ঢাকা ০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইল-৪ মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-মহাসড়কে মশাল মিছিল টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে হানাহানি বন্ধসহ মানবাধিকার লঙ্ঘন সহ্য করা হবেনা-টুকু ঘাটাইলে নানা আয়োজনে হানাদারমুক্ত দিবস পালিত টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত টাঙ্গাইলে রোকেয়া দিবসে ৮ নারীকে সংবর্ধনা ঘাটাইলে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত বাসাইলে দেড়শ’ মসজিদ ও মন্দিরে আলমগীরের আর্থিক সহায়তা প্রদান টাঙ্গাইলে ৩৮ লাখ টাকার গাজাসহ গ্রেপ্তার ১ টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে চিকিৎসক অনুপস্থিত চার ঘণ্টা

কালিহাতী প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০১:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

???????

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকায় চার ঘণ্টাব্যাপী চিকিৎসা সেবা কার্যত বন্ধ ছিল। এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা অসংখ্য রোগীকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

জরুরী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন্নাহারের ডিউটি নির্ধারিত থাকলেও তিনি দায়িত্বে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি বিকেল পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ মেলেনি। এ সময় জরুরী বিভাগের ডাক্তার কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়।

এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা কটু মিয়া নামের একজন রোগী ৮ নভেম্বর দুপুর ৩ টার দিকে মৃত্যুবরণ করলে ডাঃ কামরুন্নাহার অনুপস্থিত থাকায় তাকে দেখার জন্যও কেউ ছিলেন না।

এ বিষয়ে ডা. কামরুন্নাহারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জিনাত আলম বলেন, “ডা. কামরুন্নাহার আমার ফোনও রিসিভ করছেন না। কেন তিনি দায়িত্বে ছিলেন না- সে বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।”

তিনি আরও জানান, “জরুরী বিভাগে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কেউ না থাকলে নিয়মানুযায়ী আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারুক হাসান শাফিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।” তবে তার সঙ্গেও যোগাযোগ করে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, “কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার চেয়ে অবহেলাই বেশি দেখা যায়। ডাক্তার পাওয়া যায় না, জরুরী সময়ে কেউ দায়িত্বে থাকেন না।”

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, “একটি উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিকিৎসক না থাকা চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা হুমকির মুখে পড়ছে।”

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ নভেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে চিকিৎসক অনুপস্থিত চার ঘণ্টা

প্রকাশ: ০১:৫২:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকায় চার ঘণ্টাব্যাপী চিকিৎসা সেবা কার্যত বন্ধ ছিল। এতে জরুরি চিকিৎসা নিতে আসা অসংখ্য রোগীকে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।

জরুরী বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেডিকেল অফিসার ডা. কামরুন্নাহারের ডিউটি নির্ধারিত থাকলেও তিনি দায়িত্বে উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি বিকেল পর্যন্ত তার কোনো খোঁজ মেলেনি। এ সময় জরুরী বিভাগের ডাক্তার কক্ষে তালা ঝুলতে দেখা যায়।

এছাড়াও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা কটু মিয়া নামের একজন রোগী ৮ নভেম্বর দুপুর ৩ টার দিকে মৃত্যুবরণ করলে ডাঃ কামরুন্নাহার অনুপস্থিত থাকায় তাকে দেখার জন্যও কেউ ছিলেন না।

এ বিষয়ে ডা. কামরুন্নাহারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. জিনাত আলম বলেন, “ডা. কামরুন্নাহার আমার ফোনও রিসিভ করছেন না। কেন তিনি দায়িত্বে ছিলেন না- সে বিষয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে এবং বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকেও জানানো হবে।”

তিনি আরও জানান, “জরুরী বিভাগে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে কেউ না থাকলে নিয়মানুযায়ী আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. ফারুক হাসান শাফিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।” তবে তার সঙ্গেও যোগাযোগ করে ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।

এদিকে জরুরী বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ, “কালিহাতী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবার চেয়ে অবহেলাই বেশি দেখা যায়। ডাক্তার পাওয়া যায় না, জরুরী সময়ে কেউ দায়িত্বে থাকেন না।”

স্থানীয় সচেতন মহল বলেন, “একটি উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিকিৎসক না থাকা চরম প্রশাসনিক ব্যর্থতা। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা হুমকির মুখে পড়ছে।”

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ নভেম্বর /এম. টি