ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনে কার হাতে উঠবে ধানের শীষ তৎপর জামায়াত

রেজাউল করিম খান :
প্রকাশ: ০৪:০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাকের পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণসংহতি আন্দোলন, এনসিপি ও কৃষক শ্রমিক জনতালীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ১৪ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভায় নিয়ে সংসদীয় আসন গঠিত।

এখানে বিএনপি’র ৫ জন, জামায়াতে একক ও অন্যান্য দলে ৬ জন প্রার্থী আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করবে বলে দল গুলোর প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়। এখানে প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে উঠান বৈঠক, সভা সমাবেশ লিফলেট বিতরণ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অনুদান প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

এ আসনটি বিএনপি’র দূর্গ হিসেবে পরিচিতঃ
এ আসনটিতে এবারের নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি। তবে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেই বিজয় অর্জিত হবে এমনটা মনে করছেন দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা। এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দলের চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান (আজাদ)। বিগত ৩৭ বছরের ইতিহাসে লুৎফর রহমান খান আজাদ ছাড়া কাউকে এ আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হতে দেখা যায়নি।

এ আসনে ১৯৯১ সালে পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে ১২ ফেব্রুয়ারী ৬ষ্ঠ, ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম ও ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দলের চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান (আজাদ)। এমপি হয়ে তিন দফা বিএনপি’র মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন তিনি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একতরফা নির্বাচন হওয়ায় ভোট বর্জন করেন। জয়-পরাজয় যাই হোক, অতীতে কখনোই এ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে তাকে বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু এবার তিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।

বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির এসে তাকে রীতিমতো বেকায়দায় ফেলে দিয়েছেন।

দলের দুঃসময়ে তিনি ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি’র হাল ধরেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভারসহ বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠন করেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে বেড়ে ওঠা এই নেতা দল গোছাতে এসে এখন তিনি ঘাটাইল থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। তিনিও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন ঃ

এক অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদ এবং অপর অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির। দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র ঘোষিত যে কোনো দলীয় কর্মসূচি আলাদা আলাদা ভাবে পালন করে আসছেন তারা।

তবে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেই বিজয় অর্জিত হবে এমনটা মনে করছেন দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা।

অন্যদিকে পূর্ব ঘাটাইলের পাহাড়ি লাল মাটির কৃতি সন্তান বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন পেতে কাজ করে যাচ্ছেন। সম্পূর্ণ ক্লিন ইমেজের এই নেতার পাহাড়ি অঞ্চলে রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। দলের দুর্দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন। গ্রাম গঞ্জের তৃনমূলের ভোটার জানান, দলের মধ্যে গ্রুপিং এর কারনে তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন।

এদিকে জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত একক প্রার্থী হচ্ছেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়েত ইসলামীর সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হোসনী মোবারক বাবুল।

তিনি জানান, যদি জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ যদি জনগন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নেয় পাহাড়ী এলাকার অবহেলিত মানুষ কে সহায়তা করবো, বেকার সমস্যা সমাধান, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি করবো এবং চাঁদাবাজি নির্মুল করবো। ঘাটাইল কে আধুনিক ঘাটাইলে রুপান্তরীত করবে।

টাঙ্গাইল জেলা (পূর্ব) জাকের পার্টির সভাপতি ও একক মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. আব্দুল আজিজ খান অটল।

তিনি জানান, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী সারা দেশে চ’ড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করবেন। অবাদ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ, কালো টাকা ও পেশিশক্তি মুক্ত যদি ভোট হয় তাহলে জাকের পার্টি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে। জনগন এবার জাকের পার্টি কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ১৪ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভায় সর্ব মোট ১২২ টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৩,৭২,৯৩২ (তিন লাখ বাহাত্তুর হাজার নয় শত বত্রিশ) জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১,৮৮,৪৫৮ (এক লাখ আটাশি হাজার চারশত আটান্ন) জন ও মহিলা ভোটার ১,৮৪, ৪৭১ (এক লাখ চুরাশি হাজার চার শত একাত্তুর) জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ৩ (দুই)জন।

 

এম.কন্ঠ/ ২৫ অক্টোবর  /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

টাঙ্গাইল-৩ ঘাটাইল আসনে কার হাতে উঠবে ধানের শীষ তৎপর জামায়াত

প্রকাশ: ০৪:০৮:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাকের পার্টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণসংহতি আন্দোলন, এনসিপি ও কৃষক শ্রমিক জনতালীগ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় নেমে পড়েছেন।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ১৪ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভায় নিয়ে সংসদীয় আসন গঠিত।

এখানে বিএনপি’র ৫ জন, জামায়াতে একক ও অন্যান্য দলে ৬ জন প্রার্থী আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতা করবে বলে দল গুলোর প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়। এখানে প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে উঠান বৈঠক, সভা সমাবেশ লিফলেট বিতরণ, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অনুদান প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন নিয়মিত।

