ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদন্ড

জিনিয়া বখ্শ :
প্রকাশ: ০১:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন আদালত।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম ওয়াহেদ আলী ওরফে ওয়াহেদুজ্জামান। তিনি সখীপুর উপজেলার দাড়িপাকা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। রায় ঘোষনার পর তাঁকে করাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম (রিপন) জানান, দন্ডিত ওয়াহেদ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নেশার টাকার জন্য দুপুরে তাঁর মাকে মারপিট করেন। পরে তাঁর মাকে তার বাবা এক আত্মীয় বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। রাতে বাবা আব্দুস সামাদকে (৬৫) বাড়িতে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

পরদিন নিহত আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুস রশীদ মিয়া বাদী হয়ে ওয়াহেদকে আসামী করে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পুলিশ ওয়াহেদকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত শেষে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত রায় ২০২৪ সালের ৩০ মে আদালতে অদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ১ জানুয়ারি আদালত ওয়াহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি মো. শফিকুল ইসলাম। বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রাসেল রানা। আসামী ওয়াহেদের পক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন গোলাম মোস্তফা মিঞা।

 

এম.কন্ঠ/ ৩০ নভেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদন্ড

প্রকাশ: ০১:০০:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলের মৃত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার দুপুরে টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন। তাঁকে ২০ হাজার টাকা জরিমানাও করেছেন আদালত।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম ওয়াহেদ আলী ওরফে ওয়াহেদুজ্জামান। তিনি সখীপুর উপজেলার দাড়িপাকা পশ্চিম পাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। রায় ঘোষনার পর তাঁকে করাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম (রিপন) জানান, দন্ডিত ওয়াহেদ ২০২৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি নেশার টাকার জন্য দুপুরে তাঁর মাকে মারপিট করেন। পরে তাঁর মাকে তার বাবা এক আত্মীয় বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। রাতে বাবা আব্দুস সামাদকে (৬৫) বাড়িতে একা পেয়ে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন।

পরদিন নিহত আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুস রশীদ মিয়া বাদী হয়ে ওয়াহেদকে আসামী করে সখীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর পুলিশ ওয়াহেদকে গ্রেপ্তার করে।

তদন্ত শেষে সখীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুকান্ত রায় ২০২৪ সালের ৩০ মে আদালতে অদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ১ জানুয়ারি আদালত ওয়াহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় ১২ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি মো. শফিকুল ইসলাম। বাদী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রাসেল রানা। আসামী ওয়াহেদের পক্ষে রাষ্ট্র কর্তৃক নিয়োজিত আইনজীবী ছিলেন গোলাম মোস্তফা মিঞা।

 

এম.কন্ঠ/ ৩০ নভেম্বর /এম. টি