় রাখবো না।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের অন্যতম সমন্বয়কারী আল আমিন কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তানবীর আহমেদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই।’

প্রসঙ্গত, এরআগে ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ অফিসে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর করে।

এম.কন্ঠ/০৬ ফেব্রুয়ারী /এম.টি