ঢাকা ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মাটি তোলা নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ-আহত যুবদল নেতার মৃত্যু বাসাইলে ধান ব্যবসায়ীর ঘরে টাকা চুরি, মীমাংসার চেষ্টা; আটক ৩ টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে আন্তঃক্লাব ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন কালিহাতীতে জমি নিয়ে বিরোধে সংঘর্ষ: চিকিৎসাধীন অবস্থায় যুবদল নেতার মৃত্যু আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এতিম শিশুদের ৭ দিনব্যাপী ক্রিকেট প্রশিক্ষণ ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ করতে মাদক ব্যবসায়ীর ট্রাক ছিনতাইয়ের নাটক সখীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু টাঙ্গাইলে অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের নতুন কমিটির দোয়া মাহফিল দেশ ও গণ বিরোধী অপশক্তি অচিরেই বালির বাঁধের মতো ভেঙে যাবে-বিরোধী দলীয় হুইপ

ঘাটাইলে দাফনের ৩৭ দিন পর লাশ উত্তোলন

ঘাটাইল প্রতিনিধি :
প্রকাশ: ০৩:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দাফনের ৩৭ দিন পর ছেলের হাতে খুন হওয়া বাবার লাশ তোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের নিজ কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।

মামলার তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কবর থেকে পুনরায় উত্তোলন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ফৌজিয়া হাবিব খান, ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেন ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে লাশ টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২২ আগস্ট জামিল নামের কলেজ পড়ুয়া ছেলের হাতে খুন হন রাশিদুল ইসলাম খান সুমন (৪৫)। নিহত সুমন উপজেলার চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের জেরে ছেলে জামিল খান তাকে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় গত বুধবার রাতেই ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন সুমনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক খান (৮২)।

পুলিশ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ কোনোভাবেই মানতে পারছিলেন না কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী জামিল খান। অনেক চেষ্টা করেও বাবা-মাকে মেলাতে পারেননি। এতে অবনতি হয় বাবা-ছেলের সম্পর্কের। পরে বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন জিসান।

এর তিন দিন আগেই বাড়ির পাশে গর্ত খুঁড়ে রাখেন জিসান। ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবার মৃত্যু নিশ্চিত করতে পারলেও গর্তে পুঁতে রাখতে পারেননি বাবার লাশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এমনই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে দাফনের ৩৭ দিন পর শনিবার মামলা তদন্তের স্বার্থে নিহত সুমনের লাশ কবর থেকে তোলা হয়। এ সময় লাশ দেখার জন্য শত শত উৎসুক জনতা কবরস্থানে ভিড় করেন।

 

এম.কন্ঠ/ ২৭ সেপ্টেম্বর /এম. টি

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘাটাইলে দাফনের ৩৭ দিন পর লাশ উত্তোলন

প্রকাশ: ০৩:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দাফনের ৩৭ দিন পর ছেলের হাতে খুন হওয়া বাবার লাশ তোলা হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সংগ্রামপুর ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের নিজ কবরস্থান থেকে লাশটি তোলা হয়।

মামলার তদন্তের স্বার্থে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি কবর থেকে পুনরায় উত্তোলন করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাহিদুর রহমান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ফৌজিয়া হাবিব খান, ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেন ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন বলেন, মামলার তদন্তের স্বার্থে লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে লাশ টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ২২ আগস্ট জামিল নামের কলেজ পড়ুয়া ছেলের হাতে খুন হন রাশিদুল ইসলাম খান সুমন (৪৫)। নিহত সুমন উপজেলার চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পারিবারিক কলহের জেরে ছেলে জামিল খান তাকে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় গত বুধবার রাতেই ঘাটাইল থানায় মামলা করেছেন সুমনের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক খান (৮২)।

পুলিশ এবং পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ কোনোভাবেই মানতে পারছিলেন না কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী জামিল খান। অনেক চেষ্টা করেও বাবা-মাকে মেলাতে পারেননি। এতে অবনতি হয় বাবা-ছেলের সম্পর্কের। পরে বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন জিসান।

এর তিন দিন আগেই বাড়ির পাশে গর্ত খুঁড়ে রাখেন জিসান। ২০টি ঘুমের ওষুধ খাইয়ে বাবার মৃত্যু নিশ্চিত করতে পারলেও গর্তে পুঁতে রাখতে পারেননি বাবার লাশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এমনই স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন তিনি।

এদিকে দাফনের ৩৭ দিন পর শনিবার মামলা তদন্তের স্বার্থে নিহত সুমনের লাশ কবর থেকে তোলা হয়। এ সময় লাশ দেখার জন্য শত শত উৎসুক জনতা কবরস্থানে ভিড় করেন।

 

এম.কন্ঠ/ ২৭ সেপ্টেম্বর /এম. টি