ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ঘাটাইলে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবক নিহত ছুরিকাঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাই চেষ্টা, যুবকের ১০ বছরের কারাদণ্ড গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও স্কুলে খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী এলেঙ্গায় আইসক্রিম ফ্যাক্টরিতে মোবাইল কোর্ট; ৩০হাজার টাকা জরিমানা টাঙ্গাইলে দলবদ্ধ ধর্ষনের দায়ে ২ জনের যাবজ্জীবন টাঙ্গাইলে নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময় সভা টাঙ্গাইলে দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের মতবিনিময় সভা কালিহাতীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে নারীর অনশন গোপালপুরের জয় হত্যা: ডিমলায় মাটির নিচে মিলল মরদেহ

গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু

গোপালপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ১২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের রাতে বাসর ঘরে অসুস্থ হয়ে আয়নাল হক (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে ওই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া আয়নাল হক ওই গ্রামের মৃত দানেশ আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম। নববধূকে ঘরে তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়নাল হক জেলা শহরে ভাড়া বাসায় থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসাও করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার ছিল। তবে গত জুলাই মাসে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে আয়নাল হকের এক বন্ধুর সঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর থেকে দুই সন্তানকে লালন-পালন করা নিয়ে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের চাপ ও প্রতিবেশি লোকজনের অনুরোধে আয়নাল হক বুধবার রাতে পাাশের খামারপাড়া গ্রামের আ. বারীর মেয়ে রুবিনা খাতুনকে (২০) দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে বাসরঘরের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই আয়নাল হক হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর নববধূকে বাড়ি নিয়ে এসে বাসর ঘরেই এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, তিনি একজন সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি সত্য। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি বা লিখিতভাবে কিছু জানাননি। যতটুকু তথ্য পাওয়া গেছে- প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবেই মারা গেছেন।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৮ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালপুরে বাসর ঘরে বরের মৃত্যু

প্রকাশ: ১২:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের রাতে বাসর ঘরে অসুস্থ হয়ে আয়নাল হক (৩৮) নামে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৮ অক্টোবর) দিবাগত রাতে গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বেলুয়া গ্রামে ওই হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া আয়নাল হক ওই গ্রামের মৃত দানেশ আলীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম। নববধূকে ঘরে তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আয়নাল হক জেলা শহরে ভাড়া বাসায় থেকে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালাতেন এবং পাশাপাশি ছোটখাটো ব্যবসাও করতেন। এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তার সংসার ছিল। তবে গত জুলাই মাসে তার প্রথম স্ত্রী দুই সন্তান রেখে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার নিয়ে আয়নাল হকের এক বন্ধুর সঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর থেকে দুই সন্তানকে লালন-পালন করা নিয়ে তীব্র হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের চাপ ও প্রতিবেশি লোকজনের অনুরোধে আয়নাল হক বুধবার রাতে পাাশের খামারপাড়া গ্রামের আ. বারীর মেয়ে রুবিনা খাতুনকে (২০) দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতে নতুন স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে ফেরেন তিনি। কিন্তু গভীর রাতে বাসরঘরের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই আয়নাল হক হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে তিনি মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

হেমনগর ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানান, বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর নববধূকে বাড়ি নিয়ে এসে বাসর ঘরেই এমন মর্মান্তিক মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনায় পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিন জানান, তিনি একজন সাংবাদিকের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। ঘটনাটি সত্য। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়ে আসেননি বা লিখিতভাবে কিছু জানাননি। যতটুকু তথ্য পাওয়া গেছে- প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তি স্বাভাবিকভাবেই মারা গেছেন।

 

 

এম.কন্ঠ/ ০৮ অক্টোবর ২০২৬/এম. টি