ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার বাহিনীর সদস্যরাই মুল ভূমিকা পালন করবে:মহা-পরিচালক মায়ের পাশে সমাহিত সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেন সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেনের ইন্তেকাল টাঙ্গাইলের পিটিসিতে ২৩তম ব্যাচের বিভাগীয় ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ ঘাটাইলে স্যান্ডেলের ভিতর থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল রোবোটিকসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনার গোপালপুরে বিসিডিএস এর শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাসাইলে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি রাখায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৮ টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে ৫ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

টাঙ্গাইলে শত কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে আ’লীগ নেতা বড়মনি, সমিতির নির্বাচন চায় মালিকপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

টাঙ্গাইলের বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতিকে দলীয় কার্যালয়ের ন্যায় ব্যবহার করে সাধারণ পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছেন সমিতির মহাসচিব ও আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনি।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে পরিবহণ মালিকরা ওই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক সমিতির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক বলেন, সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পাঁতানো একটি সাধারণ সভা ডাকা হয়। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাধারণ সভায় সকল মালিকগন হাত তুলে সম্মতি দিলে অথবা নির্বাচনের পক্ষে তুলে সম্মতি দিলে সেটাই কার্যকর হয়। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মালিকদেরকে হাত তুলতে বললে কোন মালিকগন হাত তুলে সম্মতি জ্ঞাপন করেনি। এরপরও সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে মালিক সমিতি তিন বছরের নামে অবৈধ কমিটি ঘোষনা করা হয়। যা অদ্যাবধি পর্যন্ত বহাল আছে। বর্তমান মালিক সমিতি রেজিস্ট্রেশন বিহীব ভাবে চলছে।

আনন্দ ভ্রমণের নামে ৫০ টাকার কুপন ছাপিয়ে প্রতিদিন গাড়ি থেকে টাকা উঠানো হয়েছে। সেই টাকা থেকে ৪০ টাকা ভ্রমণ খরচ দেখিয়ে ১০ টাকা করে তার নিজের পকেটে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের আগে টাঙ্গাইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও টাঙ্গাইল জেলা লাক্সারি মিনিবাস মালিক সমিতি নামে দুটি আলাদা সমিতির নামে শ্রম মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছিল। সে সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ও তার ভাই সাবেক এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির দুটি সমিতিকে একত্রিকরণ করেন এবং মহাসচিব পদে আসীন হয়ে আওয়ামী রাজত্ব কায়েম করার প্রয়াস পান।

সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৬ফেব্রুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনিকে জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব করে অবৈধভাবে নতুন কমিটি গঠন করে দেন। যা আজও বহাল রয়েছে। জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ছাত্র হত্যা ও একাধিক ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত আসামি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বড় মনি ছাত্রদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি ছুঁঁঁড়েন। আমরা দলীয়করণকৃত কমিটি বিলুপ্ত করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি কমিটি চাই। বড় মনি ও ওই কমিটির নেতারা মোট ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন- আমরা মালিকরা ওই টাকা ফেরত চাই। ওই সংবাদ সম্মেলনে বাস কোচ মালিক সমিতির সাধারণ মালিকরা সহ বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এম.কন্ঠ/ ১০ অক্টোবর /এম.টি

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে শত কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে আ’লীগ নেতা বড়মনি, সমিতির নির্বাচন চায় মালিকপক্ষ

প্রকাশ: ০১:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৪

টাঙ্গাইলের বাস-কোচ-মিনিবাস মালিক সমিতিকে দলীয় কার্যালয়ের ন্যায় ব্যবহার করে সাধারণ পরিবহণ শ্রমিক ও মালিকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে পালিয়েছেন সমিতির মহাসচিব ও আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনি।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু ভিআইপি অডিটরিয়ামে সংবাদ সম্মেলনে পরিবহণ মালিকরা ওই অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মালিক সমিতির সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক বলেন, সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পাঁতানো একটি সাধারণ সভা ডাকা হয়। সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাধারণ সভায় সকল মালিকগন হাত তুলে সম্মতি দিলে অথবা নির্বাচনের পক্ষে তুলে সম্মতি দিলে সেটাই কার্যকর হয়। কিন্তু জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মালিকদেরকে হাত তুলতে বললে কোন মালিকগন হাত তুলে সম্মতি জ্ঞাপন করেনি। এরপরও সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে মালিক সমিতি তিন বছরের নামে অবৈধ কমিটি ঘোষনা করা হয়। যা অদ্যাবধি পর্যন্ত বহাল আছে। বর্তমান মালিক সমিতি রেজিস্ট্রেশন বিহীব ভাবে চলছে।

আনন্দ ভ্রমণের নামে ৫০ টাকার কুপন ছাপিয়ে প্রতিদিন গাড়ি থেকে টাকা উঠানো হয়েছে। সেই টাকা থেকে ৪০ টাকা ভ্রমণ খরচ দেখিয়ে ১০ টাকা করে তার নিজের পকেটে নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ২০১৩ সালের আগে টাঙ্গাইল জেলা বাস মালিক সমিতি ও টাঙ্গাইল জেলা লাক্সারি মিনিবাস মালিক সমিতি নামে দুটি আলাদা সমিতির নামে শ্রম মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছিল। সে সময় আওয়ামী লীগের দলীয় প্রভাব খাটিয়ে শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ও তার ভাই সাবেক এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির দুটি সমিতিকে একত্রিকরণ করেন এবং মহাসচিব পদে আসীন হয়ে আওয়ামী রাজত্ব কায়েম করার প্রয়াস পান।

সর্বশেষ ২০২২ সালের ২৬ফেব্রুয়ারি জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া বড়মনিকে জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব করে অবৈধভাবে নতুন কমিটি গঠন করে দেন। যা আজও বহাল রয়েছে। জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি ছাত্র হত্যা ও একাধিক ধর্ষণ মামলার অভিযুক্ত আসামি।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে বড় মনি ছাত্রদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি ছুঁঁঁড়েন। আমরা দলীয়করণকৃত কমিটি বিলুপ্ত করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত একটি কমিটি চাই। বড় মনি ও ওই কমিটির নেতারা মোট ৮১ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন- আমরা মালিকরা ওই টাকা ফেরত চাই। ওই সংবাদ সম্মেলনে বাস কোচ মালিক সমিতির সাধারণ মালিকরা সহ বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

এম.কন্ঠ/ ১০ অক্টোবর /এম.টি