১৭ বছর ফ্যাসিস্টদের কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে এদেশের মানুষ তাদের বিমুখ ছিলো…টুকু
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের নেতাকর্মীরা অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকতো। প্রত্যেকে সামাজিকভাবে অপরাধী ছিলো। সমাজে লুটপাট করার কারনে তাদের ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের প্রতি বিগত ১৭ বছর মানুষের অনিহা ছিলো। ১৭ বছরের আন্দোলন এক পর্যায়ে গিয়ে বিষ্ফোরণে রূপ নিয়েছে। এখানে ছাত্র জনতা সর্বোচ্চ ভূমিকা ছিলো। ১৭ বছর ফ্যাসিস্টদের কর্মকান্ডে অতিষ্ট হয়ে এদেশের মানুষ তাদের বিমুখ ছিলো। তারা মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা নষ্ট করেছে।
শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার হাউজিং মাঠে হাউজিং প্রভাতী গ্রুপের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিদেশে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, যুদ্ধ হয়েছে। এক দেশের সাথে আরেক দেশের যুদ্ধ হয়েছে। কিন্ত বিদেশের পুলিশ প্রশাসন একদম পালিয়ে গেছে এরকম নজির কিন্তু কোথাও হয়নি। বাংলাদেশ এই বার একমাত্র প্রত্যেকটি থানায় পুলিশ ছিলো না। বাংলাদেশে ৪ দিন কোথাও পুলিশ ছিলো না। তারা দলের হয়ে কাজ করেছে। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মীদের গুম হত্যা ও নির্যাতন করেছে।
তিনি আরো বলেন, এ কারণে নিজের অপরাধবোধ থেকে এক দিনেই সব পালিয়ে গেছে। এরশাদও কিন্তু স্বৈরাচার ছিলো, তারও কিন্ত পতন হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশ থেকে একবারে এরশাদের লোকজন উধাও হয়ে যায়নি। এই একমাত্র ফ্যাসিস্ট হাসিনার একদিনেই বাংলাদেশে কোথাও ফ্যাসিবাদের (আওয়ামী লীগ) লোক নাই।
টুকু বলেন, তারেক রহমান লন্ডনের মতো বাংলাদেশ দেখতে চায়। তারেক রহমানের কথা বার্তায় মানুষ আশস্ত হচ্ছেন। তারা বলছেন উনার মতো প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রয়োজন। আল্লাহর রহমতে উনিই বাংলাদেশে আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী হবেন। তারেক রহমান বাংলাদেশকে অনেক উঁচুতে নিয়ে যাবে।
এসময় হাউজিং প্রভাতী গ্রুপের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, হাউজিং এস্টেটের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হালিম, বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট শাহজাহান কবির, সদর উপজেলা দলিল লেখক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. জাহিদ হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। শুরুতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান নেতৃবৃন্দ।
এম.কন্ঠ/ ১১ অক্টোবর /এম. টি






