এ আসনটি বিএনপি’র দূর্গ হিসেবে পরিচিতঃ
এ আসনটিতে এবারের নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপি। তবে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেই বিজয় অর্জিত হবে এমনটা মনে করছেন দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা। এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দলের চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান (আজাদ)। বিগত ৩৭ বছরের ইতিহাসে লুৎফর রহমান খান আজাদ ছাড়া কাউকে এ আসন থেকে বিএনপি’র প্রার্থী হতে দেখা যায়নি।

এ আসনে ১৯৯১ সালে পঞ্চম, ১৯৯৬ সালে ১২ ফেব্রুয়ারী ৬ষ্ঠ, ১৯৯৬ সালে ১২ জুন সপ্তম ও ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়ে টানা চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন দলের চেয়ারপার্সনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান (আজাদ)। এমপি হয়ে তিন দফা বিএনপি’র মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছিলেন তিনি। তবে ২০১৮ সালের নির্বাচনে তিনি বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও একতরফা নির্বাচন হওয়ায় ভোট বর্জন করেন। জয়-পরাজয় যাই হোক, অতীতে কখনোই এ আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে তাকে বেগ পেতে হয়নি। কিন্তু এবার তিনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন।

বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির এসে তাকে রীতিমতো বেকায়দায় ফেলে দিয়েছেন।

দলের দুঃসময়ে তিনি ঘাটাইল উপজেলা বিএনপি’র হাল ধরেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভারসহ বিভিন্ন ইউনিটের কমিটি গঠন করেন। ছাত্র রাজনীতি থেকে বেড়ে ওঠা এই নেতা দল গোছাতে এসে এখন তিনি ঘাটাইল থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশি। তিনিও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন ঃ

এক অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফর রহমান খান আজাদ এবং অপর অংশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য এডভোকেট ওবায়দুল হক নাসির। দীর্ঘদিন ধরেই কেন্দ্র ঘোষিত যে কোনো দলীয় কর্মসূচি আলাদা আলাদা ভাবে পালন করে আসছেন তারা।

তবে বিএনপির যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দিলেই বিজয় অর্জিত হবে এমনটা মনে করছেন দলীয় নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ভোটাররা।

অন্যদিকে পূর্ব ঘাটাইলের পাহাড়ি লাল মাটির কৃতি সন্তান বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম দলীয় মনোনয়ন পেতে কাজ করে যাচ্ছেন। সম্পূর্ণ ক্লিন ইমেজের এই নেতার পাহাড়ি অঞ্চলে রয়েছে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা। দলের দুর্দিনে দলীয় নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ চালাচ্ছেন। গ্রাম গঞ্জের তৃনমূলের ভোটার জানান, দলের মধ্যে গ্রুপিং এর কারনে তিনি মনোনয়ন পেতে পারেন।

এদিকে জামায়াতে ইসলামী ঘোষিত একক প্রার্থী হচ্ছেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়েত ইসলামীর সহ-সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ হোসনী মোবারক বাবুল।

তিনি জানান, যদি জামাতে ইসলামী বাংলাদেশ যদি জনগন ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নেয় পাহাড়ী এলাকার অবহেলিত মানুষ কে সহায়তা করবো, বেকার সমস্যা সমাধান, স্বাস্থ্য সেবার উন্নতি করবো এবং চাঁদাবাজি নির্মুল করবো। ঘাটাইল কে আধুনিক ঘাটাইলে রুপান্তরীত করবে।

টাঙ্গাইল জেলা (পূর্ব) জাকের পার্টির সভাপতি ও একক মনোনয়ন প্রত্যাশী মো. আব্দুল আজিজ খান অটল।

তিনি জানান, জাকের পার্টির চেয়ারম্যান পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সল মুজাদ্দেদী সারা দেশে চ’ড়ান্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করবেন। অবাদ সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ, কালো টাকা ও পেশিশক্তি মুক্ত যদি ভোট হয় তাহলে জাকের পার্টি নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে। জনগন এবার জাকের পার্টি কে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে ১৪ টি ইউনিয়ন ১টি পৌরসভায় সর্ব মোট ১২২ টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার ৩,৭২,৯৩২ (তিন লাখ বাহাত্তুর হাজার নয় শত বত্রিশ) জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১,৮৮,৪৫৮ (এক লাখ আটাশি হাজার চারশত আটান্ন) জন ও মহিলা ভোটার ১,৮৪, ৪৭১ (এক লাখ চুরাশি হাজার চার শত একাত্তুর) জন এবং তৃতীয় লিঙ্গ ৩ (দুই)জন।

 

এম.কন্ঠ/ ২৫ অক্টোবর  /এম. টি