টাঙ্গাইলে শিশু অপহরন ও হত্যার দায়ে ১ জনের মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইলে নয় বছরের শিশুকে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি এবং হত্যার দায়ে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড এবং যাবজ্জীবন ও ২০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ.ন.ম. ইলিয়াস বুধবার দুপুরে এই রায় দেন।
দণ্ডিত ব্যক্তির নাম মো. সাব্বির মিয়া (২৫)। তিনি সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ওমরাও খান দীপু জানান, দণ্ডিত সাব্বির মিয়াকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা, অপহরণের দায়ে ১৫ বছর কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, মুক্তিপণ দাবির দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের দায়ে ৫ বছর কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত।
পিপি জানান, উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তর পাড়া গ্রামের রঞ্জু মিয়ার নয় বছরের শিশু কন্যা সামিয়া আক্তার। সে দাড়িয়াপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেনীতে পড়তো। ২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সকালে সামিয়া তাদের গ্রামে এক শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায।সেখান থেকে ফেরার পথে নিঁখোজ হয়। পরে তার বাবার ফোনে ইমু নাম্বারে ভয়েজ ম্যাসেজ পাঠিয়ে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবি করে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি। সামিয়ার বাবা বাদি হয়ে এ ব্যপারে সখীপুর থানায় পরদিন ৭ সেপ্টেম্বর মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে আপহরণকারী সাব্বির মিয়াকে সনাক্ত করে গ্রেপ্তার করে। জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির শিশু সামিয়াকে অপহরণ করে হত্যার কথা স্বীকার করেন। সামিয়াকে হত্যার পর মরদেহ লুকিয়ে রাখার স্থান পুলিশকে দেখিয়ে দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। সাব্বির সামিয়াকে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, হত্যা ও লাশ গুম করার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।
তদন্ত শেষে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদ মিয়া আসামি সাব্বিরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলায় আদালত ১৭ জনের স্বাক্ষ্য,গ্রহন করে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর সাব্বির মিয়াকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এম.কন্ঠ/ ১৫ জুলাই /এম. টি






















