ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
টাঙ্গাইল-৪ মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-মহাসড়কে মশাল মিছিল টাঙ্গাইলে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভা বিএনপি ক্ষমতায় গেলে বাংলাদেশে হানাহানি বন্ধসহ মানবাধিকার লঙ্ঘন সহ্য করা হবেনা-টুকু ঘাটাইলে নানা আয়োজনে হানাদারমুক্ত দিবস পালিত টাঙ্গাইলে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত টাঙ্গাইলে রোকেয়া দিবসে ৮ নারীকে সংবর্ধনা ঘাটাইলে বেগম রোকেয়া দিবস পালিত বাসাইলে দেড়শ’ মসজিদ ও মন্দিরে আলমগীরের আর্থিক সহায়তা প্রদান টাঙ্গাইলে ৩৮ লাখ টাকার গাজাসহ গ্রেপ্তার ১ টাঙ্গাইলে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবসে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি

নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ: ০২:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে ৩ দফা দাবি আদায় এবং শাহবাগে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে। রোববার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষকরা এ কর্মবিরতি পালন করছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসলেও পাঠদান হচ্ছে না।

সরেজমিন শহরের টাউন প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে কোন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়। তবে শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ক্লাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা চলে গেছে। অপর দিকে মডেল প্রাইমারীসহ বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থী থাকলেও কোন ক্লাশ হয়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি শামসুদ্দিন মাসুদ এ ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর, দেলদুয়ার, গোপালপুর, কালিহাতীসহ প্রতিটি উপজেলার বেশির ভাগ বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী হাসনা আক্তার বলেন, আমাদের শিক্ষকরা তাদের দাবি পূরণের লক্ষ্যে আন্দোলন করছেন। যে কারনে আমরা স্কুলে আসলেও কোন ক্লাশ হচ্ছে না। তাই আমরা বিভিন্ন খেলাধূলা করছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন শিক্ষক বলেন, শনিবার আমাদের সাপ্তাহিক ছুটি ছিলো। ছুটির দিকে যৌক্তিক দাবিতে আমরা ঢাকায় আন্দোলন করতে ছিলাম। সেখানে পুলিশ শিক্ষকদের ওপর রাবার বুলেট ছুড়েছে। তাদের অনেক শিক্ষক গুলিবিদ্ধ। সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেলের আঘাতে শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জাকারিয়া হায়দার বলেন, শিক্ষকরা বেতন বৃদ্ধি, মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য দাবি করতে পারেন। এখন নভেম্বর মাস চলছে, সামনে বার্ষিক পরীক্ষা। এ সময়ে তারা আন্দোলন না করলেও পারতো। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় আন্দোলন না করে নির্বাচিত সরকারের সময় তারা আন্দোলন করতে পারতেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুলে যে পাঠদান চলছে না বিষয়টি আমরা জানি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ নভেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক শিক্ষকদের অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি

প্রকাশ: ০২:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলে ৩ দফা দাবি আদায় এবং শাহবাগে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছে। রোববার সকাল থেকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষকরা এ কর্মবিরতি পালন করছেন। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসলেও পাঠদান হচ্ছে না।

সরেজমিন শহরের টাউন প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে কোন শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়। তবে শিক্ষকরা জানিয়েছেন, ক্লাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা চলে গেছে। অপর দিকে মডেল প্রাইমারীসহ বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থী থাকলেও কোন ক্লাশ হয়নি।

আন্দোলনরত শিক্ষকরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক ও প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি শামসুদ্দিন মাসুদ এ ঘোষণা দেন। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইল সদর, নাগরপুর, দেলদুয়ার, গোপালপুর, কালিহাতীসহ প্রতিটি উপজেলার বেশির ভাগ বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি পালন করা হচ্ছে।

চতুর্থ শ্রেণীর শিক্ষার্থী হাসনা আক্তার বলেন, আমাদের শিক্ষকরা তাদের দাবি পূরণের লক্ষ্যে আন্দোলন করছেন। যে কারনে আমরা স্কুলে আসলেও কোন ক্লাশ হচ্ছে না। তাই আমরা বিভিন্ন খেলাধূলা করছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন শিক্ষক বলেন, শনিবার আমাদের সাপ্তাহিক ছুটি ছিলো। ছুটির দিকে যৌক্তিক দাবিতে আমরা ঢাকায় আন্দোলন করতে ছিলাম। সেখানে পুলিশ শিক্ষকদের ওপর রাবার বুলেট ছুড়েছে। তাদের অনেক শিক্ষক গুলিবিদ্ধ। সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেলের আঘাতে শতাধিক শিক্ষক আহত হয়েছেন। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।

সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম জাকারিয়া হায়দার বলেন, শিক্ষকরা বেতন বৃদ্ধি, মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য দাবি করতে পারেন। এখন নভেম্বর মাস চলছে, সামনে বার্ষিক পরীক্ষা। এ সময়ে তারা আন্দোলন না করলেও পারতো। অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় আন্দোলন না করে নির্বাচিত সরকারের সময় তারা আন্দোলন করতে পারতেন। সকাল থেকেই বিভিন্ন স্কুলে যে পাঠদান চলছে না বিষয়টি আমরা জানি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহাব উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

এম.কন্ঠ/ ০৯ নভেম্বর /এম. টি