ঢাকা ০৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী ঘাটাইলে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান গোপালপুরে হলদে পাখি সম্প্রসারণে মতবিনিময় সভা সমাজ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মজলুমের কণ্ঠ ভূমিকা রাখবে-প্রতিমন্ত্রী টুকু টাঙ্গাইলে করোনেশন ড্রামাটিক ক্লাবে রবীন্দ্র-নজরুল স্বরণ সভা ভূঞাপুরে দৈনিক মজলুমের কণ্ঠের ৩২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন কালিহাতীতে বাল্যবিবাহ, মাদক ও জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন বিষয়ক মতবিনিময় নাগরপুরে দৈনিক মজলুমের কন্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কালিহাতীতে কেক কাটার মধ্য দিয়ে মজলুমের কণ্ঠের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে-সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৩:১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎসস্থলেই বর্জ্য পৃথকীকরণের অভ্যাস গড়ে তুলতে টাঙ্গাইলের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়েছে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ আগস্ট এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ সেপ্টেম্বর এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

দুই দিনে দুই প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী পরিবেশ সুরক্ষায় সম্মিলিতভাবে শপথ নেন।

প্লাস্টিক সার্কুলারিটি প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৬৫ জনের বেশি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩৫ জনের বেশি অংশ নেন।

প্রকল্পটি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্বে ইউএনডিপি বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছে। স্থানীয় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)।

ক্যাম্পাসে প্লাস্টিকসহ অপচনশীল বর্জ্য আলাদা রাখতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার চার সেট করে মোট আটটি রঙিন বিন দেওয়া হয়েছে। নীল বিনে প্লাস্টিকসহ অপচনশীল এবং সবুজ বিনে পচনশীল বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ক্যাম্পাসকে একজন স্থানীয় পুনর্ব্যবহারকারী বা রিসাইক্লারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যিনি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পৃথক করা প্লাস্টিক সংগ্রহ করবেন।

ক্যাম্পেইনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে উৎসস্থলে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের একটি পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খল হিসেবে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় ‘৪আর’—Reduce, Reuse, Recover ও Recycle—কাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ ও ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৃথক বিন রাখার, সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে প্লাস্টিক না মেশানোর এবং সপ্তাহে এক দিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাফাজ্জল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শ্রেণিকে যুক্ত করে প্রতি মাসে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহমুদা বিনতে লতিফ বলেন, বিনগুলো যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে এবং অন্যান্য বিভাগকেও এ উদ্যোগে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা হবে।

ক্যাম্পেইনটি ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে এবং ২৮ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার কমার্স কলেজে অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৪০টি বিন বিতরণ এবং প্রতিটি ক্যাম্পাসকে স্থানীয় রিসাইক্লিং অংশীদারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংগৃহীত প্লাস্টিকের পরিমাণও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে রেকর্ড করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ০২ সেপ্টেম্বর  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের জন্য প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথকীকরণ কর্মসূচী

প্রকাশ: ০৩:১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্লাস্টিক দূষণ কমাতে উৎসস্থলেই বর্জ্য পৃথকীকরণের অভ্যাস গড়ে তুলতে টাঙ্গাইলের দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়েছে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩১ আগস্ট এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ সেপ্টেম্বর এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

দুই দিনে দুই প্রতিষ্ঠানের ৩০০ জনের বেশি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী পরিবেশ সুরক্ষায় সম্মিলিতভাবে শপথ নেন।

প্লাস্টিক সার্কুলারিটি প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৬৫ জনের বেশি এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩৫ জনের বেশি অংশ নেন।

প্রকল্পটি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্বে ইউএনডিপি বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করছে। স্থানীয় উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে রয়েছে ইয়ং পাওয়ার ইন সোশ্যাল অ্যাকশন (ইপসা)।

ক্যাম্পাসে প্লাস্টিকসহ অপচনশীল বর্জ্য আলাদা রাখতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে ১২০ লিটার ধারণক্ষমতার চার সেট করে মোট আটটি রঙিন বিন দেওয়া হয়েছে। নীল বিনে প্লাস্টিকসহ অপচনশীল এবং সবুজ বিনে পচনশীল বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি ক্যাম্পাসকে একজন স্থানীয় পুনর্ব্যবহারকারী বা রিসাইক্লারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে, যিনি নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পৃথক করা প্লাস্টিক সংগ্রহ করবেন।

ক্যাম্পেইনে বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে উৎসস্থলে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণের একটি পূর্ণাঙ্গ শৃঙ্খল হিসেবে তুলে ধরা হয়। আলোচনায় ‘৪আর’—Reduce, Reuse, Recover ও Recycle—কাঠামোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিটি শ্রেণিকক্ষ ও ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৃথক বিন রাখার, সাধারণ বর্জ্যের সঙ্গে প্লাস্টিক না মেশানোর এবং সপ্তাহে এক দিন পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাফাজ্জল হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন শ্রেণিকে যুক্ত করে প্রতি মাসে এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাহমুদা বিনতে লতিফ বলেন, বিনগুলো যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা হবে এবং অন্যান্য বিভাগকেও এ উদ্যোগে যুক্ত হতে উৎসাহিত করা হবে।

ক্যাম্পেইনটি ৭ ও ৮ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামে এবং ২৮ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার কমার্স কলেজে অনুষ্ঠিত হবে। পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৪০টি বিন বিতরণ এবং প্রতিটি ক্যাম্পাসকে স্থানীয় রিসাইক্লিং অংশীদারের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংগৃহীত প্লাস্টিকের পরিমাণও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে নিয়মিতভাবে রেকর্ড করা হবে।

 

এম.কন্ঠ/ ০২ সেপ্টেম্বর  /এম. টি