ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
বাসাইলে রাতের আঁধারে ব্রীজে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই টাঙ্গাইলে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কালিহাতীতে বালুমহালে অভিযান, ৯ শ্রমিকের কারাদণ্ড চেয়ারম্যান ফারুক হত্যা মামলায় ছাত্রলীগের নেতাসহ ৩ জনের ফাঁসি টাঙ্গাইলে সর্বদা নির্ভীক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ভিক্ষুকদের পূর্নবাসন সার্ভে টাঙ্গাইলে বহুতল ভবণ থেকে পড়ে বৃদ্ধের মৃত্যু টাঙ্গাইলে সাবেক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধকে কুপিয়ে হত্যা বাসাইলের সুন্না স্কুলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান নব্য স্বৈরশাসন থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য রাস্তায় নেমেছি..ডা. শফিকুর রহমান

টাঙ্গাইলে অসময়ে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:৩০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

oppo_2

টাঙ্গাইলে অসময়ে মুষলধারে বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছে। এতে শীতকালীন সবজিসহ ধানের ক্ষতির শঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়াও ঠান্ডা, জ্বরসহ বিভিন্ন রোগবালাই বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও বৃষ্টিতে শহরের থানা, আদালত পাড়া, সাবালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, তিন ঘন্টায় জেলায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সবজির ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি দিন মজুর থেকে শুরু করে রিকশা চালকরা কাজে বের হতে পারেনি। এদিকে বাজারেও লোকজনের উপস্থিতি কম দেখা গেছে।

কাগমারা এলাকার সবজি চাষী মাসুদ মিয়া বলেন, পালন শাক, পেঁয়াজ, আলুসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছিলাম। অসময়ের বৃষ্টিতে সব ক্ষতি হতে পারে।

এনায়েতপুর এলাকার চাষী আনোয়ার হোসেন বলেন, ফুলকপি, বাঁধাকপির চারাসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছিলাম। দুই এক দিনের মধ্যে পানি না শুকালে সবই লোকসান হবে।

টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, সকাল থেকে মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারনে বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতি কম।

অপর ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, স্বাভাবিক সময়ে অতিরিক্ত রিকশার কারনে শহরে যানজট লেগেই থাকে। আজকে একটি রিকশার জন্য প্রায় দেড় ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সাবালিয়া এলাকার গৃহবধূ বলেন, আমাদের এলাকায় অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খাল গুলো দখল হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেই। যে কারণে আমাদের ভোগান্তিও কমে না।

থানা পাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। পাকা সড়কেই প্রায় হাটু পানি। মোটরসাইকেলও বাসা থেকে বের করতে পারিনি।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, শনিবার সকাল ৬ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা তিন ঘন্টায় জেলায় সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও সকাল ৬ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা আর কয়েক দিন থাকতে পারে।

এম.কন্ঠ/ ০১ নভেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে অসময়ে রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি

প্রকাশ: ০১:৩০:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে অসময়ে মুষলধারে বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছে। এতে শীতকালীন সবজিসহ ধানের ক্ষতির শঙ্কা করছেন কৃষকরা। এছাড়াও ঠান্ডা, জ্বরসহ বিভিন্ন রোগবালাই বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। এছাড়াও বৃষ্টিতে শহরের থানা, আদালত পাড়া, সাবালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস বলছে, তিন ঘন্টায় জেলায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার সকাল থেকে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে সবজির ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি দিন মজুর থেকে শুরু করে রিকশা চালকরা কাজে বের হতে পারেনি। এদিকে বাজারেও লোকজনের উপস্থিতি কম দেখা গেছে।

কাগমারা এলাকার সবজি চাষী মাসুদ মিয়া বলেন, পালন শাক, পেঁয়াজ, আলুসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছিলাম। অসময়ের বৃষ্টিতে সব ক্ষতি হতে পারে।

এনায়েতপুর এলাকার চাষী আনোয়ার হোসেন বলেন, ফুলকপি, বাঁধাকপির চারাসহ বিভিন্ন সবজির চাষ করেছিলাম। দুই এক দিনের মধ্যে পানি না শুকালে সবই লোকসান হবে।

টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজারের ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন বলেন, সকাল থেকে মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারনে বাজারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ ক্রেতাদের উপস্থিতি কম।

অপর ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, স্বাভাবিক সময়ে অতিরিক্ত রিকশার কারনে শহরে যানজট লেগেই থাকে। আজকে একটি রিকশার জন্য প্রায় দেড় ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সাবালিয়া এলাকার গৃহবধূ বলেন, আমাদের এলাকায় অল্প বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। খাল গুলো দখল হওয়ায় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না নেই। যে কারণে আমাদের ভোগান্তিও কমে না।

থানা পাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। পাকা সড়কেই প্রায় হাটু পানি। মোটরসাইকেলও বাসা থেকে বের করতে পারিনি।

জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামাল উদ্দিন জানান, শনিবার সকাল ৬ টা থেকে ৯ টা পর্যন্ত ৮৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। যা তিন ঘন্টায় জেলায় সর্বোচ্চ রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। এছাড়াও সকাল ৬ টা হতে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থা আর কয়েক দিন থাকতে পারে।

এম.কন্ঠ/ ০১ নভেম্বর /এম. টি