ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩০ ঘন্টা পর ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের দাবিতে অনশন তুলে নিলো শিক্ষার্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০১:০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের মা মারা যাওয়ার কারনে ৩০ ঘন্টা পর অনশন তুলো নিলো শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু।

মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় অনশন তুলে নেন তিনি। এর আগে সোমবার সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রশাসনিক ভবণের সামনে আমরণ অনশনে বসেন তিনি। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও সংহতি জানিয়ে প্রতীকি অনশন শুরু করেন। রাতে সাজু অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে স্যালাইন পুশসহ বিভিন্ন চিকিৎসা দেয়া হয়।

এ দিকে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ অনশনরত শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।

অনশনরত শিক্ষার্থী সাজু জানিয়েছেন, ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের মা মারা যাওয়ার কারনে অনশন স্থগিত করা হয়েছে। তবে অবস্থান কর্মসূচি চলবে। এছাড়াও দাবি মানা না হলে আগামী শনিবার থেকে অনশনে বসবেন তিনি।

‎শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৯ দফা দাবির অন্যতম হলো দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্যেই তারা ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবিপত্র দেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রিজেন্ট বোর্ড থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। ‎‎পরবর্তীতে ২ আগস্ট পুনরায় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ১০ আগস্টের মধ্যে রিজেন্ট বোর্ডে প্রস্তাবটি পাশ করানোর আহ্বান জানানো হয়। তবে সেই সময়ও পেরিয়ে গেছে, দাবিটি বাস্তবায়িত হয়নি।

অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, ‎ভাত নয়, আইন খাবো, ‎তালা ভাঙ্গছি, মাকসু আনবো, ইনকিলাব জিন্দাবাদ ইত্যাদি স্লোগানে ‎প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে উঠেছে।

অনশনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়েছি। শিক্ষার্থীদের একটি আবেদনের বিষয়ে প্রশাসন আলোচনা করেছে এবং আবেদনটি আমলে নিয়ে একটা মিটিংও করেছে। শিক্ষার্থীদের আবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন (এক্ট) মাফিক কি করা যেতে পারে বা না পারে সেটার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণের বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে আমি শুনেছি। এবং নিরাপত্তার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।

এম.কন্ঠ/  ১২  অগাস্ট  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

৩০ ঘন্টা পর ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের দাবিতে অনশন তুলে নিলো শিক্ষার্থী

প্রকাশ: ০১:০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

টাঙ্গাইলে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের মা মারা যাওয়ার কারনে ৩০ ঘন্টা পর অনশন তুলো নিলো শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু।

মঙ্গলবার বিকেল ৫ টায় অনশন তুলে নেন তিনি। এর আগে সোমবার সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (মাকসু) প্রতিষ্ঠার দাবিতে প্রশাসনিক ভবণের সামনে আমরণ অনশনে বসেন তিনি। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীরাও সংহতি জানিয়ে প্রতীকি অনশন শুরু করেন। রাতে সাজু অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে স্যালাইন পুশসহ বিভিন্ন চিকিৎসা দেয়া হয়।

এ দিকে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল আজীম আখন্দ অনশনরত শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং অনশন ভাঙানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।

অনশনরত শিক্ষার্থী সাজু জানিয়েছেন, ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের মা মারা যাওয়ার কারনে অনশন স্থগিত করা হয়েছে। তবে অবস্থান কর্মসূচি চলবে। এছাড়াও দাবি মানা না হলে আগামী শনিবার থেকে অনশনে বসবেন তিনি।

‎শিক্ষার্থী আক্তারুজ্জামান সাজু জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৯ দফা দাবির অন্যতম হলো দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ছাত্র সংসদ প্রতিষ্ঠা। সেই লক্ষ্যেই তারা ২১ জুলাই ২০২৫ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবিপত্র দেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও রিজেন্ট বোর্ড থেকে কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। ‎‎পরবর্তীতে ২ আগস্ট পুনরায় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে ১০ আগস্টের মধ্যে রিজেন্ট বোর্ডে প্রস্তাবটি পাশ করানোর আহ্বান জানানো হয়। তবে সেই সময়ও পেরিয়ে গেছে, দাবিটি বাস্তবায়িত হয়নি।

অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, ‎ভাত নয়, আইন খাবো, ‎তালা ভাঙ্গছি, মাকসু আনবো, ইনকিলাব জিন্দাবাদ ইত্যাদি স্লোগানে ‎প্রশাসনিক ভবন প্রাঙ্গণ মুখর হয়ে উঠেছে।

অনশনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. ইমাম হোসেন বলেন, বিষয়টি আমি অবহিত হয়েছি। শিক্ষার্থীদের একটি আবেদনের বিষয়ে প্রশাসন আলোচনা করেছে এবং আবেদনটি আমলে নিয়ে একটা মিটিংও করেছে। শিক্ষার্থীদের আবেদনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন (এক্ট) মাফিক কি করা যেতে পারে বা না পারে সেটার বিষয়ে করণীয় নির্ধারণের বিষয়টি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে আমি শুনেছি। এবং নিরাপত্তার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি।

এম.কন্ঠ/  ১২  অগাস্ট  /এম. টি