ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ভোট কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার বাহিনীর সদস্যরাই মুল ভূমিকা পালন করবে:মহা-পরিচালক মায়ের পাশে সমাহিত সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেন সেতু’র নির্বাহী পরিচালক মির্জা সাহাদত হোসেনের ইন্তেকাল টাঙ্গাইলের পিটিসিতে ২৩তম ব্যাচের বিভাগীয় ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণ ঘাটাইলে স্যান্ডেলের ভিতর থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল রোবোটিকসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট শীর্ষক সেমিনার গোপালপুরে বিসিডিএস এর শাখা সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাসাইলে এলপিজি গ্যাসের দাম বেশি রাখায় ৪ হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৮ টাঙ্গাইলে পৃথক অভিযানে ৫ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার

টাঙ্গাইলে মাথায় লাল কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০২৪

টাঙ্গাইল শহরে মাথায় লাল কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া শাহীন স্কুলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গেলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পুলিশি বাধা পেয়ে বিক্ষোভকারীরা সেখানেই কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকুরিতে কোট সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদ জানান। এদিকে শহরে আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহরে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে।

অপর দিকে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এ তথ্য জানায়। এর আগে কোটা সংষ্কার আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা ঢাকার নেতাদের সঙ্গে এক জুম মিটিং শেষে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।

ওই জুম মিটিংয়ে অংশ নেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে থাকা অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফিহাদ হোসেন, বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুখি আক্তার, জুনায়েদ আলি প্রমুখ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হওয়ায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছিলেন। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীরা টানা কয়েকটি দিন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে। গত ১৭ জুলাই হল বন্ধ করে দেওয়ার পরে সকল সাধারণ শিক্ষার্থী তাদের বাসায় চলে যায় এবং কোনো প্রকার আন্দোলন, বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা বা কোনো প্রকার সহিংসতার সাথে তারা কোনোভাবেই সম্পৃক্ত হয়নি। সংগঠিত সহিংসতার সাথে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কোন প্রকার সম্পর্কও নেই।

তারা জানায়, এমতাবস্থায় কোটা সংস্কার হওয়ায় আদালতের রায়ের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। কোটা সংস্কারের দাবি আদায়ে যে সকল শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন, দাবি আদায়ের জন্য যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের যেন সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তা এবং সঠিক তদন্ত করে ন্যায় বিচার পাইয়ে দেওয়া হয়- সেজন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, এ আন্দোলনে যে সকল সাধারণ শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান। কেউ অযথা কোন হয়রানি বা মিথ্যা মামলায় জড়িত না করে তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তা কামনা সহ বিশ^বিদ্যালয় অবিলম্বে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

এম.কন্ঠ/  ৩০ জুলাই /এম.টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহার

টাঙ্গাইলে মাথায় লাল কাপড় বেঁধে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

প্রকাশ: ০১:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০২৪

টাঙ্গাইল শহরে মাথায় লাল কাপড় বেঁধে বিক্ষোভ করেছে বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের রেজিষ্ট্রিপাড়া শাহীন স্কুলের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে গেলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পুলিশি বাধা পেয়ে বিক্ষোভকারীরা সেখানেই কর্মসূচি সমাপ্ত করেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকুরিতে কোট সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলা ও হত্যার প্রতিবাদ জানান। এদিকে শহরে আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শহরে পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছে।

অপর দিকে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা এ তথ্য জানায়। এর আগে কোটা সংষ্কার আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা শিক্ষার্থীরা ঢাকার নেতাদের সঙ্গে এক জুম মিটিং শেষে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।

ওই জুম মিটিংয়ে অংশ নেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে থাকা অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী তৌকির আহমেদ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফিহাদ হোসেন, বিএমবি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী সুখি আক্তার, জুনায়েদ আলি প্রমুখ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হওয়ায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাধারণ শিক্ষার্থী এই আন্দোলনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছিলেন। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সাধারণ শিক্ষার্থীরা টানা কয়েকটি দিন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছে। গত ১৭ জুলাই হল বন্ধ করে দেওয়ার পরে সকল সাধারণ শিক্ষার্থী তাদের বাসায় চলে যায় এবং কোনো প্রকার আন্দোলন, বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা বা কোনো প্রকার সহিংসতার সাথে তারা কোনোভাবেই সম্পৃক্ত হয়নি। সংগঠিত সহিংসতার সাথে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কোন প্রকার সম্পর্কও নেই।

তারা জানায়, এমতাবস্থায় কোটা সংস্কার হওয়ায় আদালতের রায়ের প্রতি সন্তুষ্টি প্রকাশ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। কোটা সংস্কারের দাবি আদায়ে যে সকল শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন, দাবি আদায়ের জন্য যারা রক্ত দিয়েছেন তাদের যেন সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহায়তা এবং সঠিক তদন্ত করে ন্যায় বিচার পাইয়ে দেওয়া হয়- সেজন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা জানায়, এ আন্দোলনে যে সকল সাধারণ শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাদের শোকাহত পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান। কেউ অযথা কোন হয়রানি বা মিথ্যা মামলায় জড়িত না করে তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহায়তা কামনা সহ বিশ^বিদ্যালয় অবিলম্বে খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান।

 

এম.কন্ঠ/  ৩০ জুলাই /এম.টি