ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
নদীভাঙ্গন এলাকায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে কালিহাতী নাগরিক অধিকার সুরক্ষা গোপালপুরে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী কালিহাতীতে পিআইও ও ঠিকাদার দ্বন্দ্বে সেতু নির্মাণ কাজ বন্ধ, দুর্ভোগে এলাকাবাসী টাঙ্গাইলে ৬ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় কেউ পাশ করেনি টাঙ্গাইলে নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অধিকার নিয়ে মতবিনিময় শহীদ মিজানুর ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত সরকার প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে গুরুত্ব দিয়েছেন-ডা. উসমান গনি টাঙ্গাইল জেলায় প্রথম পুলিশ লাইনস্ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় টাঙ্গাইল রেলস্টেশনে বুকিং সহকারীদের মানববন্ধন

গোপালপুরে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

গোপালপুর প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০৩:২৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে।

এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২১ শতাংশের নিচে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ২০ শতাংশেরও কম পরীক্ষার্থী পাস করেছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাকুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র চারজন। পাসের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ডা. মহিউদ্দিন মেমোরিয়াল দাখিল মাদ্রাসায় ২৫ জনের মধ্যে চারজন পাস করেছে। পাসের হার ১৬ শতাংশ।

সুতি দাখিল মাদ্রাসায় ২৩ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২১ জনের মধ্যে চারজন পাস করেছে। পাসের হার ১৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমীতে ২৪ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আজগরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

অন্যদিকে নারুচি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে আটজন। এ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা জানান, একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান শুধু একটি বছরের ফলাফল দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়।

তবে ধারাবাহিকভাবে ফলাফল খারাপ হলে এর কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। শিক্ষক উপস্থিতি, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তারা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এবার পরীক্ষার্থীদের সিসি ক্যামেরার সামনে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। স্বল্প সময়ে প্রস্তুতির কারণেও কিছু প্রতিষ্ঠান খারাপ ফল করেছে। বিষয়টি নিয়ে মিটিং চলছে। ফলাফল খারাপ হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

 

এম.কন্ঠ/ ১১ অগাস্ট /এম. টি

ট্যাগ :

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালপুরে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে

প্রকাশ: ০৩:২৮:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সাতটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাসের হার ৩০ শতাংশের নিচে।

এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ২১ শতাংশের নিচে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে ২০ শতাংশেরও কম পরীক্ষার্থী পাস করেছে। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের ফলাফল ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাকুল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে মাত্র চারজন। পাসের হার ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। ডা. মহিউদ্দিন মেমোরিয়াল দাখিল মাদ্রাসায় ২৫ জনের মধ্যে চারজন পাস করেছে। পাসের হার ১৬ শতাংশ।

সুতি দাখিল মাদ্রাসায় ২৩ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ২১ দশমিক ৭৪ শতাংশ। বেলুয়া দাখিল মাদ্রাসায় ২১ জনের মধ্যে চারজন পাস করেছে। পাসের হার ১৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

খন্দকার আসাদুজ্জামান একাডেমীতে ২৪ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ২০ দশমিক ৮৩ শতাংশ। আজগরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৬ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ।

অন্যদিকে নারুচি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৪৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে আটজন। এ প্রতিষ্ঠানের পাসের হার ১৮ দশমিক ৬০ শতাংশ।

অভিভাবক ও স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিরা জানান, একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান শুধু একটি বছরের ফলাফল দিয়ে বিচার করা ঠিক নয়।

তবে ধারাবাহিকভাবে ফলাফল খারাপ হলে এর কারণ চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। শিক্ষক উপস্থিতি, নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি, অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন ও পরীক্ষার প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তারা।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এবার পরীক্ষার্থীদের সিসি ক্যামেরার সামনে পরীক্ষা দিতে হয়েছে। স্বল্প সময়ে প্রস্তুতির কারণেও কিছু প্রতিষ্ঠান খারাপ ফল করেছে। বিষয়টি নিয়ে মিটিং চলছে। ফলাফল খারাপ হওয়ার বিষয়টি পর্যালোচনা করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কম পাসের হার পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক শিক্ষাব্যবস্থা পর্যালোচনা করে ফলাফল বিপর্যয়ের কারণ চিহ্নিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

 

এম.কন্ঠ/ ১১ অগাস্ট /এম. টি