ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
বাসাইলে ঠিকানা’র প্রধান নির্বাহী পরিচালকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প  জিরো টলারেন্স নীতিতে সক্রিয় কালিহাতী উপজেলা প্রশাসন টাঙ্গাইলে ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহারে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে রূপালী ব্যাংকের প্রচারণা পরিচ্ছন্ন ডিসি লেক গড়তে নিজ হাতে কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট শাসকরা নজরুলকে ভয় পেয়েছে-সাহিত্যিক ও কবি লতিফুল ইসলাম শিবলী কালিহাতীতে ১১ মামলার আসামি শান্ত গ্রেপ্তার টাঙ্গাইলে ফিডমিল নিবন্ধন বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল ফাইনালে সদরের প্রতিপক্ষ গোপালপুর বাসাইলে আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আনিছুর গ্রেফতার এলেঙ্গায় ফ্লাইওভারের পাইলিংয়ের সময় গ্যাসের পাইপলাইনে ফাটল

পরিচ্ছন্ন ডিসি লেক গড়তে নিজ হাতে কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০৩:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডিসি লেকের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যে কয়দিন লাগে, পর্যায়ক্রমে পুরো লেক পরিষ্কার করা হবে। ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। স¤প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আমি এখানে এসেছিলাম। তিনি চর এলাকার পাশাপাশি ডিসি লেক এলাকাও পরিদর্শন করেছেন। আমাদের পরিকল্পনা হলো ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে একটি বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।

শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ কাজে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লেকের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে লেকে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা জমতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।

উদ্বোধনের পর তিনি নিজেই লেকের কচুরিপানা অপসারণে অংশ নেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হন। এ সময় জেলা প্রশাসক শরিফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.কন্ঠ/ ৩১ জুলাই /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্ন ডিসি লেক গড়তে নিজ হাতে কচুরিপানা পরিষ্কার করলেন-প্রতিমন্ত্রী টুকু

প্রকাশ: ০৩:০০:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, একটি পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব শহর গড়ে তুলতে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। ডিসি লেক শুধু একটি বিনোদনকেন্দ্র নয়, এটি টাঙ্গাইল শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

শুক্রবার দুপুরে টাঙ্গাইল শহরের অন্যতম বিনোদনকেন্দ্র ও সৌন্দর্যের প্রতীক ডিসি লেকের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে কচুরিপানা ও ময়লা-আবর্জনা অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ সব কথা বলেন।

তিনি বলেন, যে কয়দিন লাগে, পর্যায়ক্রমে পুরো লেক পরিষ্কার করা হবে। ডিসি লেককে ঘিরে আমাদের সুস্পষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এটিকে কীভাবে একটি উন্নতমানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি। স¤প্রতি বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যানকে নিয়ে আমি এখানে এসেছিলাম। তিনি চর এলাকার পাশাপাশি ডিসি লেক এলাকাও পরিদর্শন করেছেন। আমাদের পরিকল্পনা হলো ডিসি লেককে একটি মিনি পর্যটনকেন্দ্র এবং চর এলাকাকে একটি বৃহৎ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “নির্বাচনের আগেই আমি টাঙ্গাইলে একটি আধুনিক পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেছিলাম। সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি। আল্লাহর রহমত ও সবার দোয়া থাকলে আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। লেকটিকে যদি সুন্দর ও ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে পারি, তাহলে টাঙ্গাইলবাসী একটি আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র পাবে। পাশাপাশি এখানে মাছ চাষ করা হবে এবং সেই মাছও এই শহরের মানুষই খাবে।

শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে চাই। এজন্য যার যার অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ কাজে আপনাদের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লেকের নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে লেকে ময়লা-আবর্জনা ও কচুরিপানা জমতে না পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।

উদ্বোধনের পর তিনি নিজেই লেকের কচুরিপানা অপসারণে অংশ নেন এবং উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে যুক্ত হন। এ সময় জেলা প্রশাসক শরিফা হক, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য আব্দুল্লাহিল কাফিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এম.কন্ঠ/ ৩১ জুলাই /এম. টি